Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

জম্বিদের দুনিয়া বদলে দিয়েছিল যে সিনেমা

সুদীপ্ত সালাম

সুদীপ্ত সালাম

প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮: ৫৯
জম্বিদের দুনিয়া বদলে দিয়েছিল যে সিনেমা

সিনেমার দুনিয়ায় একটি সুনির্দিষ্ট জনরা হলো ‘জম্বি সিনেমা’। জম্বির একটি উপযুক্ত বাংলা অর্থ হতে পারে—জিন্দা লাশ। অনেকগুলো মরদেহ ছুটে বেড়াচ্ছে জীবিতদের চিবিয়ে খেতে। ভাবতেও কেমন জানি লাগে!

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অনেকের ভালো লাগে এই জম্বি সিনেমা। অনেকের আবার ভালো লাগেও না। আবার যাদের ভালো লাগে না, তাদের অনেকেও কিন্তু ভীষণ ভয়, উত্তেজনা ও আনন্দ নিয়ে দেখে ফেলেছিল দক্ষিণ কোরিয়ার সিনেমা ‘ট্রেন টু বুসান’। না দেখা থাকলে দেখে ফেলতে পারেন। কারণ এটি প্রচলিত জম্বি সিনেমাগুলোর মতো নয়। রোমহষর্ক ভয় ও অস্বস্তি শেষে এই সিনেমা মানবতার কথা বলে। বলে ভালোবাসার কথা।

২০১৬ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় সবচেয়ে বেশি দর্শক যে সিনেমাটি দেখেছিল সেটি ইয়োন সাং-হো পরিচালিত এই ‘ট্রেন টু বুসান’। ১ কোটি ১৫ লাখেরও বেশি মানুষ সিনেমাটি হলে গিয়ে দেখেছিল। এটি এখনো দক্ষিণ কোরিয়ার সর্বকালের সর্বাধিক দর্শকসংখ্যা অর্জনকারী চলচ্চিত্রের তালিকায় ১১তম স্থানে অবস্থানে রয়েছে। সিনেমাটির প্রিমিয়ার হয়েছিল ২০১৬ সালের কান চলচ্চিত্র উৎসবে।

স্প্যানিশ সিনেমা ‘হরর এক্সপ্রেস’-এর মূল পোস্টার।
স্প্যানিশ সিনেমা ‘হরর এক্সপ্রেস’-এর মূল পোস্টার।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

একজন বাবা তার কন্যাকে নিয়ে অন্যান্য যাত্রীর সঙ্গে বুসান যাচ্ছে। বাবার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন গং-ইউ। বুসানে থাকে মেয়ের মা এবং তার প্রাক্তন স্ত্রী। জন্মদিন উপলক্ষে মেয়েকে মায়ের সঙ্গে দেখা করিয়ে দিতেই এই ট্রেনযাত্রা। যাত্রীবাহী ট্রেনটি হঠাৎ জম্বিদের আক্রমণের শিকার হয়। এরপরই গল্প ঢুকে যায় এক ভয়াবহ গলিতে।

ধারণা করা হয়, ট্রেনে জম্বিদের হামলা নিয়ে করা প্রথম চলচ্চিত্র ‘হরর এক্সপ্রেস’। স্প্যানিশ সিনেমাটি ১৯৭২ সালে মুক্তি  । মূল নাম ছিল ‘প্যানিকো এন এল ট্রান্সসাইবেরিয়ান’ অর্থাৎ ‘প্যানিক অন দ্য ট্রান্সসাইবেরিয়ান’। তারপর অনেক জম্বি সিনেমা হয়েছে। কিন্তু ট্রেনকে ব্যবহার করে সফল কিছু হয়নি। সত্তর দশকের ঐতিহ্যকে গ্রহণ করে জম্বি সিনেমা-ঘরানাকে আমূল বদলে দিয়েছিলেন পরিচালক ইয়োন সাং-হো।  

‘ট্রেন টু বুসান’-এ জম্বিদের ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সাধারণত দেখা যায় মানুষ জম্বিদের হামলা থেকে বাঁচতে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যায়। কিন্তু এই সিনেমায় পরিস্থিতি ভিন্ন। আমরা দেখি, মানুষের জন্য জম্বিদের চেয়ে বিপজ্জনক হয়ে ওঠে মানুষই! জম্বিদের হাত থেকে বাঁচতে মানুষই মানুষকে হত্যা করতে দ্বিধা করে না। সঙ্কট কীভাবে ভদ্রতার লেবাস ছিঁড়ে শ্রেণিবৈষম্য, লোভ, আত্মকেন্দ্রিকতাকে বের করে আনে, তা এই সিনেমায় প্রকটভাবে ফুটে উঠেছে। অবশ্য সবশেষে মানুষেরই জয় হয়।

ট্রেন টু বুসান সিনেমার পোস্টার।
ট্রেন টু বুসান সিনেমার পোস্টার।

মানুষের লড়াই, আত্মোৎসর্গ ও ভালোবাসা সিনেমাটিকে পুরোপুরি জম্বিনির্ভর হতে দেয়নি। সম্ভবত এ জন্যই ব্রিটিশ চলচ্চিত্র নির্মাতা এডগার রাইট বলেছেন, ‘ট্রেন টু বুসান’ তার দেখা সেরা জম্বি-সিনেমা। নতুন গল্প তো আছেই। একে সোনায় সোহাগা করেছে দুর্দান্ত এডিটিং, শ্যুটিং ও ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস।

এই সিনেমার বাজেট ছিল ৮ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। কিন্তু তা আয় করেছিল প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার। বলা হয়ে থাকে, দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে আর কোনো সিনেমা বিদেশের মাটিতে এতটা আলোড়ন ফেলতে পারেনি।

‘ট্রেন টু বুসান’ বাঁধভাঙা সফলতা পাওয়ার পরও পরিচালক ইয়োন সাং-হো এই সিনেমার সিক্যুয়েল করতে চাননি। পরে অবশ্য মত পাল্টান। ২০২০ সালে মুক্তি পায় তার ‘ট্রেন টু বুসান প্রেজেন্টস পেনিনসুলা’ নামের সিনেমা। তিনি অবশ্য বলেছেন, এটি ঠিক ‘ট্রেন টু বুসান’-এর সিক্যুয়েল নয়।

দেখুন, দেখে আপনিই নাহয় ঠিক করুন ‘ট্রেন টু বুসান’ কেমন।

ইয়োন সাং-হো। ছবি: আইএমডিবি
ইয়োন সাং-হো। ছবি: আইএমডিবি

দাঁড়ান! দাঁড়ান! আরেকটি কথা বলা হয়নি, ‘ট্রেন টু বুসান’ কিন্তু পরিচালক ইয়োন সাং-হো পরিচালিত প্রথম সিনেমা। এর আগে তিনি জম্বি নিয়েই একটি অ্যানিমেটেড শর্টফিল্ম তৈরি করেছিলেন। ‘সিউল স্টেশন’ নামের ওই শর্টফিল্মটিকে বলা হয় ‘ট্রেন টু বুসান’-এর প্রিক্যুয়েল।       

তথ্যসূত্র: ক্রিপি ক্যাটালগ ও মিডিয়াম

বিষয়: সিনেমাদক্ষিণ কোরিয়াকান চলচ্চিত্র উৎসববাজেটচলচ্চিত্র
সর্বশেষ
  • ১

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

  • ২

    খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

  • ৩

    নির্বাচনের আগে যুদ্ধ থামবে না, তেলের দামও কমবে না: ট্রাম্প

  • ৪

    মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ

  • ৫

    সাংবাদিকদের দমনের উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।