Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

তৃণমূল থেকে যেভাবে বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১৬: ৪২
তৃণমূল থেকে যেভাবে বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি

তৃণমূলের রাজনীতি থেকে উঠে এসে কঠিন সময়ে বিএনপিকে নেতৃত্ব দেওয়া মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এখন দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ রাষ্ট্রপতি প্রার্থী। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীনের কাছে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল তার মনোনয়নপত্র জমা দেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দলটির মহাসচিবকে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য মনোনীত করা হলো।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এর আগে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রপতির আসনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম চূড়ান্ত করেন। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের শুরুতেই তারেক রহমান এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

ছাত্রজীবনে ছাত্রনেতা, কর্মজীবনে অর্থনীতির শিক্ষক এবং পরবর্তীতে রাজনৈতিক জীবনে পৌরসভার চেয়ারম্যান, সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী ও মন্ত্রী- দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় নানা অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে মির্জা ফখরুল এখন দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হওয়ার দ্বারপ্রান্তে।

৭৮ বছর বয়সী এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এক দীর্ঘ ও বৈচিত্র্যময় পথ অতিক্রম করেছেন, যা নানা রাজনৈতিক দায়িত্ব, সাংগঠনিক নেতৃত্ব এবং চড়াই-উৎরাইয়ে পূর্ণ ছিল। বিএনপিকে দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে দলের ভেতরে একজন সহনশীল ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিক হিসেবে তিনি সর্বজন শ্রদ্ধেয়।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি

প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষা

মির্জা ফখরুলের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়িতে। তার বাবা মির্জা রুহুল আমিন ছিলেন একজন প্রখ্যাত আইনজীবী, যিনি পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি এরশাদ সরকারের আমলেও মন্ত্রী ছিলেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করে মির্জা ফখরুল ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনেই তার রাজনীতিতে হাতেখড়ি। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নে (বামপন্থী) যোগ দেন এবং সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। এছাড়া, তিনি সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হল শাখার নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ছিলেন।

শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি

শিক্ষাজীবন শেষে মির্জা ফখরুল শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেন এবং ঢাকা কলেজে অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি সরকারি চাকরিতে যোগ দিলেও ১৯৮৬ সালে পূর্ণকালীন রাজনীতি করার লক্ষ্যে চাকরি ত্যাগ করেন।

১৯৮৮ সালে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বিজয়ী হওয়ার মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবনে নতুন মোড় নেয়। এর আগে ১৯৭৯ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে তিনি তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী এস এ বারীর একান্ত সচিব হিসেবে কাজ করেছিলেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর মির্জা ফখরুল। ফাইল ছবি
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর মির্জা ফখরুল। ফাইল ছবি

মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) মাধ্যমে জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করলেও পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দেন।

বিএনপিতে উত্থান

নব্বইয়ের দশকের শুরুতে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় ফখরুল বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে তিনি বিএনপির ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর তিনি পর্যায়ক্রমে দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন এবং একপর্যায়ে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পান।

২০১১ সাল থেকে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং ২০১৬ সালে দলের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে ভারমুক্ত হন। এরপর থেকে তিনি একটানা এই পদে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। দলের শীর্ষ নেতৃত্বে আসার আগে তিনি দীর্ঘদিন বিএনপির কৃষক সংগঠন জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের প্রথম সহ-সভাপতি এবং পরবর্তীতে সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

কঠিন সময়ে ভরসার মুখ

মির্জা ফখরুলের এই রাজনৈতিক পথচলা বিশেষ করে ওয়ান-ইলেভেনের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ মেয়াদে বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। ওই সময় বিএনপিকে চরম রাজনৈতিক নিপীড়ন ও সংকটের মুখোমুখি হতে হয়েছিল।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তৎকালীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০১৮ সাল থেকে প্রায় দুই বছর কারাবন্দী ছিলেন এবং পরবর্তীতে অসুস্থতার কারণে রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি

তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২০০৮ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দেশ ছেড়ে লন্ডনে যান এবং সেখান থেকেই দলকে পরিচালনা করছিলেন।

শীর্ষ দুই নেতার অনুপস্থিতিতে দেশে মির্জা ফখরুলই বিএনপির মূল চালিকাশক্তি হয়ে ওঠেন। শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামের অগ্রভাগে ছিলেন তিনি এবং একাধিকবার কারাবরণও করেন। শীর্ষ দুই নেতার অনুপস্থিতিতে তিনি দলকে ধরে রাখতে ও আন্দোলন এগিয়ে নিতে মূখ্য ভূমিকা পালন করেন।

সংসদীয় ও মন্ত্রী জীবনের ক্যারিয়ার

মির্জা ফখরুল ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। খালেদা জিয়ার তৎকালীন সরকারে তিনি প্রথমে কৃষি প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঠাকুরগাঁও-১ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বগুড়া-৬ আসনে জয়লাভ করেন। তবে নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেননি, যা দেশের সংসদীয় ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা ছিল।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বর্তমান সরকারে মির্জা ফখরুল স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। সংসদে তার আসনটি প্রধানমন্ত্রীর আসনের পাশেই অবস্থিত।

ঐক্যের প্রতীক ও নেতৃত্ব

বিএনপির শীর্ষ নেতারা প্রায়শই দলের কঠিন সময়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রাখার ক্ষেত্রে ফখরুলের অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে থাকেন। ছাত্র রাজনীতি, শিক্ষকতা, সরকারি চাকরি, স্থানীয় সরকার, সংসদীয় রাজনীতি, মন্ত্রিত্ব এবং দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দেওয়ার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নিয়েই তিনি আজ বঙ্গভবনের দ্বারপ্রান্তে।

পারিবারিক জীবন

মির্জা ফখরুল ব্যক্তিগত জীবনে রাহাত আরা বেগমের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ। তাদের দুই মেয়ে রয়েছে- মির্জা শামারুহ ও মির্জা সাফারুহ।

তার স্ত্রী একটি বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত। তাদের বড় মেয়ে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে একজন পোস্টডক্টরাল ফেলো হিসেবে কর্মরত এবং ছোট মেয়ে ঢাকার একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে শিক্ষকতা করছেন।

বিষয়: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরতৃণমূলরাজনীতি
সর্বশেষ
  • ১

    ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্ট

  • ২

    খুলনায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

  • ৩

    ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে আগুন, সবশেষ যা জানা গেল

  • ৪

    হানিট্র্যাপে ফেলে শিক্ষককে জিম্মি, গ্রেপ্তার ৪

  • ৫

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।