Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

ইউরোফাইটার টাইফুন কিনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, কতটা শক্তিশালী

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১: ১৫
ইউরোফাইটার টাইফুন কিনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, কতটা শক্তিশালী

ইতালি থেকে অত্যাধুনিক ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান কিনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এরই অংশ হিসেবে ইতালির প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান লিওনার্দো এসপিএর সঙ্গে একটি আগ্রহপত্র সই করেছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, টাইফুন সংগ্রহের এই উদ্যোগ বিমান বাহিনীর সম্মুখ সারির সক্ষমতা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। মাল্টি–রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট হিসেবে এই যুদ্ধবিমান যুক্ত হলে দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী হবে।

ইউরোফাইটারের কর্মকর্তারা বলছেন, এটি বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক সুইং-রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট-অর্থাৎ একই সময়ে আকাশ ও স্থলভাগ উভয় ক্ষেত্রেই আঘাত হানার সক্ষমতা আছে।

বর্তমানে যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি, স্পেন, অস্ট্রিয়া, সৌদি আরব, কুয়েত, ওমান ও কাতারের বিমান বাহিনীর হাতে রয়েছে টাইফুন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ইউরোপের চার দেশ-যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি ও স্পেনের যৌথ কনসোর্টিয়াম এ যুদ্ধবিমান তৈরি করে। প্রকল্পটির পেছনে আছে এয়ারবাস, বিএই সিস্টেমস ও লিওনার্দোর মতো শীর্ষ প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান।

ইউরোফাইটার টাইফুনের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এটি একটি টুইন-ইঞ্জিন, ক্যানার্ড-ডেল্টা উইং মাল্টিরোল ফাইটার। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান একে সম্পূর্ণ সুইং-রোল কমব্যাট প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উল্লেখ করে।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও লিওনার্দো এসপিএ ইতালির মধ্যে এলওআই স্বাক্ষরিত। ছবি: আইএসপিআর
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও লিওনার্দো এসপিএ ইতালির মধ্যে এলওআই স্বাক্ষরিত। ছবি: আইএসপিআর

শত্রু বিমানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে টাইফুনের গতি, সেন্সর, ডগফাইটিং ক্ষমতা এবং উন্নত মিসাইল ও ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।

গাইডেড বোমা, প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল এবং রিয়েল-টাইম ব্যাটেলফিল্ড ডেটা সাপোর্ট এসবের সমন্বয়ে স্থলভাগে আঘাত হানতেও এটি অত্যন্ত কার্যকর।

কেবল আক্রমণ নয়-গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক চিত্র তৈরি করতেও টাইফুন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

যুদ্ধবিমানটির বাইরের আবরণের মাত্র ১৫ শতাংশ ধাতব, ফলে রাডারে ধরা পড়ার সম্ভাবনা কম। একই সঙ্গে এটি সাবসনিক গতিতে অত্যন্ত চটপটে, আর সুপারসনিক গতিতে আক্রমণাত্মক।

কম্পোজিট উপকরণ ব্যবহারের ফলে এয়ারফ্রেম ৩০ শতাংশ পর্যন্ত হালকা, যা রেঞ্জ, পারফরম্যান্স ও স্টেলথ সুবিধা বাড়ায়।

এতে রয়েছে উচ্চমানের ইজে২০০ ইঞ্জিন-যা নির্ভরযোগ্যতা ও টেকসই পারফরম্যান্সের জন্য স্বীকৃত।

যুদ্ধবিমানটি পাঁচ হাজার থেকে সাড়ে সাত হাজার লিটার পর্যন্ত পর্যন্ত জ্বালানি বহন করতে পারে।

এই যুদ্ধবিমান নিকট দূরত্ব থেকে লং রেঞ্জ-সব ধরনের এয়ার-টু-এয়ার এবং এয়ার-টু-সারফেস অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।

যুদ্ধবিমানের পাইলটের জন্য রয়েছে অ্যান্টি–জি ট্রাউজার, প্রেশারড গার্মেন্ট, লিকুইড কুলিং সিস্টেম, এমনকি নিউক্লিয়ার ও কেমিক্যাল সুরক্ষাও।

টাইফুন মূলত চতুর্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান হলেও ধারাবাহিক আধুনিকায়নের কারণে একে অনেক বিশেষজ্ঞ ৪.৫ প্রজন্ম বা ‘উন্নত চতুর্থ প্রজন্ম’ বলে থাকেন।

অত্যাধুনিক ‘ইউরোফাইটার টাইফুন’ যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশeurofighter typhoon

এর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী যুদ্ধবিমানগুলো হলো ফ্রান্সের দাসো রাফাল, সুইডেনের সাব গ্রিপেন ই/এফ, যুক্তরাষ্ট্রের এফ/এ-১৮ সুপার হর্নেট ও এফ-১৬ ব্লক ৭০/৭২।

চলতি বছর যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে ২০টি টাইফুন কিনতে চুক্তি করেছে তুরস্ক, যার মূল্য প্রায় ৫ দশমিক ৪ বিলিয়ন পাউন্ড।

টাইফুন শুধু দ্রুততম নয়, এটি একইসঙ্গে আক্রমণ, নজরদারি, প্রতিরক্ষা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ-সব ক্ষেত্রেই শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে সক্ষম। বাংলাদেশ যদি এই যুদ্ধবিমান বহরে যুক্ত করতে পারে, তাহলে আঞ্চলিক আকাশ প্রতিরক্ষায় সম্পূর্ণ নতুন বাস্তবতা তৈরি হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোফাইটার টাইফুন যেকোনো আধুনিক বিমান বাহিনীর জন্য একটি শক্তিশালী ও সময়োপযোগী ফাইটার জেট। যদি বাংলাদেশ এটি বহরে যুক্ত করতে পারে, তাহলে এটি হবে আকাশ প্রতিরক্ষায় বাংলাদেশেরসক্ষমতা ও নিরাপত্তার এক নতুন অধ্যায়।

বিষয়: যুদ্ধবিমানসৌদি আরববাংলাদেশঅস্ট্রেলিয়াবিমান বাহিনীজার্মানি
সর্বশেষ
  • ১

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

  • ২

    খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

  • ৩

    নির্বাচনের আগে যুদ্ধ থামবে না, তেলের দামও কমবে না: ট্রাম্প

  • ৪

    মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ

  • ৫

    সাংবাদিকদের দমনের উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।