Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

অনলাইনে জিডি: নাগরিক নিরাপত্তায় কতটা কার্যকর উদ্যোগ?

আরমান ভূঁইয়া

আরমান ভূঁইয়া

প্রকাশ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১০: ৩৩
অনলাইনে জিডি: নাগরিক নিরাপত্তায় কতটা কার্যকর উদ্যোগ?

চুরি, ছিনতাই, সহিংসতা, মারামারি, হত্যাকাণ্ডসহ যেকোনো ধরনের হুমকি বা কিছু হারিয়ে গেলে সাধারণ মানুষের দরকার পুলিশের সহায়তা। সাধারণত পুলিশের কাছ থেকে এ ধরনের সহযোগিতার দরকার হলে থানায় গিয়ে অভিযোগ করতে হয়। তবে বর্তমানে এই সেবা সহজ করার জন্য অনলাইন সার্ভিস চালু করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ধরুন, আপনার মোবাইল ফোন কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্র বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হারিয়েছে বা আবার আপনি আপনার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত বা আপনাকের কেউ হুমকি দিয়েছে, এখন আপনি কী করবেন? এমন পরিস্থিতিতে অবশ্যই আপনাকে আইনি সহায়তা নিতে হবে। এ ধরনের ঘটনায় সাধারণত থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে। তবে সময়, দূরত্ব ও হয়রানির কারণে অনেক ক্ষেত্রেই মানুষ থানায় গিয়ে জিডি করতে আগ্রহ হারায়। আর এমন বাস্তবতাতেই শুরু হয়েছে অনলাইন জিডির ব্যবস্থা। তবে আলোচনার বিষয়— এটা কতটা কার্যকর হচ্ছে।

জিডি কী, আর কেন জরুরি

সাধারণ ডায়েরি বা জিডি কোনো মামলা নয়। এটি মূলত থানার নথিতে একটি ঘটনার লিখিত বিবরণ সংরক্ষণ। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, জিডি হলো ভবিষ্যৎ আইনি পদক্ষেপের একটি প্রাথমিক ভিত্তি। কোনো ঘটনা পরবর্তীতে অপরাধে রূপ নিলে বা ক্ষয়ক্ষতির দায় নির্ধারণের প্রয়োজন হলে জিডি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিশেষ করে হারানো কাগজপত্র, প্রতারণার আশঙ্কা, পারিবারিক বা সামাজিক বিরোধ, এমনকি রাজনৈতিক বা পেশাগত হুমকির ক্ষেত্রেও জিডি করার পরামর্শ দেন সংশ্লিষ্টরা।

নির্বাচনী সহিংসতা ঠেকাতে পারবে পুলিশ?target killing

থানাকেন্দ্রিক চাপ কমানো ও নাগরিকদের পুলিশ সেবায় সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা— মূলত এই দুটি লক্ষ্য সামনে রেখে বাংলাদেশ পুলিশ অনলাইনে জিডির ব্যবস্থা চালু করে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, “অনলাইনে জিডি চালুর ফলে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে থানায় ভিড় কমছে। পাশাপাশি নাগরিকরাও সহজে রেকর্ড রাখতে পারছেন।”

অনলাইনে জিডি কীভাবে করবেন

বাংলাদেশ পুলিশের “Online GD” মোবাইল অ্যাপ অথবা gd.police.gov.bd ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এখন ঘরে বসেই সাধারণ জিডি করা যায়। গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), সচল মোবাইল নম্বর ও লাইভ ছবির মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হয়। নিবন্ধনের সময় মোবাইল ফোনে পাঠানো ওটিপি (ভেরিফিকেশন নম্বর) দিয়ে পরিচয় যাচাই সম্পন্ন হলে অ্যাপে লগইন করে জিডির ধরন নির্বাচন করতে হবে, এরপর ঘটনা কোথায় ও কখন ঘটেছে তার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে সংশ্লিষ্ট থানা নির্বাচন করে তথ্য সাবমিট করলে আবেদন হয়ে যাবে এবং যাচাই শেষে একটি ডিজিটাল জিডি কপি নাগরিকের কাছে চলে আসবে।

জিডি করতে কোনো ধরনের ফি লাগে না এবং প্রদত্ত সব তথ্য নির্ভুল হওয়া বাধ্যতামূলক, কারণ জিডি পরবর্তীতে আইনি প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। প্রয়োজন হলে হারানো বা প্রাপ্ত সামগ্রীর সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্ট সংযুক্ত করার সুযোগও রয়েছে। পুলিশ অভিযোগ যাচাই করে জিডির অনুমোদন দেয়। যদি অভিযোগটি আমলযোগ্য অপরাধের আওতায় পড়ে, তাহলে আবেদনকারীকে এসএমএসের মাধ্যমে থানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়। পরবর্তীতে মামলা করতে হবে এবং পুলিশ তা তদন্ত করে বিচারের জন্য আদালতে পাঠায়।

এই ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে জিডি প্রক্রিয়া সহজ ও সময় সাশ্রয়ী হলেও তথ্যের যথার্থতা ও ফলোআপ নিশ্চিত করাই এর কার্যকারিতার মূল শর্ত। তবে বাস্তবে সব ক্ষেত্রেই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া মিলছে—এমন নয়। পুলিশও সব জিডি আমলে নিচ্ছে না বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সাব-জেল কী, কেনsub-jail

অনলাইনে জিডি করার অভিজ্ঞতা

ঢাকার বাসিন্দা হাসিবুর রহমান বেসরকারি চাকরি করেন। তিনি বলেন, “মোবাইল হারানোর পর অনলাইনে জিডি করেছি। নম্বর পেয়েছি, কিন্তু পরে থানায় গিয়ে আবার কাগজ দেখাতে হয়েছে। সেটিও সমস্যা নেই। কিন্তু মোবাইলটি এখনও ফিরে পাইনি। হয়তো পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন জিডির সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা— সব ধরনের ঘটনার অভিযোগ অনলাইনে গ্রহণ করা হয় না। অনেক ক্ষেত্রে থানায় উপস্থিত হয়ে যাচাই করতে বলা হয়। অনলাইন জিডিকে আরও কার্যকর করতে হলে থানাভিত্তিক ফলোআপ ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল‍্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক এবং অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, অনলাইন জিডি ব্যবস্থা নাগরিকদের জন্য একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হলেও এর কার্যকারিতা নির্ভর করছে মাঠপর্যায়ে পুলিশের সাড়া দেওয়ার ওপর। তার মতে, ডিজিটাল মাধ্যমে অভিযোগ গ্রহণ সহজ হয়েছে, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে জিডির পর থানাভিত্তিক ফলোআপ না হলে নাগরিক আস্থা ক্ষুণ্ন হয়।

তৌহিদুল ইসলাম মনে করেন, অনলাইন জিডিকে শুধু তথ্য গ্রহণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তদন্ত, যাচাই ও প্রতিক্রিয়ার একটি সমন্বিত কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি নাগরিকদের দেওয়া তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও এই ব্যবস্থার ওপর আস্থা তৈরির জন্য অত্যন্ত জরুরি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনলাইন জিডি নিঃসন্দেহে একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। এটি নাগরিক–পুলিশ সম্পর্ককে সহজ করার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তবে প্রযুক্তিগত সুবিধার পাশাপাশি প্রয়োজন— দক্ষ ব্যবস্থাপনা, দ্রুত প্রতিক্রিয়া এবং স্বচ্ছতা। তাছাড়া অনলাইন জিডি কেবল একটি ডিজিটাল উদ্যোগেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে।

বিষয়: ডিজিটালজিডিডিএমপিপুলিশঅপরাধসাইবার অপরাধঅন্তর্বর্তী সরকার
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।