Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

হিটলার যেভাবে ফ্যাসিস্ট হলেন

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৬, ১৫: ৫৭
হিটলার যেভাবে ফ্যাসিস্ট হলেন
ছবি: দ্য ইকোনোমিক টাইমস

হিটলার হয়তো বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত নামগুলোর একটি। অনেকের কাছে ফ্যাসিস্ট বা একনায়ক শব্দটির সমার্থক যেন অ্যাডলফ হিটলার।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কিন্তু একজন সাধারণ রাজনীতিক থেকে কীভাবে তিনি ইতিহাসের সবচেয়ে কুখ্যাত একনায়কে পরিণত হলেন?

১৯৩৪ সালের ২ আগস্ট। জার্মানির প্রেসিডেন্ট পল ফন হিন্ডেনবুর্গ মারা গেলেন। তার মৃত্যুর পরই চ্যান্সেলর ও প্রেসিডেন্ট- দুটি পদ একীভূত করে নিজের নতুন উপাধি নিলেন অ্যাডলফ হিটলার- ‘ফ্যুরার’।

এর মধ্য দিয়ে জার্মানির রাষ্ট্রক্ষমতা কার্যত পুরোপুরি তার হাতে কেন্দ্রীভূত হয়। তবে এই অবস্থানে পৌঁছানোর পথ শুরু হয়েছিল আরও আগে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

১৯৩২ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নাৎসি পার্টির ভোটের পরিমাণ কিছুটা কমে গিয়েছিল। তবু ১৯৩৩ সালের জানুয়ারিতে হিন্ডেনবুর্গ হিটলারকে চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ দেন।

তার বিশ্বাস ছিল, মন্ত্রিসভার একজন সদস্য হিসেবে হিটলারকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। কিন্তু সেই ধারণা খুব দ্রুতই ভুল প্রমাণিত হয়।

মুসোলিনির দেশের লেখক যেভাবে ফ্যাসিস্ট চিনতেনfacist

ক্ষমতায় বসেই হিটলার জার্মান পার্লামেন্ট ভবন রাইখস্টাগে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে রাজনৈতিক সুযোগ হিসেবে কাজে লাগান।

এই ঘটনাকে অজুহাত বানিয়ে তিনি নতুন সাধারণ নির্বাচনের ডাক দেন। নির্বাচনের আগে নাৎসি নেতা হারমান গোরিংয়ের অধীনস্থ পুলিশ বাহিনী বিরোধী দলগুলোর কার্যক্রম কঠোরভাবে দমন করে।

এরপরের নির্বাচনে নাৎসিরা অল্প ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ‘এনাবলিং অ্যাক্টস’-এর মাধ্যমে হিটলার কার্যত রাষ্ট্রের সব ক্ষমতা নিজের হাতে কেন্দ্রীভূত করেন।

এরপর শুরু হয় ক্ষমতা আরও সুসংহত করার অভিযান। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের গ্রেপ্তার ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

এমনকি নিজের দল নাৎসি পার্টির আধাসামরিক বাহিনী এসএ–এর বিরুদ্ধেও কঠোর অভিযান চালিয়েছিলেন হিটলার। এর ফলে জার্মান সেনাবাহিনীর সমর্থনও তার দিকে ঝুঁকে পড়ে।

ফ্যুরার বা নেতা হওয়ার পর হিটলারের শাসনের ভিত্তি আরও শক্ত হতে থাকে।

পয়লা বৈশাখ কি কালচারাল ফ্যাসিজম?mangal shuvajatra

এ সময় জার্মানির অর্থনীতি কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালে সাধারণ মানুষের একাংশের সমর্থনও বাড়ে। একই সঙ্গে নাৎসি প্রচারযন্ত্র হিটলারকে ঘিরে ব্যক্তিপূজার এক সংস্কৃতি গড়ে তোলে।

ওদিকে জার্মানি আবারও সামরিক শক্তি বাড়াতে শুরু করে। রাষ্ট্রীয়ভাবে ইহুদিবিরোধী নীতিও আরও প্রকাশ্য রূপ পায়।

এসব নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনা হলেও অন্যান্য রাষ্ট্র নাৎসি জার্মানির উত্থান ঠেকাতে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি।

প্রতীকী ছবি। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
প্রতীকী ছবি। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

১৯৩৮ সালে হিটলার অস্ট্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ নেন। পরের বছর পুরো চেকোস্লোভাকিয়া জার্মানির নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু তার সম্প্রসারণবাদী অভিযান সেখানেই থামেনি।

১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর পোল্যান্ডে জার্মান বাহিনীর আক্রমণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। এরপর ব্রিটেন ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

যুদ্ধের শুরুতে হিটলারের বাহিনী একের পর এক চমকপ্রদ সাফল্য অর্জন করেছিল। ইউরোপের বড় একটি এলাকা জার্মানির নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

তবে ১৯৪২ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে জার্মানির বিপর্যয়কর অভিযানের পর যুদ্ধের মোড় ঘুরে যায়।

বিশ্বে কি আবার চেঙ্গিস খান বা হিটলার আসবে?hitler and jengish khan

১৯৪৫ সালের শুরুতে জার্মানিকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে মিত্রশক্তি। পশ্চিম দিক থেকে এগিয়ে আসে ব্রিটিশ ও মার্কিন বাহিনী, আর পূর্ব দিক থেকে অগ্রসর হতে থাকে সোভিয়েত বাহিনী।

তখন বার্লিনে চ্যান্সেলারির নিচে একটি বাঙ্কারে অবস্থান করছিলেন হিটলার। পরাজয় ছিল সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল, সোভিয়েত বাহিনী তার সদর দপ্তর থেকে এক মাইলেরও কম দূরত্বে পৌঁছে গেলে, তার স্ত্রী ইভা ব্রাউনের সঙ্গে তিনি আত্মহত্যা করেন।

হিটলারের পতনের পর জার্মানি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। দেশটি মিত্রশক্তির নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। পরে জার্মানি বিভক্ত হয় এবং স্নায়ুযুদ্ধের সময় বিশ্বের অন্যতম প্রধান ভূরাজনৈতিক সংঘাতের কেন্দ্রে পরিণত হয়।

তবে হিটলারের শাসনের সবচেয়ে ভয়াবহ অধ্যায় ছিল হলোকাস্ট। তার শাসনামলে প্রায় ৬০ লাখ ইহুদি এবং আনুমানিক আড়াই লাখ রোমানি জনগোষ্ঠীর সদস্যকে হত্যা করা হয়।

পাশাপাশি স্লাভ জনগোষ্ঠীর অসংখ্য মানুষ, রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, সমকামী এবং নাৎসি শাসনের চোখে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বিবেচিত আরও বহু মানুষকে পরিকল্পিতভাবে নির্মূল করা হয়েছিল।

হিটলার ইউরোপে যে যুদ্ধের সূচনা করেছিলেন, তাতে প্রাণহানির পরিমাণ ছিল আরও ভয়াবহ। শুধু সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নেই প্রায় ২0 লাখ মানুষ নিহত হয়েছিলেন।

ইতিহাসে অ্যাডলফ হিটলার তাই মানবসভ্যতার অন্যতম ঘৃণিত ও কুখ্যাত শাসক হিসেবেই পরিচিত।

বিষয়: জার্মানিহিটলারইতিহাসের এই দিনে
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।