চরচা ডেস্ক

ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের ২০২৫ সালের জন্য ৩০ শতাংশ লভ্যাংশের অনুমোদন দিয়েছেন। এর ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ এবং ১৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড আকারে বণ্টিত হবে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।
বৃহস্পতিবার ২০২৬ ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বার্ষিক সাধারণ সভায় ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার যোগ দেন।
ব্যাংকটির চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসানের সভাপতিত্বে এই সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারপারসন ফারুক মঈনউদ্দীন আহমেদ এবং পরিচালকবৃন্দ— সালেক আহমেদ আবুল মাসরুর, আনিতা গাজী রহমান, চৌধুরী এমএকিউ সারওয়ার এবং লীলা রশিদ।
২০২৫ সালে সমন্বিত নিট মুনাফা ৫৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৫১ কোটি টাকায়। সেখানে শুধু ব্র্যাক ব্যাংকের একক (স্ট্যান্ডঅ্যালন) নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৮১ কোটি টাকায়, যা আগের বছরের ১ হাজার ২১৪ কোটি টাকা থেকে ৩০ শতাংশ বেশি।
সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে হয়েছে ৯.১২ টাকা, যা ২০২৪ সালে ছিল ৬.১৮ টাকা। সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১.৫৬ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৩৯.৩৮ টাকা। সমন্বিত ভিত্তিতে শেয়ারপ্রতি নিট ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) বেড়ে হয়েছে ৭২.৭২ টাকা, যা ২০২৪ সালে ছিল ৫৪.১৪ টাকা।
ব্যাংকটির চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসান তার বক্তব্যে সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ব্যাংকের শক্তিশালী আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি ব্যাংকটির অর্জিত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকগুলো তুলে ধরেন; যার মধ্যে ২০২৫ একক বছরে গ্রাহক আমানতে ২৯ শতাংশ এবং ঋণ বিতরণে ১৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের বিষয়টি ছিল অন্যতম। এই অগ্রযাত্রায় অবিরাম সমর্থন ও গভীর আস্থা রাখার জন্য তিনি শেয়ারহোল্ডার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সকল অংশীজনকে কৃতজ্ঞতা জানান। একই সাথে, ২০২৬ সালে ব্র্যাক ব্যাংক সাফল্যের নতুন শিখরে পৌঁছাবে বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের ২০২৫ সালের জন্য ৩০ শতাংশ লভ্যাংশের অনুমোদন দিয়েছেন। এর ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ এবং ১৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড আকারে বণ্টিত হবে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।
বৃহস্পতিবার ২০২৬ ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বার্ষিক সাধারণ সভায় ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার যোগ দেন।
ব্যাংকটির চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসানের সভাপতিত্বে এই সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারপারসন ফারুক মঈনউদ্দীন আহমেদ এবং পরিচালকবৃন্দ— সালেক আহমেদ আবুল মাসরুর, আনিতা গাজী রহমান, চৌধুরী এমএকিউ সারওয়ার এবং লীলা রশিদ।
২০২৫ সালে সমন্বিত নিট মুনাফা ৫৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৫১ কোটি টাকায়। সেখানে শুধু ব্র্যাক ব্যাংকের একক (স্ট্যান্ডঅ্যালন) নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৮১ কোটি টাকায়, যা আগের বছরের ১ হাজার ২১৪ কোটি টাকা থেকে ৩০ শতাংশ বেশি।
সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে হয়েছে ৯.১২ টাকা, যা ২০২৪ সালে ছিল ৬.১৮ টাকা। সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১.৫৬ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৩৯.৩৮ টাকা। সমন্বিত ভিত্তিতে শেয়ারপ্রতি নিট ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) বেড়ে হয়েছে ৭২.৭২ টাকা, যা ২০২৪ সালে ছিল ৫৪.১৪ টাকা।
ব্যাংকটির চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসান তার বক্তব্যে সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ব্যাংকের শক্তিশালী আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি ব্যাংকটির অর্জিত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকগুলো তুলে ধরেন; যার মধ্যে ২০২৫ একক বছরে গ্রাহক আমানতে ২৯ শতাংশ এবং ঋণ বিতরণে ১৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের বিষয়টি ছিল অন্যতম। এই অগ্রযাত্রায় অবিরাম সমর্থন ও গভীর আস্থা রাখার জন্য তিনি শেয়ারহোল্ডার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সকল অংশীজনকে কৃতজ্ঞতা জানান। একই সাথে, ২০২৬ সালে ব্র্যাক ব্যাংক সাফল্যের নতুন শিখরে পৌঁছাবে বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।