Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন নাকি চীনের সহযোগিতা, কোন পথে বাংলাদেশ?

দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা চললেও, প্রত্যাশামতো অগ্রগতি হয়নি। এখনো বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কে বেশ কিছু অমীমাংসিত সমস্যা ও মতপার্থক্য রয়ে গেছে।

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২৬, ১৯: ৩৩
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন নাকি চীনের সহযোগিতা, কোন পথে বাংলাদেশ?

দেশের অর্থনীতি চাঙা করতে চীনের বিনিয়োগ ও সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কেও নতুন ভারসাম্য আনার চেষ্টা করছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

প্রথমে মালয়েশিয়া এরপর চীন সফর করে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নতুন দিকের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার নতুন নেতারা সাধারণত প্রথমে ভারত সফর করেন। তাই অনেকের মতে, তারেক রহমানের চীন সফর দিল্লির প্রতি একটি বার্তা। কারণ ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।

চীনের সঙ্গে হওয়া কয়েকটি চুক্তির মধ্যে তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা এবং মোংলা বন্দরের কাছে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনা সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বাংলাদেশে প্রভাব বাড়াতে চীন ও ভারতের প্রতিযোগিতার কারণে এই বিষয়গুলো দিল্লি খুব গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করছে।

২০২৪ সালের আগস্টে এক গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের অবনতি হয়। এরপর মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরও দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন থেকে যায়। এ সময় ভারতও উচ্চপর্যায়ের সফর এড়িয়ে চলে।

চীন থেকে কী আনলেন তারেক রহমান?PM tareque

ফেব্রুয়ারিতে বিএনপির সরকার গঠন ও তারেকের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশ ও ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নিয়েছে।

ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব শ্যাম শরণ বিবিসিকে বলেন, “দুই দেশের মধ্যে আগের তুলনায় উত্তেজনা কিছুটা কমেছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। সীমান্তবর্তী অর্থনৈতিক কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। ভারত আবারও বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা দেওয়া শুরু করেছে।”

PM tareque
ছবি: পিএমও

দেড় বছর বন্ধ থাকার পর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যাত্রীবাহী বাস চলাচল আংশিকভাবে আবার শুরু হয়েছে। বর্তমানে কলকাতা-ঢাকা এবং ঢাকা-আগরতলা রুটে বাস চলাচল করছে।

চলতি বছরের শুরুতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হলে, ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে বাংলাদেশে কয়েক হাজার টন জ্বালানি পাঠায় দিল্লি।

গত মাসে ভারতে নতুন হাইকমিশনার হিসেবে দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় দায়িত্ব নিয়েছেন। সম্পর্ক উন্নয়নের বার্তা দিতে ভারত তাকে মন্ত্রির সমমর্যাদা দিয়ে এই পদে নিয়োগ দেয়, যা ছিল একটি ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত।

বিবিসি বলছে, দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা চললেও, প্রত্যাশামতো অগ্রগতি হয়নি। এখনো বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কে বেশ কিছু অমীমাংসিত সমস্যা ও মতপার্থক্য রয়ে গেছে।

চীনের সঙ্গে বেশি ঘনিষ্ঠ হলে বাংলাদেশের ঝুঁকি কী?tarek-rahman-and-si-jingping

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। তাকে সমর্থন দেওয়ায় বাংলাদেশে ভারতবিরোধী মনোভাব আরও বেড়েছে। এছাড়া ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশে পুশইন অব্যাহত রাখায়ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের দাবি, গত কয়েক বছরে ভারত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই হাজার হাজার মানুষকে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। এসব লোকের বেশির ভাগই বাংলা ভাষাভাষী মুসলিম।

বাংলাদেশের বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের সময় হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকদের বাংলাদেশবিরোধী উসকানিমূলক মন্তব্যও ঢাকার কাছে বিভ্রান্তিকর বার্তা দিয়েছে।

india us (1)
ভারতের ভূরাজনৈতিক নীতি আদর্শবাদের চেয়ে নিজস্ব স্বার্থের ওপর বেশি নির্ভরশীল। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

বাংলাদেশের সাবেক কূটনীতিক হুমায়ুন কবির বলেন, “এসব বিষয় বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে আলোচনায় এসেছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে। এর প্রভাব সরকারের চিন্তাভাবনাতেও পড়েছে। এসব ঘটনার কারণে বাংলাদেশ সরকার ভারতের ইতিবাচক উদ্যোগগুলোর দিকে তেমন গুরুত্ব দেয়নি।”

গত মে মাসে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে সরকার গঠন করে বিজেপি। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এই রাজ্যে তৃণমূলের প্রায় ১৬ বছরের শাসনের অবসান হয়। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যে ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতিগতভাবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর কি বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে?PM tareque

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনায় চীনের যেকোনো ভূমিকা ভারতের কাছে একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল নিরাপত্তা ইস্যু।

তিস্তা নদী ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ নদী। নদীর পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের আলোচনা বহু বছর ধরে আটকে আছে। সম্প্রতি তারেক রহমানের চীন সফরের সময় বাংলাদেশ জানায়, তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা নিয়ে যৌথ কারিগরি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চালাতে দুই দেশ সম্মত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকাজের জন্য নদীটি সচল রাখতে খনন, পলি অপসারণ এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

শ্যাম শরণ বিবিসিকে বলেন, সীমান্তের এত কাছাকাছি কোনো প্রকল্পে চীনের অংশগ্রহণ ভারতের জন্য সব সময়ই উদ্বেগের বিষয়। তাই ভারত এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানাবে না।

বিবিসি বলছে, ভারত ও চীনের মধ্যে কয়েক দশকের সীমান্ত বিরোধ রয়েছে। তিস্তা প্রকল্পে চীনের অংশগ্রহণ হলে তারা ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডরের আরও কাছে চলে আসবে। এই সরু ভূখণ্ড দিয়েই ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য যুক্ত রয়েছে।

বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলছেন, আগের সরকারগুলোও তিস্তা প্রকল্পে ভারতকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। কিন্তু ভারত সিদ্ধান্ত নিতে অনেক দেরি করেছে। তাদের মতে, এত বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও অর্থায়নের সক্ষমতা চীনের রয়েছে।

এদিকে, ভারতকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেছেন, বাংলাদেশ ও চীনের সহযোগিতা কোনো তৃতীয় দেশকে লক্ষ্য করে নয় এবং এতে অন্য কোনো দেশের প্রভাব থাকা উচিত নয়।

তারেক রহমানের চীন সফর ও কিছু প্রাসঙ্গিক কথাPM tareque

চীন বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ। বাংলাদেশের আমদানি করা অস্ত্রের ৭০ শতাংশেরও বেশি আসে চীন থেকে। এছাড়া বাংলাদেশের কাছে চীনের পাওনা ৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

তারেক রহমানের সফরের সময় চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডর গড়ে তোলার প্রস্তাবও দেয় বেইজিং। এই করিডরের মাধ্যমে চীনের ইউনান প্রদেশের সঙ্গে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের সংযোগ স্থাপন করা হবে।

দক্ষিণ এশিয়াকে দীর্ঘদিন ধরেই ভারত নিজের প্রভাব বলয়ের অংশ হিসেবে দেখে। তবে গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপে চীন ধীরে ধীরে নিজের প্রভাব বাড়িয়েছে।

বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টায় ভারতের জন্য একটি বড় জটিলতা হলো, শেখ হাসিনা এখনো দিল্লিতে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

শ্যাম শরণের মতে, শেখ হাসিনা যত দিন দিল্লিতে থাকবেন, তত দিন রাজনৈতিক কারণে তারেক রহমানের ভারত সফর কিছুটা কঠিন হতে পারে।

তবে অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, এসব সত্ত্বেও তারেক রহমান ভবিষ্যতে ভারত সফর করতে পারেন। কারণ, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত দিক থেকে ভারত বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী।

অন্যদিকে, ভারতও জানে বাংলাদেশের সঙ্গে স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখা তাদের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ওই অঞ্চলে এখনো কয়েকটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে।

বিষয়: প্রধানমন্ত্রীবাংলাদেশভূরাজনীতিতারেক রহমানবৈদেশিক সম্পর্কচীনভারত
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।