Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

টিকটক দর্শক ধরতে মরিয়া হলিউডের মাইক্রোড্রামা নির্মাতারা, কেন?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ৫৪
টিকটক দর্শক ধরতে মরিয়া হলিউডের মাইক্রোড্রামা নির্মাতারা, কেন?
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে একটি মাইক্রোড্রামার শুটিংয়ের দৃশ্য ধারণ করা হচ্ছে। শুটিংয়ের দৃশ্য ক্রু সদস্যরা উল্লম্ব ফ্রেমিংয়ের মনিটরে দেখছেন। ৭ জুলাই ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

হলিউডের ঐতিহ্যবাহী স্টুডিওগুলো যখন দর্শক হারানো, ধর্মঘটের ধাক্কা আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আতঙ্কে টালমাটাল, তখন লস অ্যাঞ্জেলেসে শুরু হয়েছে এক নীরব বিনোদন বিপ্লব। দুবছর আগে ডেথ রো রেকর্ডসের সাবেক সংগীত প্রযোজক ক্রেইগ উইলিয়ামস একটি আসবাবপত্রের গুদামঘর ভাড়া নিয়েছিলেন মিউজিক ভিডিওর শুটিংয়ের জন্য। কিন্তু তার সেই খালি স্থান দ্রুত বদলে যায় ‘মাইক্রোড্রামা’র সুসজ্জিত সেটে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, মোবাইল স্ক্রিনে দেখার উপযোগী ভার্টিক্যালি ধারণ করা ১ থেকে ২ মিনিটের এসব স্বল্পদৈর্ঘ্য নাটক হলিউডের কলাকুশলীদের জন্য নতুন ভরসা হয়ে উঠেছে। আর এই বিশাল বাজারে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে টিকটক।

গবেষণা সংস্থা ওমডিয়ারের হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে এ বছর এই নতুন ফরম্যাট থেকে আয় ১৫০ কোটি ডলার স্পর্শ করতে পারে, যা আগামীতে আরও বাড়বে। অন্যদিকে ঐতিহ্যবাহী টেলিভিশনের বাজার প্রতি বছর প্রায় ১৫০ কোটি ডলার করে সংকুচিত হচ্ছে। চীন থেকে শুরু হওয়া এই ফরম্যাটের জনপ্রিয়তায় বিশ্বব্যাপী এর বাজার প্রায় ১৫ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, হলিউডের মাইক্রোড্রামা স্টুডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে টিকটকের ওপর এত বেশি জোর দিচ্ছে কেন?

মাইক্রোড্রামার প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো সাধারণ পেওয়ালের বাধা ডিঙিয়ে ফ্রিতে ভিডিও দেখা মানুষকে পেইড অ্যাপের সাবস্ক্রিপশনে নিয়ে আসা। আর এখানেই ট্রাম্পকার্ড হিসেবে কাজ করছে টিকটক। ইনস্টাগ্রাম রিলস কিংবা ইউটিউব শর্টসের মতো এটিও এখন মাইক্রোড্রামার জন্য “নতুন ট্রেলার” হিসেবে কাজ করছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

দর্শকেরা টিকটকে কোনো নাটকের প্রথম কয়েকটি টানটান ও ক্লিফহ্যাঙ্গার পর্ব বিনামূল্যে দেখে ফেলেন। গল্পের মোড়ে আটকে গিয়ে সম্পূর্ণ রহস্য উদঘাটনের ব্যাকুলতা থেকে তারা সরাসরি রিলশর্ট বা ক্যান্ডিজারের মতো মূল অ্যাপগুলোতে গিয়ে সাপ্তাহিক সাবস্ক্রিপশন নিতে বাধ্য হন। অভিনেত্রী ও প্রযোজক ইসা রে তার প্রথম মাইক্রোড্রামা থ্রিলার ‘স্ক্রিন টাইম’ টিকটকে প্রকাশ করে মাত্র এক মাসে ৫০ কোটি ভিউ পেয়েছেন। টিকটকের মাধ্যমে কোনো বাড়তি প্রচার খরচ ছাড়াই কোটি কোটি তরুণের কাছে পৌঁছানো এবং তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানা সম্ভব হচ্ছে। বর্তমানে রিলশর্টে দর্শকদের দৈনিক পড়ার সময় নেটফ্লিক্স বা অ্যামাজন প্রাইমকেও পেছনে ফেলে দিয়েছে।

প্রথাগত হলিউড প্রযোজনা যেখানে আকাশছোঁয়া বাজেটে থমকে গেছে, সেখানে মাইক্রোড্রামা এক নতুন বিকল্প এনেছে।

আধ ঘণ্টার একটি সাধারণ সিটকমের একটি পর্ব বানাতেই ২০ থেকে ৪০ লাখ ডলার লাগে। বিপরীতে পুরো ৫০ থেকে ৭৫ পর্বের একটি আস্ত মাইক্রোড্রামা সিরিজ বানাতে খরচ হয় মাত্র ১ থেকে ৩ লাখ ডলার।

এছাড়া জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই খরচ আরও কমিয়ে ৬০ হাজার ডলারে নামিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে।

হলিউডে একমাত্র মাইক্রোড্রামাই এখন প্রতিনিয়ত বড় হচ্ছে। কম খরচে নির্মাণের সুযোগ দেখে এনবিসি ইউনিভার্সাল ও ফক্সের মতো বড় বিনোদন কোম্পানিগুলো স্বাধীন স্টুডিওগুলোর সঙ্গে চুক্তি করছে। সনি বা প্যারামাউন্ট থেকে কম দামে বিক্রি হওয়া পুরোনো সরঞ্জাম কিনে হাসপাতাল, পুলিশ স্টেশন কিংবা আদালতের স্থায়ী সেট বানিয়ে কাজ চালাচ্ছেন উইলিয়ামসের মতো উদ্যোক্তারা।

মহামারি ও ধর্মঘটের পর কাজের অভাবে থাকা অভিনেতা-কলাকুশলীদের জন্য এটি এক নতুন আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। অভিনেতা রবার্ট পামার ওয়াটকিনস যেমন বলেছেন, এই প্ল্যাটফর্ম তাঁর আর্থিক পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। হলিউডে ক্যারিয়ার গড়তে আগে যে বছরের পর বছর বিজ্ঞাপন বা এক্সট্রা হিসেবে কাজের জটিল পথ পার হতে হতো, তা এখন বদলে গেছে। বহু তরুণ লস অ্যাঞ্জেলেসে পা রেখেই মাইক্রোড্রামার মাধ্যমে প্রথম পেশাদার কাজ পাচ্ছেন।

সহজ-সরল গল্প, টানটান উত্তেজনা আর টিকটকের অ্যালগরিদমকে কাজে লাগিয়ে তৈরি এই দ্রুতগতির দুনিয়াই এখন হলিউডের বিনোদন অর্থনীতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করছে।

বিষয়: যুক্তরাষ্ট্রঅভিনেত্রীঅভিনেতাচীনলস অ্যাঞ্জেলসটিকটকশুটিংস্মার্টফোনমোবাইল ফোনপরিচালকচলচ্চিত্রডিজনিমিউজিক ভিডিওহলিউডটেলিভিশন
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড

  • বিশ্বজুড়ে ফিরেছে মূল্যস্ফীতি?

    বিশ্বজুড়ে ফিরেছে মূল্যস্ফীতি?

    ‘সফট ল্যান্ডিং’-এর কথা মনে আছে? আগে বলে নেওয়া দরকার সফট ল্যান্ডিং কী? ‘সফট ল্যান্ডিং’ বলতে বোঝায়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি নিয়ন্ত্রিত ও ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা, যাতে মূল্যস্ফীতি কমে আসে, কিন্তু অর্থনীতিতে মন্দা দেখা না দেয় বা বিপুলসংখ্যক মানুষ চাকরি না হারান।