Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

যন্তর মন্তরের আন্দোলন কি মোদির জন্য ‘অশনিসংকেত’?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৮: ৩৩
যন্তর মন্তরের আন্দোলন কি মোদির জন্য ‘অশনিসংকেত’?

নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার এক যুগ পেরিয়েছে। তার এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এবারই প্রথম নির্ভীক কণ্ঠে, ক্যামেরার সামনে কোনো ভারতীয়কে বলতে শোনা গেছে, ‘মোদিকে পদত্যাগ করতেই হবে’।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কিছুদিন আগ পর্যন্তও হয়তো এমন স্লোগানের কথা কেউ চিন্তা করেনি। তবে এবার ভারতের জেন-জিরা তা বলে দেখিয়েছে।

শিক্ষাখাতে সংস্কার এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে গত একমাস ধরে দেশটিতে আন্দোলন চলেছে।

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা রাজধানীর নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান নেন। তীব্র আন্দোলনের মুখে অবশেষে গতকাল শনিবার পদত্যাগ করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্দোলনের একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগও দাবি করেছেন আন্দোলনকারীরা।

মোদি প্রশ্নফাঁসের মামলাগুলো নিষ্পত্তির জন্য দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন, তবে পুলিশি দমনপীড়নের জন্য সরকার ক্ষমাও চায়নি এবং অতিরিক্ত বল প্রয়োগের অভিযোগে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হবে বলেও কোনো ইঙ্গিত দেননি।

ছবি: রয়টার্স
ছবি: রয়টার্স

অনুসন্ধানী সাংবাদিক বিদ্যা কৃষ্ণান আল জাজিরাকে বলেন, অনশনরত আন্দোলনকারী সোনাম ওয়াংচুককে জোর করে সাফদারজং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াটা ছিল সরকারের ভুল পদক্ষেপ।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর ককরোচ পার্টির স্লোগান ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’general people 28

শিক্ষার্থীদের দাবির সমর্থনে তিনি ২৮ জুন থেকে অনশনে ছিলেন। তাকে জোর করে হাসপাতালে পাঠানোয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বাড়ে।

গত সোমবার আন্দোলনকারীরা দেশটির পার্লামেন্ট অভিমুখে যাত্রার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

কোনো সংগঠনের আনুষ্ঠানিক আহ্বান ছাড়াই সাধারণ মানুষও রাজপথে নামতে শুরু করে এবং পার্লামেন্টের দিকে এগোনোর চেষ্টা করেন।

দিল্লির যন্তর মন্তরে নামে মানুষের ঢল। দিল্লি পুলিশের সতর্কবার্তা, যন্তর মন্তরমুখী ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ, রাস্তায় ব্যারিকেড, ইন্টারনেট বন্ধ এবং সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন–কোনোটিই আন্দোলনকারীদের থামাতে পারেনি।

বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের উপস্থিতি আরও বাড়তে থাকে।

একপর্যায়ে মধ্য নয়াদিল্লিতে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে যায়। রাতভর ভারী বৃষ্টি, টিয়ার গ্যাস, পেলেট গান ও লাঠিচার্জের মধ্যেও শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের স্থান ছাড়েননি।

দমন-পীড়নের মুখেও তারা নিজেদের অবস্থানে অনড় ছিলেন। পার্লামেন্ট অভিমুখে এই পদযাত্রা শেষ হতে হতে অন্তত ২০০ জন আহত হন।

বিদ্যা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস ছুড়ছে।

কোথাও কোথাও নারীদের মারধরের অভিযোগও ওঠে। এসব ঘটনার পর আন্দোলনের প্রতি জনসমর্থন আরও বাড়তে থাকে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোও প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ শুরু করে।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর ককরোচ পার্টির স্লোগান ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’general people 28

এরপর আন্দোলন শুধু দিল্লিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি। পাটনা, মুম্বাই, গোয়াসহ দেশের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। প্রশ্নফাঁসের কারণে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারও আন্দোলনে যোগ দেয়।

২০২১ সালের কৃষক আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেক কৃষকও পাঞ্জাব থেকে খাদ্য, প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে আন্দোলনকারীদের পাশে এসে দাঁড়ান।

বিজেপির সাবেক সমর্থকদেরও আন্দোলনে যোগ দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

বিদ্যার ভাষ্য, যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে, তা পরে সরকারবিরোধী বৃহত্তর গণআন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ভারতের নির্বাচন ও রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ভোট কারচুপি, রাজনৈতিক দরকষাকষি, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, জোর করে দলবদল করানো এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

তাদের মতে, এসব কারণে দেশের গণতন্ত্র নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এমনকি কেউ কেউ বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতি ১৯৭৫-৭৭ সালের জরুরি অবস্থার সময়ের চেয়েও উদ্বেগজনক।

এই সাংবাদিকের অভিযোগ, সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে জবাবদিহির অভাব স্পষ্ট। নিম্নমানের কাশির সিরাপ খেয়ে শিশুদের মৃত্যুর ঘটনায় ওষুধ প্রস্তুতকারকদের দায়ী না করে রাজস্থানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অভিভাবকদের দোষারোপ করেছেন।

রাজনীতি বদলাতে কি দল লাগে?thumbnailbee_TrD4jSbR1Ms_hq

একইভাবে, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমলেও জ্বালানির দাম না কমানোর কথা জানিয়েছেন পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী। আর পেঁয়াজের উচ্চমূল্য নিয়ে প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, তিনি নিজে পেঁয়াজ খান না।

তার মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার জনগণের আস্থা হারিয়েছে। টানা তিন মেয়াদের শাসনে কোভিড-১৯ মহামারি, নোটবাতিল, সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল, মণিপুরের সহিংসতা কিংবা মূল্যস্ফীতির মতো বড় বড় সংকটের দায় সরকার কখনোই স্বীকার করেনি।

বরং প্রতিটি সংকটের সময় সরকার আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও নীতির ওপর চাপ বাড়িয়েছে।

২০১৯ সালে সংসদে নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) পাস হওয়ার পরও ভারতজুড়ে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছিল।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ ছিল, আইনটি নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা ছাড়াই সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে এটি পাস করিয়েছে।

পরে বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ চললেও কোভিড-১৯ মহামারির সময় দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। সে সময় অনেক আন্দোলনকারীকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং প্রতিবাদস্থলগুলোও খালি করে দেওয়া হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান আন্দোলন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকট।

প্রোপাগান্ডা দিয়ে কি ব্যর্থতা ঢাকতে পারবেন মোদি?modi-ai

একইভাবে, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমলেও জ্বালানির দাম না কমানোর কথা জানিয়েছেন পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী। আর পেঁয়াজের উচ্চমূল্য নিয়ে প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, তিনি নিজে পেঁয়াজ খান না।

তার মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার জনগণের আস্থা হারিয়েছে। টানা তিন মেয়াদের শাসনে কোভিড-১৯ মহামারি, নোটবাতিল, সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল, মণিপুরের সহিংসতা কিংবা মূল্যস্ফীতির মতো বড় বড় সংকটের দায় সরকার কখনোই স্বীকার করেনি।

বরং প্রতিটি সংকটের সময় সরকার আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও নীতির ওপর চাপ বাড়িয়েছে।

২০১৯ সালে সংসদে নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) পাস হওয়ার পরও ভারতজুড়ে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছিল।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ ছিল, আইনটি নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা ছাড়াই সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে এটি পাস করিয়েছে।

পরে বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ চললেও কোভিড-১৯ মহামারির সময় দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। সে সময় অনেক আন্দোলনকারীকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং প্রতিবাদস্থলগুলোও খালি করে দেওয়া হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান আন্দোলন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকট।

অবশেষে ভারতে 'ককরোচ জনতা পার্টি'র প্রতিষ্ঠাতাCockroach Janta Party

২০০২ সালে প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকে তিনি কখনো নির্বাচনে হারেননি। ২০০১ সালে তিনি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হন এবং পরে টানা তিন মেয়াদ সেই দায়িত্ব পালন করেন।

এরপর টানা তিন মেয়াদ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে সমালোচকদের অভিযোগ, এই দীর্ঘ সময়জুড়ে তিনি রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার পরিবেশ নিজের অনুকূলে রাখতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করেছেন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তবে মোদি সরকারের দমন-পীড়ননীতি সাম্প্রতিক আন্দোলনকে আরও দৃঢ় করেছে। আন্দোলনে জনসমর্থন বাড়িয়েছে।

বিদ্যা কৃষ্ণানের মতে, এই আন্দোলন শুধু রাজনৈতিক নয়, সামাজিক দিক থেকেও আলাদা।

তার দাবি, গত এক দশকে ভারতের মানুষের মধ্যে যে ঐক্য ও পারস্পরিক বিশ্বাস কমে গিয়েছিল, যন্তর মন্তরের আন্দোলনে তার কিছুটা ফিরে আসতে দেখা যাচ্ছে।

পুলিশের দমন-পীড়নের পরও শিক্ষার্থীরা আবার আন্দোলনস্থলে ফিরে আসেন।

সেখানে তারা জায়গা পরিষ্কার করেন, একে অপরকে সহযোগিতা করেন এবং পুলিশের বিরুদ্ধে সহিংসতার অভিযোগের ভিডিও ও অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করেন।

আবার হাসপাতালে থেকেও সোনাম ওয়াংচুকের অনশন চলতে থাকে।

সোনাম ওয়াংচুক। ছবি: রয়টার্স
সোনাম ওয়াংচুক। ছবি: রয়টার্স

এক মাস আগে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল অল্প কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে, তা দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।

বিভিন্ন রাজ্য থেকে মানুষ এসে তাদের পাশে দাঁড়াতে শুরু করে। আন্দোলনকারীরা পুলিশের বাধা এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ ও সৃজনশীল উপায়ে প্রতিবাদ শুরু করেন।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর ককরোচ পার্টির স্লোগান ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’general people 28

কেউ খাবার ও পানীয় পাঠান, চিকিৎসকেরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে আহতদের চিকিৎসা দিতে শুরু করেন, আবার অনেকে আন্দোলনকারীদের জন্য সচেতনতামূলক ভিডিও, গান ও কবিতা তৈরিও করেন।

শেষপর্যন্ত শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান গতকাল শনিবার মোদির কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। ২০১৪ সালে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ক্ষমতা দখলের পর থেকে নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভার ১২ বছরের দীর্ঘ প্রশাসনিক ইতিহাসে এটি কোনো মন্ত্রীর মধ্যবর্তী সময়ে পদত্যাগের দ্বিতীয় ঘটনা।

ভারতের দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকার সাংবাদিক অনঘা জয়কুমার লিখেছেন যে, ২০১৪ সালে মোদি প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে তার সরকারের নীতি ছিল প্রধানত মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন অথবা নতুন সরকার গঠনের মাধ্যমে মন্ত্রীদের অব্যাহতি দেওয়া, সরাসরি পদত্যাগের অনুমতি দেওয়া নয়।

এর আগে শুধুমাত্র ২০১৮ সালে মি টু আন্দোলনের সময় তৎকালীন পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর যৌন হয়রানির গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে পদত্যাগ করেছিলেন।

বিশ্লেষকদের মতে, মোদি সরকারের গত ১২ বছরের শাসনকালে কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত, প্রশাসনিক ত্রুটি বা তীব্র রাজনৈতিক আন্দোলনের মুখোমুখি হয়ে কোনো মন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনা একটি চরম ব্যতিক্রমী বিষয়।

কেবল নৈতিক বা ব্যক্তিগত আইনি লড়াইয়ের কারণ দেখিয়ে এম জে আকবরের পদত্যাগ ঘটেছিল।

তবে শিক্ষাগত নথিপত্র বা জাতীয় স্তরের পরীক্ষার অনিয়মকে কেন্দ্র করে মধ্যবর্তী সময়ে কোনো প্রথম সারির পূর্ণমন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনা মোদি সরকারের সার্বিক ইতিহাসে প্রথম।

বিদ্যা কৃষ্ণানের ভাষ্য, ২০১৪ সালের পর এই প্রথম পরিস্থিতি এমন হয়েছে, যেখানে আন্দোলনকারীদের নয়, বরং সরকারের দিকেই চাপ ও উদ্বেগ বেশি দেখা যাচ্ছে।

বিষয়: প্রধানমন্ত্রীআন্দোলনসোশ্যাল মিডিয়ানয়াদিল্লিনরেন্দ্র মোদিভারতশিক্ষামন্ত্রী
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড

  • বিশ্বজুড়ে ফিরেছে মূল্যস্ফীতি?

    বিশ্বজুড়ে ফিরেছে মূল্যস্ফীতি?

    ‘সফট ল্যান্ডিং’-এর কথা মনে আছে? আগে বলে নেওয়া দরকার সফট ল্যান্ডিং কী? ‘সফট ল্যান্ডিং’ বলতে বোঝায়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি নিয়ন্ত্রিত ও ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা, যাতে মূল্যস্ফীতি কমে আসে, কিন্তু অর্থনীতিতে মন্দা দেখা না দেয় বা বিপুলসংখ্যক মানুষ চাকরি না হারান।