Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

হংকং কেন ‘হংকং চায়না’

নাইর ইকবাল

নাইর ইকবাল

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৫, ২০: ১৬
হংকং কেন ‘হংকং চায়না’

এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বৃহস্পতিবার হংকং চায়নার বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। ‘হংকং চায়না’ কেন? শুধুমাত্র হংকং নয় কেন? হংকংয়ের সঙ্গে চীনের নাম কেন এক সঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এ ম্যাচকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন থেকে একটা নির্দেশনা এসেছে গণমাধ্যমগুলোতে। হংকং নামটি লেখার সঙ্গে সঙ্গে চায়না শব্দটাও জুড়ে দিতে হবে। অর্থাৎ লিখতে হবে হংকং চায়না। সবার মনে প্রশ্ন আসতেই পারে, কেন হংকংকে বলতে হবে হংকং চায়না?

হংকং কোনো স্বতন্ত্র স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র নয়। এটি চীনের অধীনস্থ একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল। যে অঞ্চলের রয়েছে আলাদা সরকার ব্যবস্থা। তবুও দেশটি স্বাধীন নয়।

চীনের দক্ষিণ পূর্ব উপকূলে অবস্থিত হংকং দ্বীপ ১৩০ বছর ধরে ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ছিল। উনিশ শতকে আফিম যুদ্ধে চীনকে হারিয়ে ব্রিটেন হংকং দ্বীপটি দখলে নিয়ে নেয়। ১৮৩৯ থেকে ১৮৬০ সালের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল আফিম যুদ্ধ। উনিশ শতকের শুরুতে ব্রিটেনে চীনের চায়ের বাজার বা চাহিদা তৈরি হয়। চীন ব্রিটেনকে চা বিক্রি করতে রাজি ছিল সোনা বা রুপার মুদ্রার বিনিময়ে। কিন্তু ব্রিটেন চাচ্ছিল ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে সংগৃহীত আফিমের বিনিময়ে চীন থেকে চা সংগ্রহ করতে। চীন রাজি না হওয়ায়, ব্রিটিশরা চোরাই অফিমের বিনিময়ে চীনা চোরাকারবারিদের কাছ থেকে চা সংগ্রহ করত। চীন সরকার ১৮৩৯ সালে ব্রিটিশদের ২০ হাজার বস্তা আফিম ধ্বংস করে দিলে শুরু হয় এই আফিম যুদ্ধ। এটি দীর্ঘ দিন ধরে চলে। সেই যুদ্ধে হেরে চীন হংকং দ্বীপ হারায় ব্রিটেনের কাছে। হংকংকে উপনিবেশে পরিণত করে ব্রিটেন। ১৮৯৮ সালের এক চুক্তির মাধ্যমে চীন হংকংকে ব্রিটেনের কাছে ৯৯ বছরের জন্য ইজারা দেয়। ১৯৮৪ সালে ব্রিটেন চীনকে হংকং দ্বীপ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য এক চুক্তি করে। সে অনুযায়ী ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই হংকং ফিরে আসে চীনের কাছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

হস্তান্তরের পর থেকে চীন হংকংয়ের ওপর কর্তৃত্ববাদী আচরণ শুরু করে। ব্যাপক স্বায়ত্তশাসন ও অবাধ ব্যক্তিস্বাধীনতা বজায় রাখার অঙ্গীকার করা সত্ত্বেও চীন সরকার হংকংবাসীর পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা দিতে গড়িমসি করে। হংকংয়ের জনগণ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের নেতা নির্বাচন করতে চেয়েছিল , কিন্তু চীন সরকার চায় তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে হংকং শাসনের জন্য নিযুক্ত করতে। ফলে চীন সরকার তাদের পছন্দের তালিকা থেকে হংকংয়ের নেতা নির্বাচনের ব্যবস্থা করে। চীন সরকার হংকংয়ের নাগরিকদের বিচারের জন্য চীনে প্রত্যর্পণের অনুমতি দিয়ে একট আইন পাস করলে ২০১৯ সালের জুন মাসে হংকংয়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। চীন সরকারের বিরুদ্ধে হংকংয়ের ১০ লাখের বেশি মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে সেটি বাতিল করলেও চীন সরকার ২০২০ সালে ‘জাতীয় নিরাপত্তা আইন’ নামে নতুন একটি আইন করে। এ আইন অনুযায়ী, গণমাধ্যম বন্ধ করাসহ নাগরিকদের কণ্ঠরোধ করে রাখা হয়।

Hong Kong-2

এরপর থেকেই চীনের ‘এক দেশ দুই ব্যবস্থা’র অধীনে হংকং শাসিত হয়ে আসছে। এই ব্যবস্থায় পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা ছাড়া আর সবকিছুতেই আছে হংকংয়ের স্বায়ত্ত্বশাসন। এমনকি একটি আলাদা পরিচয়ের অধীনে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনেও আছে হংকংয়ের পদচারণা।

চীন সব সময়ই হংকংকে নিজের ভূখণ্ড হিসেবে মনে করে। তারা মনে করে, হংকং কখনোই ব্রিটেনের উপনিবেশ ছিল না। বরং ব্রিটেন হংকং দখল করে সেখানে ঔপনিবেশিক শাসন চালিয়েছে। ১৯৯৭ সালে ব্রিটেন যখন হংকংকে চীনের কাছে ফিরিয়ে দেয় তখন তাদের ৫০ বছর স্বায়ত্ত্বশাসনের অধিকার দিয়েছিল চীন। ২০৪৭ সালে সেই ব্যবস্থার অবসান হবে। হংকং পুরোপুরি হয়ে যাবে চীনের অধীনে। তখন হংকং হবে শুধুই চীনের একটি প্রদেশ।

সেই প্রস্তুতিটা চীন এখন থেকেই শুরু করে দিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে হংকংয়ের নামের সঙ্গে ‘চায়না’ শব্দটি জুড়ে দেওয়া।

বিষয়: হংকংচীনআফিমবাফুফে
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।