চরচা ডেস্ক

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি. ও রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান উইকন প্রোপার্টিস লিমিটেডের মধ্যে হোম লোন সংক্রান্ত একটি অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি গুলশানে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।
চুক্তির আওতায় প্রাইম ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণকারী গ্রাহকরা উইকন প্রোপার্টিস-এর যেকোনো ফ্ল্যাট ক্রয়ে বিশেষ ছাড় ও সুবিধা পাবেন। এতে গ্রাহকদের প্রিমিয়াম রিয়েল এস্টেট প্রকল্পে বিনিয়োগ সহজ হবে এবং নিজস্ব ঠিকানা পাওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নযোগ্য হয়ে উঠবে।
প্রাইম ব্যাংকের পক্ষ থেকে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব ব্রাঞ্চ ডিস্ট্রিবিউশন মামুর আহমেদ। উইকন প্রোপার্টিসের পক্ষ থেকে স্বাক্ষর করেন চিফ বিজনেস অফিসার রেজাউল হক লিমন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জোয়ার্দ্দার তানভীর ফয়সাল, ইভিপি ও হেড অব কার্ডস অ্যান্ড রিটেইল অ্যাসেটস, প্রাইম ব্যাংক; উইকন প্রোপার্টিসের গ্রুপ সিওও মেজর আমিনুল হক এবং এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর দেওয়ান রাশিদুল হাসানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি. ও রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান উইকন প্রোপার্টিস লিমিটেডের মধ্যে হোম লোন সংক্রান্ত একটি অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি গুলশানে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।
চুক্তির আওতায় প্রাইম ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণকারী গ্রাহকরা উইকন প্রোপার্টিস-এর যেকোনো ফ্ল্যাট ক্রয়ে বিশেষ ছাড় ও সুবিধা পাবেন। এতে গ্রাহকদের প্রিমিয়াম রিয়েল এস্টেট প্রকল্পে বিনিয়োগ সহজ হবে এবং নিজস্ব ঠিকানা পাওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নযোগ্য হয়ে উঠবে।
প্রাইম ব্যাংকের পক্ষ থেকে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব ব্রাঞ্চ ডিস্ট্রিবিউশন মামুর আহমেদ। উইকন প্রোপার্টিসের পক্ষ থেকে স্বাক্ষর করেন চিফ বিজনেস অফিসার রেজাউল হক লিমন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জোয়ার্দ্দার তানভীর ফয়সাল, ইভিপি ও হেড অব কার্ডস অ্যান্ড রিটেইল অ্যাসেটস, প্রাইম ব্যাংক; উইকন প্রোপার্টিসের গ্রুপ সিওও মেজর আমিনুল হক এবং এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর দেওয়ান রাশিদুল হাসানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৪০ জন গবেষণা-উত্সাহী শিক্ষার্থী এই কর্মশালায় অংশ নেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনার পর একটি প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিক্ষার্থীরা সরাসরি বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোচনায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ বলছে, দেশের অনেক স্কুলেই এখনো মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কিশোরীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। প্রান্তিক পর্যায়ে স্যানিটারি ন্যাপকিনের সহজলভ্যতা নেই, প্রয়োজনীয় অবকাঠামোও অনেক জায়গায় অপ্রতুল।