Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

পেসারদের দেশে নাহিদ রানার গতির ঝড়, বাংলাদেশের আক্ষেপ কি ঘুচল?

মাজহারুল ইসলাম

মাজহারুল ইসলাম

প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ০৮
পেসারদের দেশে নাহিদ রানার গতির ঝড়, বাংলাদেশের আক্ষেপ কি ঘুচল?

বাংলাদেশের একজন পেসার পাকিস্তানের মাটিতে গতির ঝড় তুলছেন–কল্পনার রাজ্যেও এমন চিন্তা নিশ্চয় আসবে না। তবে ২০২৬ সালে এসে সেটাই এখন বাস্তব। সেই পেসারের নাম রানা, নাহিদ রানা!

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ইশ, বাংলাদেশে যদি ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনিসের মতো একটা পেসার থাকত… নব্বই দশকে যারা ক্রিকেট দেখে বেড়ে উঠেছেন, এমন আক্ষেপ তাদের জন্য ছিল নিয়মিত ঘটনা। আবার এর আগের প্রজন্মে আক্ষেপের কারণ হয়েছেন ইমরান খান, সরফরাজ নওয়াজরা। বাংলাদেশের ক্রিকেটে একটা গতির ঝড় তোলা পেসারের আক্ষেপ বেড়েছে যুগে যুগে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে হয়ে গেছে পেস বিপ্লব। গতি দিয়ে সেখানে সবচেয়ে উজ্জ্বল তারা হয়ে জ্বলছেন নাহিদ। পাকিস্তান সুপার লিগেও (পিএসএল) তাক লাগিয়ে দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত। পেসারদের দেশে আলোড়ন হচ্ছে এক বাংলাদেশিকে নিয়ে–এর চেয়ে সুন্দর দৃশ্য আর কীইবা হতে পারে।

তবে এই পথটা মোটেও মসৃণ ছিল না। শুরুর দিনগুলো থেকেই বাংলাদেশের বড় এক আক্ষেপ ছিল পেসারের অভাব। আরও স্পষ্ট করে বললে, গতিময় পেসারের শূন্যতা। গোলাম নওশের প্রিন্স, হাসিবুল হোসেন বা শফিউদ্দিন বাবুসহ সেই সময়ের পেসারদের প্রতি সম্মান রেখেই বলতে হয়, স্রেফ গতির কারণেই তাদের বোলিং প্রায়ই হয়ে যেত সাদামাটা। ঘণ্টায় ১২০-১২৫ কিলোমিটার বেগে বাংলাদেশের কেউ বোলিং করলেই তখন ভরসা পেতেন দর্শকরাও।

সেই আক্ষেপ বুকে চেপেই আবার তারা যখন দেখতেন ওয়াসিম, ওয়াকারদের বোলিং, তখন নিজেদের দলেও এমন কাউকে দেখার স্বপ্নটা বেড়ে যেত। তবে ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুই পেসারের কাছাকাছি মানের বোলারও পায়নি বাংলাদেশ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

‘টু ডব্লিউ’ খ্যাত এই দুই পেসারের মধ্যে ওয়াসিম অবশ্য গতির চেয়ে স্কিলের জন্যই বিখ্যাত ছিলেন। আর ওয়াকার ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ছিলেন গতির রাজা। ইউটিউবে গেলেই দেখা যায় তার এমন কিছু স্পেল, যার উত্তর ছিল না ব্যাটসম্যানদের কাছে। এর মূল কারণ স্কিলের পাশাপাশি ওয়াকারের তুখোড় গতি।

সাকিবের ‘ভাগ্য নির্ধারণ’ কবে?shakib

এই দুজনের ক্যারিয়ারের পড়ন্ত বেলায় আবির্ভাব শোয়েব আখতারের। ঘণ্টায় ১৫০-১৫৫ কিলোমিটার বেগে বল করাটাকে নিয়ে যান শিল্পের পর্যায়ে। উপমহাদেশে শোয়েবের বোলিংয়ের প্রভাব এতটাই ছিল যে, নব্বই দশকে পাড়া-মহল্লাতেও কেউ একটু জোরের সঙ্গে বল করলেই সবাই বলে উঠত, “শোয়েব আখতার নাকি!” গতির জাদু এতটাই শক্তিশালী…

সেই সময়েই বাংলাদেশের ক্রিকেটে রাতারাতি তারকা বনে যান একজন তরুণ পেসার। কলার উঁচিয়ে, খ্যাপাটে গতিতে মাশরাফি বিন মোর্তোজাই প্রথম দেখিয়েছিলেন, বাংলাদেশের একজন পেসারও জোরে বল করতে পারেন।

ঠিক এই কারণেই মাশরাফিকে বাংলাদেশের পরবর্তী প্রজন্মের পেসারদের অনেকেই আইডল মানেন। কারণ, স্পিনারদের জন্য পরিচিত একটা দেশে তিনিই কিশোরদের মাঝে গেঁথে দিয়েছিলেন গতির ঝড় তোলার বাসনা। চোট-আঘাতের সঙ্গে নিত্য লড়াইয়ে অবশ্য খুব বেশিদিন মাশরাফি আর থাকতে পারেননি ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ হয়ে। গতির সঙ্গে আপস করে খেলতে হয়েছে ক্যারিয়ারের বাকিটা।

পেস বোলিং কোচ শন টেইটের সঙ্গে নাহিদ রানা। ছবি: ফেসবুক
পেস বোলিং কোচ শন টেইটের সঙ্গে নাহিদ রানা। ছবি: ফেসবুক

তবে তার সমসাময়িকদের মধ্যে তালহা জুবায়ের, শাহাদাত হোসেনরা মাঝে কিছুটা সময় ছিলেন গতিময় বোলিংয়ের বিজ্ঞাপন হয়ে। প্রচুর সম্ভাবনা থাকলেও তালহার ক্যারিয়ার সেভাবে এগোতে পারেনি চোটের প্রভাবে। শাহাদাত অবশ্য কয়েক বছর ছিলেন সেরা ছন্দেই। সেই সময়ে রিকি পন্টিং, কুমার সাঙ্গাকারা, মাহেলা জয়াবর্ধনে, রাহুল দ্রাবিড়, ইনজামাম-উল-হকদের মতো ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষেও তিনি দাপট দেখাতে পেরেছিলেন। কেন? ওই যে, গতি!

শাহাদাতের সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা ছিল গতি। যখনই সেটা কমে গেল, তিনিও ক্রমেই নিজেকে হারিয়ে ফেললেন। এরপর বাংলাদেশ বন্দী হয়ে যায় বাঁহাতি স্পিনারদের জালে। বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ মানেই একাদশে দুই থেকে তিনজন বাঁহাতি স্পিনার। পেসাররা থাকতেন বটে, তবে অধিকাংশ সময়েই সহকারীর ভূমিকায়।

২০১৬ সালে এই চিত্রটা একেবারেই বদলে দেন মুস্তাফিজুর রহমান। অভিষেক সিরিজেই ভারতের বাঘা বাঘা সব ব্যাটারকে নাস্তানাবুদ করে বিশ্ব ক্রিকেটে পাদপ্রদীপের আলোয় চলে আসেন। দশ বছরের ক্যারিয়ারে মুস্তাফিজুর এখন সাদা বলের ক্রিকেটের অন্যতম সেরা পেসার। তবে সেটা গতি দিয়ে নয়, বরং তার স্কিলের অবিশ্বাস্য প্রদর্শনী দিয়েই।

মুস্তাফিজুর তার অন্য দুই ফরম্যাটের ক্যারিয়ার লম্বা করতে শুরু থেকেই টেস্ট ক্রিকেট কম খেলেছেন। আর এখন তো একেবারেই বিরত রয়েছেন লাল বলের ক্রিকেট থেকে। আর তাই দেশের বাইরে ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণে ভালো করার জন্য বাংলাদেশের দরকার ছিল একজন গতিময় পেসার। যিনি রান দেবেন অকাতরে, তবে নিজের দিনে একটা স্পেলেই লণ্ডভণ্ড করে দেবেন প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপ।

তাসকিন আহমেদ অবশ্য শুরুর দিকে নিয়মিতই ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার বেগে বোলিং করতে পারতেন। তবে কয়েকটি চোটের পর তার গতি অনেকটাই কমে গেছে। ২০২৪ সালে পাকিস্তান সফরে তাকে পাশে রেখেই সেই জায়গাটা দখলে নেন নাহিদ। ঘরোয়া ক্রিকেটে খুব বেশি ম্যাচ না খেললেও তাকে যেই দেখতেন, সবাই মুগ্ধ হতেন গতি দেখে। বাংলাদেশের একজন পেসার এত জোরে বোলিং করতে পারেন—সেটা তাদের কাছে ছিল এক ঘোর লাগা অভিজ্ঞতা।

নাহিদ সেই ঘোরটা লাগান এমন এক দেশে, যেখানে অলি-গলিতেই মেলে বিশ্বমানের বোলার। পাকিস্তানকে ঘরের মাটিতে ২-০ তে টেস্ট সিরিজ হারানোর যে অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়ে বাংলাদেশ, তার অন্যতম কাণ্ডারি ছিলেন নাহিদই। বাবর আজমের মতো তারকা ব্যাটসম্যান সেই সিরিজে বারবার খেই হারিয়েছেন তার পেসের কাছে। আউটও হয়েছেন একবার। সেই থেকেই মূলত পাকিস্তানে জনপ্রিয়তা পেয়ে যান নাহিদ।

পেশোয়ার জালমির প্র্যাকটিসে নাহিদ রানা। ছবি: পিএসএল
পেশোয়ার জালমির প্র্যাকটিসে নাহিদ রানা। ছবি: পিএসএল

এমন বোলিংয়ের কারণে তখন থেকেই নাহিদের ‘ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট’ নিয়ে বেশ আলোচনা শুরু হয়। মাশরাফির মতো তাকেও সব ফরম্যাটে সব ম্যাচ খেলিয়ে সর্বনাশের দিকে ঠেলে দেওয়া হোক—এমনটা চাননি কেউই। সোনার ডিম পাড়া হাঁস অতিরিক্ত ব্যবহারের লোভটা এখন পর্যন্ত ভালোই সামাল দিতে পেরেছে বাংলাদেশ। নাহিদকে তাই টানা কয়েকটি টেস্ট বা ওয়ানডে খেলানো হয় না। পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিয়ে সতেজ রাখতেই এই প্রচেষ্টা দলের।

তবে নাহিদের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে অংশ নেওয়ায় বাধা দিচ্ছে না বিসিবি। বিপিএলে খেলছেন নিয়মিত। বিপিএলের শেষ আসরেই নাহিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় ওয়াকারের। নিজে ডেকে বাংলাদেশের তরুণ সেনসেশনকে দিয়েছেন পরামর্শ। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি লাইন ছিল, ‘পেস ইজ পেস ইয়ার।’ নাহিদ যেন গতির সঙ্গে কোনো আপস না করেন, সেই ব্যাপারে বিশেষ তাগিদ দেন পাকিস্তানের সাবেক এই পেসার।

ভারতীয় ক্রিকেটের বিজ্ঞাপন হতে পারবেন সূর্যবংশী?soorya 1

ওয়াকারের কথা রেখে চলেছেন নাহিদ। চলমান পিএসএলে খেলছেন পেশোয়ার জালমির হয়ে। এখন পর্যন্ত খেলেছেন তিন ম্যাচ, উইকেট নিয়েছেন ৫টি। এই পরিসংখ্যান দেখে বলতেই পারেন, এ আর এমন কী! তবে না, এই তিন ম্যাচে নাহিদের গতির আগুনে রীতিমতো কাঁপছে পিএসএল। সেরা বোলিংটা করেন করাচি কিংসের বিপক্ষে। চার ওভারে এক মেডেনসহ মাত্র ৭ রান দিয়ে নেন তিন উইকেট।

এই তিন ম্যাচে নাহিদ বল করেছেন ১০ ওভার। মাত্র ১০.৪০ গড়ে ওভারপ্রতি দিয়েছেন ৫ রানের কিছু বেশি! পিএসএল তাই মেতেছে নাহিদের বোলিংয়ে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে তিনি বাংলাদেশে ফিরবেন বলে দলটির সমর্থকদের মন বেজায় খারাপ। নাহিদ না থাকলে দলটির বোলিংয়ের কী হবে—এটাই তাদের প্রধান দুশ্চিন্তা।

আর এটাই নাহিদ তথা বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। একটা সময়ে পাকিস্তানের পেসারদের দেখে দীর্ঘনিশ্বাস ফেলতেন যারা, তাদের দেশেই আছেন একজন নাহিদ।

অল্প বয়সেই নাহিদ যা অর্জন করেছেন, সেটা আগামীতে তার ওপর প্রত্যাশার চাপ আরও বাড়িয়ে দিতেই পারে। এর জবাবটা তিনি দিতে পারেন কেবল গতির রাজা হয়েই। নাহিদ কি সেই পথে হাঁটবেন?

বিষয়: পাকিস্তানবাংলাদেশবিসিবিওয়ানডে ক্রিকেটপিএসএলপরিসংখ্যাননাহিদ রানাক্রিকেট
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।