Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কেন প্রয়োজন, পাবেন কীভাবে?

আরমান ভূঁইয়া

আরমান ভূঁইয়া

প্রকাশ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১: ৪৭
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কেন প্রয়োজন, পাবেন কীভাবে?

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (পিসিসি)— বিদেশে চাকরি, পড়াশোনা, অভিবাসন কিংবা বিভিন্ন ধরনের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বাধ্যতামূলক নথি। মূলত আবেদনকারীর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অপরাধের রেকর্ড নেই—এই মর্মে বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি প্রত্যয়নপত্রই পিসিসি। বর্তমানে এই সেবার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়, ফলে ঘরে বসেই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কেন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট লাগে

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট একজন নাগরিকের অপরাধমূলক অবস্থান যাচাইয়ের সরকারি দলিল। বিদেশি দূতাবাস, আন্তর্জাতিক নিয়োগকর্তা কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আবেদনকারীর অতীত অপরাধসংক্রান্ত তথ্য নিশ্চিত করতে এই সনদ প্রয়োজন। সাধারণত বিদেশে চাকরি, স্টুডেন্ট ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট, ইমিগ্রেশন বা স্থায়ী বসবাসের (পিআর) আবেদনের ক্ষেত্রে এই সনদ প্রয়োজন হয়। এছাড়া দেশেও কিছু সরকারি ও বেসরকারি চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশন বা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক।

কীভাবে অনলাইনে আবেদন করবেন, ফি কত

Advertisement
Advertisement
Advertisement

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে হবে বাংলাদেশ পুলিশের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে pcc.police.gov.bd। প্রথমে ‘Apply for Police Clearance’ অপশনে গিয়ে নির্ধারিত আবেদন ফরম পূরণ করে নিবন্ধন করতে হবে।

পুলিশের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার কী? কীভাবে কাজ করেbangladesh-police-new-logo

এই সেবার জন্য নির্ধারিত ফি ৫০০ টাকা (ভ্যাটসহ)। ফি সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে অথবা অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করা যায়।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করতে পাসপোর্টের সত্যায়িত কপি (ন্যূনতম ৩ মাস মেয়াদ থাকতে হবে), জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা জন্ম নিবন্ধন সনদ, সদ্য তোলা সত্যায়িত ছবি এবং চালান বা অনলাইন পেমেন্টের কপি আপলোড করতে হবে।

বিদেশে অবস্থানরত আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের কপি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ দূতাবাস বা মিশন কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে।

ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া

অনলাইন আবেদন জমা দেওয়ার পর আবেদনকারীর বর্তমান বা স্থায়ী ঠিকানা অনুযায়ী স্থানীয় থানা থেকে পুলিশ ভেরিফিকেশন করা হয়। এ সময় আবেদনকারীর পরিচয়, ঠিকানা ও অপরাধসংক্রান্ত রেকর্ড যাচাই করা হয়। পাসপোর্টে উল্লেখিত ঠিকানাকেই ভেরিফিকেশনের জন্য প্রাধান্য দেওয়া হয়।

কত দিনে পাওয়া যায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স

সাধারণত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে ৭ থেকে ১৫ কর্মদিবস সময় লাগে। ঢাকাসহ যেকোনো মেট্রোপলিটন এলাকায় গড়ে সাত কর্মদিবস এবং জেলা পর্যায়ে ১০ থেকে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে এই সার্টিফিকেট পাওয়া যায়। তবে কাগজপত্রে কোনো সমস্যা থাকলে বা ভেরিফিকেশনে বিলম্ব হলে সময় কিছুটা বাড়তে পারে। সার্টিফিকেট প্রস্তুতের সময় মূলত সংশ্লিষ্ট থানার ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার গতির ওপর নির্ভর করে।

ভোটে মন নেই কারাবন্দীদের!centrail-jail-speacial

সার্টিফিকেট সংগ্রহ ও শর্ত

ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলে আবেদনকারী অনলাইনে ডিজিটাল কপি ডাউনলোড করতে পারেন। প্রয়োজনে প্রিন্ট কপিও ব্যবহার করা যায়। সাধারণত এই সনদের বৈধতা ৬ মাস পর্যন্ত থাকে। তবে আবেদনকারীর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অপরাধের রেকর্ড থাকলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় না। একইভাবে তথ্য ভুল বা তথ্য অসম্পূর্ণ হলে আবেদন বাতিল হতে পারে। ফলে আবেদন করার সময় ঠিকানা ও ব্যক্তিগত তথ্য নির্ভুলভাবে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে পুলিশ।

এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সদর দপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আমীর খসরু বলেন, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য কোনো ব্যক্তি আবেদন করার পর স্থানীয় থানা-পুলিশ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দূতাবাস থেকে তদন্ত করা হয়। ভেরিফিকেশন শেষে প্রতিবেদন সদর দপ্তরে পাঠানো হলে একদিনের মধ্যেই সার্টিফিকেট অনুমোদন দেওয়া হয়।

ডিসি মো. আমীর খসরু আরও বলেন, পুলিশ ভেরিফিকেশনে বা কাগজপত্রে কোনো সমস্যা থাকলে সেটিও আবেদনকারীকে জানিয়ে দেওয়া হয়, যাতে তারা দ্রুত সমাধান করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের সঠিক তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নির্ভুল আবেদন করার পরামর্শ দেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

কোথায় যোগাযোগ করবেন

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সংক্রান্ত তথ্য বা জটিলতায় যোগাযোগ করা যাবে— পিসিসি পোর্টালে pcc.police.gov.bd, বাংলাদেশ পুলিশ ওয়েবসাইটে www.police.gov.bd। এ ছাড়াও সংশ্লিষ্ট জেলা বা মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরের প্রশাসন বিভাগে।

বিষয়: এনআইডিগোয়েন্দা পুলিশডিএমপিপুলিশঅনলাইন
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।