Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

মোহামেডান–আবাহনী ম্যাচ যেভাবে আকর্ষণ হারাল

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫, ২০: ৫১
মোহামেডান–আবাহনী ম্যাচ যেভাবে আকর্ষণ হারাল

সোমবার বাংলাদেশ ফুটবল লিগে মোহামেডান–আবাহনী ম্যাচ ছিল। এই বাক্যটা লিখে মনে হচ্ছে, এই প্রজন্মের কাছে ম্যাচটা হলেও কী, আর না হলেও কী! বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ফুটবল লিগ নিয়ে এমনিতেই একমাত্র ফুটবল–সংশ্লিষ্ট ছাড়া আর কারও মাথা ব্যথা নেই। এমনকি হামজা চৌধুরী, শমিত সোম, ফাহমিদুল ইসলাম, কিউবা মিচেলদের আকর্ষণে জাতীয় দলের ম্যাচ দেখতে যেসব ফুটবলপ্রেমী রোমাঞ্চ অনুভব করেন, লিগ নিয়ে মাথা ব্যথা নেই তাদেরও। কিন্তু মোহামেডান ও আবাহনী—এই দুটি নাম শুনলেই হয়তো এখনো একটা প্রজন্মের অনেকেই কিছুটা সচকিত হয়ে ওঠে। এই দুটি নামের সঙ্গে যে তাদের বহু নস্টালজিয়া জড়িয়ে আছে!

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মোহামেডান দল। ছবিটি ১৯৮৭ মৌসুমের
মোহামেডান দল। ছবিটি ১৯৮৭ মৌসুমের

দেশের এই দুই দল যখন মুখোমুখি হয় মাঠে, তখন সেই প্রজন্মের কেউ কেউ হয়তো খোঁজে ম্যাচে কে জিতল, কে হারল। তারা সেই অতীতের দিনগুলোকে মনে মনে ফেরানোর চেষ্টা করেন, অবিস্মরণীয় সব স্মৃতি তাদের রোমাঞ্চিত করে। কিন্তু কিছুতেই সেই অনুভূতি ফিরিয়ে আনা যায় না। ছোট্ট একটা নিঃশ্বাস ফেলে তারা ভাবেন সেই কথাটা, যে দিন গেছে, তা কি একেবারেই গেছে?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সত্তর, আশি ও নব্বইয়ের দশকে এ দেশে ফুটবল বিপুল জনপ্রিয় ছিল। ভাগ্যক্রমে ওই তিন দশক ফুটবল কিছু তারকাও পেয়েছিল। ব্যাপারটা যেন হঠাৎ করেই হাতে প্রচুর ধন সম্পত্তি পেয়ে যাওয়ার মতো কিছু ছিল। নিজেদের অর্জন করতে হয়নি, তৈরি করতে হয়নি। তাই সেটি টিকিয়ে রাখার দায় ছিল না কারওরই। কেউই ভাবেননি, যে সম্পদ দৈবক্রমে পাওয়া, সেটিকে টিকিয়ে রাখতে সৃজনশীল হতে হবে, নতুন কিছুর উদ্ভাবন ঘটাতে হবে। আবাহনী ও মোহামেডান দল দুটি সময়ের সঙ্গে কখনোই সৃজনশীল হতে পারেনি।

মোহামেডানের বয়স ৯০। আবাহনীর ৫০–এর বেশি। সময়ের বিচারে দুটিই পুরোনো ক্লাব। বলতে গেলে দেশের ফুটবলের ধারক ও বাহক। বাংলাদেশের ফুটবল বলতে এই দুই ক্লাবের কথাই প্রথমে মনে হবে সবার। সে হিসেবে, এ দুটি ক্লাব বাংলাদেশের ফুটবলের সবচেয়ে বড় ব্র্যান্ড।

১৯৮৭ মৌসুমের আবাহনী।
১৯৮৭ মৌসুমের আবাহনী।

কিন্তু এ যুগে মোহামেডানের মতো ক্লাবের নিজস্ব ভেন্যু দূর থাক, অনুশীলনের জন্য কোনো উন্নতমানের মাঠই নেই। এই মাঠ, সেই মাঠ, কখনো ধূপখোলা, কখনো পল্টন ময়দান করে বেড়াতে হয় তাদের ফুটবল দলকে। আবাহনীর একটা বিশাল মাঠ আছে ঠিকই, কিন্তু সেই মাঠে গেলে বোঝার উপায় নেই, দেশের অন্যতম শীর্ষ ফুটবল ক্লাবের মাঠ সেটি।

আবাহনী–মোহামেডান নিয়ে উন্মাদনা বিষাদময় পরিস্থিতিও তৈরি করত
আবাহনী–মোহামেডান নিয়ে উন্মাদনা বিষাদময় পরিস্থিতিও তৈরি করত

ক্লাব সংস্কৃতি বলতে যেটি বোঝায়, এই দুই ক্লাবের কোনোটিই তা তৈরি করতে পারেনি। দুটি ক্লাবই নির্ভরশীল অনুদানের ওপর। চাঁদা তুলে চলে তাদের কার্যক্রম। খেলোয়াড় তৈরির কোনো প্রকল্প নেই, নিজেদের বাণিজ্যিকভাবে লাভবান করে তোলার কোনো সৃজনশীল কাঠামো নেই। এই দুটি ক্লাব গত ৫০ বছরে নতুন খেলোয়াড় তৈরির পদ্ধতিগত কোনো উদ্যোগ নেয়নি, ভাবা যায়!

সেই পুরোনো দিনে কী ফেরা যাবে?
সেই পুরোনো দিনে কী ফেরা যাবে?

যুগের সঙ্গে চলতে হয়, নচেৎ হারিয়ে যেতে হয়—এই সাধারণ কথাটা কি কখনো মাথায় খেলেছে আবাহনী কিংবা মোহামেডানের? ঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তটি নেওয়ার ওপর অনেক কিছুই নির্ভর করে। আচ্ছা, নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে যখন দেশের ফুটবল জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে, আবাহনী–মোহামেডান লড়াইয়ে যখন দর্শক, আকর্ষণ সবই একটু একটু করে কমতে শুরু করেছে, তখন তাদের উদ্যোগ কী ছিল, কেউ মনে করতে পারেন?

ফুটবল তো একটা বাজারজাত করার পণ্য। বাজারে যদি ক্রেতার মন কাড়া না যায়, ক্রেতাকে যদি নিজেদের গুরুত্ব না বোঝানো যায়, তাহলে হারিয়ে যেতে হয়। আবাহনী, মোহামেডান ঠিক সেভাবেই হারিয়ে গেছে।

বৈপ্লবিক কোনো উদ্যোগ ছাড়া এই দুই দলের লড়াইয়ে আকর্ষণ ফেরানো কঠিন, বাস্তবতা এটিই। কিন্তু এ যুগে এসেও তেমন কিছু কি তারা করছে? এই দুটি ক্লাব কি একবারও ভাবে না, যে প্রজন্ম এখন সংখ্যাগরিষ্ঠ, তাদের মন জয় করতে না পারলে, একসময় আবাহনী, মোহামেডানকে সেই ভাগ্যই বরণ করতে হবে, যে ভাগ্য বরণ করেছে দেশের আজাদ, ভিক্টোরিয়া, ওয়ান্ডারার্সের মতো অনেক বড় বড় ক্লাবকে। এখন আবাহনী, মোহামেডান কী করবে, সেটা সম্পূর্ণ তাদের ব্যাপার।

বিষয়: আবাহনীমোহামেডানফুটবলবাংলাদেশবাফুফে
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।