
ভারত এবার সামরিক কূটনীতিতে নতুন এক অধ্যায় রচনা করতে যাচ্ছে। ‘প্রগতি’; অর্থাৎ, পার্টনারশিপ অব রিজিওনাল আর্মিস ফর গ্রোথ অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন ইন দ্য ইন্ডিয়ান ওশান রিজিয়ন শীর্ষক বহুপক্ষীয় সামরিক মহড়ার মাধ্যমে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশকে একই ছাদের নিচে এনে নয়াদিল্লি একটি স্পষ্ট বার্তা

মজার বিষয় হলো, ঢাকাও অনেকটা একই কৌশল ব্যবহার করছে বলে মনে হচ্ছে। তারা জানে যে, বাংলাদেশে পাকিস্তান ও চীনের প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় নয়াদিল্লির উদ্বেগ বাড়ছে।

নয়াদিল্লি, সেপ্টেম্বর ২০২৩। ঝাড়বাতির নিচে, এক আড়ম্বরপূর্ণ ছাদের নিচে, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা একটি অভিপ্রায় স্মারকে স্বাক্ষর করেন। ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডোরকে (আইএমইসি) দেখানো হয় একটি ‘আধুনিক মসলা পথ’ বা মডা

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গত ২৩ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে বাংলাদেশের সরকার উৎখাতের আহ্বান জানিয়েছেন এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচাল করতে তার দলীয় অনুসারী ও সাধারণ জনগণকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়াতে উসকানি দিয়েছেন।

নয়াদিল্লি, কলকাতাসহ ভারতের বিভিন্ন স্থানে থাকা বাংলাদেশ মিশন নিয়ে উদ্ভূত নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে।

নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের সব ধরনের ভিসা ও কনস্যুলার কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আজ সোমবার দিল্লিতে বাংলাদেশ মিশনের সামনে টাঙানো এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ভবনের গেটের সামনে বিক্ষোভের ঘটনায় বাংলাদেশি গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে বলে দাবি করছে ভারত। আজ রোববার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়।

ভারতের সামনে এখন চ্যালেঞ্জ হলো, এটা প্রমাণ করা যে, এখন থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক এক-দু’জন নেতা এবং রাজনৈতিক দলের ঊর্ধ্বে থাকবে। পুরোনো রাজনৈতিক মিত্রকে রক্ষার চেয়ে তাদের প্রথম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত, রাজনৈতিক পরিবর্তনের বাস্তবতা মেনে নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন একটি সংজ্ঞা নির্ধারণ।

শুক্রবার বাসস জানিয়েছে, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এই আঞ্চলিক ফোরামে অংশ নেওয়ার জন্য খলিলুরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

গবেষকরা বলছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সম্রাট শাহজাহান নির্মিত এই কেল্লাটির সূক্ষ্ম নকশা ও খোদাই করা কাজ নষ্ট হতে পারে।