Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তার করা যায়?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ জুলাই ২০২৬, ২০: ৫১
রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তার করা যায়?

সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জন ওঠার পরপরই তাকে গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছিল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ কয়েকটি সংগঠন। সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পরেও শুক্রবার গণঅধিকার পরিষদের নেতা আবু হানিফ তার গ্রেপ্তার দাবি করেছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের খবর জানিয়ে যে সংবাদ সম্মেলন করেন, সেখানেও সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করেন। জবাবে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন বলেন, “এ বিষয়ে কিছু বলার নাই। দেশের রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেছেন। এটা একটা সলেম অকেশন, লেট আস ডু ইট ফর হিম।”

সাহাবুদ্দিনের সুস্থতা ও মঙ্গল কামনা করে হাফিজ উদ্দিন বলেন, “তিনি মাফিয়া সরকারের আমলে নির্বাচিত হলেও জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের প্রতি সবসময় সমর্থন ও শ্রদ্ধা দেখিয়েছেন।”

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৮ সালের এপ্রিলে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সাহাবুদ্দিন দায়িত্ব নেওয়ার দেড় বছরের মাথায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এরপর সংসদ ভেঙে দেওয়া এবং অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. সাহাবুদ্দিন। ওই সরকারের করা অধ্যাদেশগুলোতেও স্বাক্ষর করতে হয়েছে তাকে।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মো. সাহাবুদ্দিনের অপসারণের দাবি উঠেছিল। ওই সময় তার পদত্যাগের দাবিতে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছিল বিভিন্ন সংগঠন। কিন্তু মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার মো. সাহাবুদ্দিনকে সরাতে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

‘মাফিয়া সরকারের আমলে নির্বাচিত হলেও তিনি নির্বাচিত সরকারের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়েছেন’speaker hafiz

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে রাষ্ট্রপতি বলেছিলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে তিনি পদত্যাগ করতে চান। মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার তাকে ‘অপমান’ করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের একটি বাংলা জাতীয় দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাহাবুদ্দিন বলেন, সরকার চাইলে তিনি দায়িত্বে থাকবেন, না হলে পদত্যাগ করবেন।

গত ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতায় আসার পর বিএনপিও তাকে সরানোর পথে হাঁটেনি। সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট সংসদে নজিরবিহীন ক্ষোভও প্রকাশ করে।

এরইমধ্যে গত কয়েকদিন ধরে গুঞ্জন ওঠে, পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এই গুঞ্জনের মধ্যেই গত পরশু বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির গ্রেপ্তারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনশনে বসে ‘মঞ্চ-২৪’ নামের একটি সংগঠন।

আজ শুক্রবার সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পরপরই বিকেলে ইনকিলাব মঞ্চও তার গ্রেপ্তারের দাবিতে মিছিল করে। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র আবদুল্লাহ জাবের বলেন, “শেখ হাসিনার গুম-খুনকে বৈধতা দিয়েছেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। কিন্তু ৫ আগস্টের পর তাকে অপসারণ করে বিচারের দাবি করা হলেও বিএনপি সরকার তা অগ্রাহ্য করেছে। আমরা চাই একজন গণহত্যার সহায়তাকারী হিসেবে তার বিচার করা হোক। অন্যথায় কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের পর সংবাদ সম্মেলন করেন বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াত আমির শফিকুর রহমান। সেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয়, মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে জুলাই হত্যার জন্য জামায়াতে ইসলামী মামলা করবে কি না। জবাবে শফিকুর রহমান বলেন, “যদি সে রকমের কোনো ক্রেডিবল আলামত পাওয়া যায়, তাহলে কোনো ব্যক্তিই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।”

রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তার করার দাবি উঠছে, তারপরই প্রশ্ন উঠেছে—রাষ্ট্রপ্রধানকে তার কাজের জন্য গ্রেপ্তার করা যায় কি না? আইনে এ বিষয়ে কী বলা আছে?

সাহাবুদ্দিন আইনের ঊর্ধ্বে নন : জামায়াত আমিরjamat amir

দেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধানে রাষ্ট্রপতির কিছু দায়মুক্তি দেওয়া আছে। সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে বলা আছে, রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোনো কাজ করলে বা না করলে সেজন্য তাকে কোনো আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না। এখানে আরও বলা আছে, এই বিধানের ক্ষেত্রে ৫২ অনুচ্ছেদের কোনো ব্যত্যয় ঘটানো যাবে না।

৫২ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিধান আছে। গুরুতর অসদাচরণ এবং সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করা যায়।

সংবিধানের ৫১ (২) অনুচ্ছেদে বলা আছে, রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তার বিরুদ্ধে কোনো আদালতে কোনো প্রকার ফৌজদারি কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাবে না এবং তার গ্রেপ্তার বা কারাবাসের জন্য কোনো আদালত হতে পরোয়ানা জারি করা যাবে না।

তবে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব ছাড়ার পর কোনো অপরাধের জন্য তার কোনো দায়মুক্তি নেই।

সংবিধানে আরও একটি বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে প্রশ্নের বাইরে রাখা হয়েছে। ৪৮ (৩) অনুচ্ছেদে বলা আছে, কেবল প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ছাড়া রাষ্ট্রপতি তার অন্য সব দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবেন। তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোনো পরামর্শ দিয়েছেন কি না এবং কী পরামর্শ দিয়েছেন, কোনো আদালত সেই সম্পর্কে কোনো প্রশ্নের তদন্ত করতে পারবেন না।

বিষয়: রয়টার্সবিএনপিরাষ্ট্রপতিঅন্তর্বর্তী সরকার
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।