Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

বাংলাদেশকে নিয়ে তৈরি সৌদির নতুন প্রতিরক্ষা জোট কতটা কার্যকর হবে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮: ২৩
বাংলাদেশকে নিয়ে তৈরি সৌদির নতুন প্রতিরক্ষা জোট কতটা কার্যকর হবে?
সমুদ্রপথের নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশের সঙ্গে জোট গঠন করেছে সৌদি আরব। ছবি: এক্স

বাব আল-মান্দেব প্রণালি, লোহিত সাগর এবং এডেন উপসাগরে জাহাজ চলাচল নিরাপদ করতে একটি যৌথ নৌ-সামরিক জোট গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সৌদি আরবসহ ১৪টি দেশ। ভবিষ্যতে আরও অনেক দেশ এতে যোগ দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বাহরাইন, বাংলাদেশ, কোমোরোস, জিবুতি, মিশর, জর্ডান, কুয়েত, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, সোমালিয়া, সুদান, তুরস্ক এবং ইয়েমেন প্রথম দফায় এই জোটে যোগ দিয়েছে। খবর আল জাজিরার।

গত বৃহস্পতিবার সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মোট ১৫টি দেশ যৌথ ঘোষণাপত্রে সই করেছে। এর মধ্যে ১৩টি দেশ ইতোমধ্যেই পুরোপুরি জোটে যোগ দিয়েছে।

এর আগে ৩০ জুলাই ‘মাল্টিন্যাশনাল মেরিটাইম ডিফেন্স অ্যালায়েন্স’ (বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট) গঠনের কথা জানিয়েছিল সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করাই এই জোটের মূল লক্ষ্য।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

দেশটির মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় জাতীয় প্রক্রিয়া শেষ করে ভবিষ্যতে অন্য দেশও এই জোটে যোগ দিতে পারবে। জোটের নীতি ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে যেসব দেশ একমত হবে, তাদের সবাইকেই স্বাগত জানানো হবে।

গত ১৩ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৫টি দেশ যৌথ বিবৃতিতে সই করলেও ১৩টি দেশ তাদের নিজ নিজ দেশের প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে জোটের সনদে সই করেছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছে।

১৩ আগস্ট সৌদি আরবের জেদ্দায় জোটটির তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং এই বৈঠকের পরপরই এই ঘোষণা আসে।

লোহিত সাগর। ছবি: রয়টার্স
লোহিত সাগর। ছবি: রয়টার্স

সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এর মাধ্যমে জোটটি আনুষ্ঠানিকভাবে তার প্রাতিষ্ঠানিক ও মাঠপর্যায়ের কাজ শুরু করে দিয়েছে। বাকি দেশগুলোও খুব দ্রুত যোগ দিতে আইনি প্রক্রিয়া শেষ করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এই জোট কীভাবে কাজ করবে তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি। তবে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সদস্য দেশগুলো সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যৌথ নৌ অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করবে, কার্যপ্রণালী পরিকল্পনা তৈরি করবে এবং যৌথ নৌ-মহড়া ও অনুশীলন পরিচালনা করবে।

সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তানের যৌথ সামরিক শক্তি কতটা? turkey-saudi

এর আগে জানানো হয়েছিল, সৌদি আরবের রিয়ার অ্যাডমিরাল আবদুল্লাহ বিন সালেম আল-শেহরি এই জোটের কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। তিনি যৌথ নৌ প্রতিরক্ষা তদারকি করবেন, সদস্য রাষ্ট্র এবং অন্যান্য সামুদ্রিক জোটের সঙ্গে সমন্বয় করবেন এবং জোটের সনদ অনুযায়ী মিশনগুলো পরিচালনা করবেন।

এই জোট কতটা গুরুত্বপূর্ণ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সংঘাতে কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি এবং বেসামরিক অবকাঠামো এখন বিপর্যস্ত। এমন পরিস্থিতিতে এই জোটের ঘোষণা এলো।

আল জাজিরা বলেছে, এমন এক সময়ে এ পদক্ষেপ নেওয়া হলো, যখন হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত বাড়ছে। প্রণালিটি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতির ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। কারণ, এ পথ দিয়ে আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস রপ্তানি হতো।

এরপর গত ২০ জুলাই সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সমুদ্রপথে অবরোধ আরোপ করে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। ফলে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় লোহিত সাগর দিয়ে যে তেল পরিবহন করা হচ্ছিল তাও ব্যাহত হয়। এছাড়া ইয়েমেন উপকূলের কাছে বাব এল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে হুতিরা টোল আদায়ের পরিকল্পনাও করছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

লোহিত সাগরের এক পাশে রয়েছে সৌদি আরব ও ইয়েমেন। অন্য পাশে রয়েছে মিসর, সুদান, ইরিত্রিয়া, জিবুতি ও সোমালিয়া। এটি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোর একটি। বিশ্বজুড়ে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের প্রায় ৩০ শতাংশ এই পথ দিয়ে হয়।

এই পথের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো বাব এল-মান্দেব প্রণালি। এটি লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগর ও ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল রপ্তানির জন্য এই পথ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সম্প্রতি বাব আল-মান্দেব, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এলাকায় বারবার হামলাও চালিয়েছে হুতিরা।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইয়েমেন বিষয়ক সিনিয়র অ্যানালিস্ট আহমেদ নাজি আল জাজিরাকে বলেছেন যে, এই নতুন সামুদ্রিক জোটটি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, তবে এর গুরুত্ব নির্ভর করবে বাস্তবে এটি কতটা কার্যকর হয় তার ওপর। তিনি বলেন, “আমরা এর আগেও বেশ কয়েকটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোট দেখেছি। যার মধ্যে এডেন উপসাগরে দস্যুতার সংকটের সময় প্রতিষ্ঠিত জোটগুলোও রয়েছে। যদিও এগুলোর কয়েকটির রাজনৈতিক গুরুত্ব ছিল, তবে তাদের মধ্যে অনেকেই মাঠপর্যায়ে নিজেদের লক্ষ্যগুলোকে বাস্তব ফলে রূপান্তর করতে হিমশিম খেয়েছে।”

লোহিত সাগর বাঁচাতে কেন জোট বানাচ্ছে সৌদি?Red sea

এই বিশ্লেষক আরও বলেন, এই জোটের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এটি তখনই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে, যদি এটি চুক্তি এবং রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতিগুলোকে বাস্তব পদক্ষেপে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়।

এই জোট কী অর্জন করতে চায়?

নাজির মতে, এই জোটের মাধ্যমে সৌদি আরব কেবল হুতিদের প্রতিহত করার চেষ্টাই করছে না। সেই সঙ্গে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলের ওপর হুতিদের আক্রমণকে শুধু সৌদির নিজস্ব সমস্যা হিসেবে না দেখিয়ে একটি বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে।

হুতিরা ২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানার নিয়ন্ত্রণ নেয়। এরপর থেকে তারা সৌদি আরব-সমর্থিত ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে আসছে। বর্তমানে সেই সরকারের প্রধান ঘাঁটি বন্দরনগরী এডেনে।

হুতিদের অভিযোগ, প্রায় ১২ বছর ধরে সৌদি নেতৃত্ব ইয়েমেনের ওপর অন্যায় অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। তারা দেশের সম্পদ লুট করেছে এবং স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথে ইয়েমেনের বন্দর ও বিমানবন্দরগুলো অবরুদ্ধ করে রেখেছে। এরপর থেকে সৌদি আরবের পতাকাবাহী একাধিক জাহাজ এবং তেল স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এতে উত্তেজনা আরও বাড়ে। এরপর থেকে লোহিত সাগরে সৌদি পতাকাবাহী জাহাজ এবং তেল স্থাপনাগুলোতে হামলা চালাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, হুতিরা বাব আল-মান্দেব সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করে দিতে পারে। নাজি বলেন, রিয়াদ মনে করে, হুতিদের চালানো হামলার জবাব দেওয়ার দায়িত্ব কেবল সৌদি আরবের একার হওয়া উচিত নয়। বরং লোহিত সাগরে গোষ্ঠীটি যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে তা মোকাবিলা করার জন্য আরও বড় ধরনের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা থাকা উচিত।

নাজির মতে, জোটটিকে এখনো তার কাছে ‘রক্ষণাত্মক’ বলে মনে হচ্ছে। কারণ হুতিদের বিরুদ্ধে কোনো আক্রমণাত্মক অভিযান শুরু করার উদ্দেশ্য এই জোটের রয়েছে বলে কোনো ইঙ্গিত মেলেনি। তবে তার মানে এই নয় যে হামলা চলতে থাকলে সৌদিরা চুপ করে থাকবে।

নাজির ভাষ্য, সৌদির যদি কখনো মনে হয় যে সরাসরি জবাব দেওয়া দরকার, তখন এই জোট রিয়াদকে আন্তর্জাতিক সমর্থন এনে দেওয়ার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি এই জোটের মাধ্যমে একটি বার্তা দিতে চাইছে যে, হামলা কেবল সৌদির স্বার্থকে লক্ষ্য করে করা হচ্ছে না। এগুলো আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল এবং বিশ্ব বাণিজ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তাই এটিকে বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্যও একটি উদ্বেগের বিষয় হিসেবে দেখা উচিত।

বিষয়: সৌদি আরবমধ্যপ্রাচ্যনৌপথলোহিত সাগরইরানহরমুজ প্রণালিপ্রতিরক্ষা
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।