Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

জলবায়ু অর্থায়ন: কী হওয়ার কথা, বাংলাদেশ কী পাচ্ছে?

রিতু চক্রবর্ত্তী

রিতু চক্রবর্ত্তী

প্রকাশ : ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯: ২৮
জলবায়ু অর্থায়ন: কী হওয়ার কথা, বাংলাদেশ কী পাচ্ছে?

বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সহায়তার জন্য প্যারিস জলবায়ু সম্মেলনে একটি তহবিল গঠনের কথা বলা হয়। এ তহবিল এখন বাস্তব। বাংলাদেশড়সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এ তহবিল থেকে অর্থ সহায়তা পাচ্ছে। কিন্তু এ সহায়তার ধরন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে এর পরিমাণ নিয়েও।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

জলবায়ু তহবিল গঠনের গতি শুরু থেকেই শ্লথ ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত তহবিল গঠনে নেতৃস্থানীয় দেশগুলোর আন্তরিকতার অভাব ছিল। জলবায়ু তহবিল গঠন ও অর্থায়ন সম্পর্কিত যে নীতিমালা, তা বিবেচনায় নিলে একে মোটাদাগে তিনভাগে ভাগ করা যায়–

১. ক্ষয়ক্ষতি ও ক্ষতিপূরণ তহবিল

তিন বছর আগে, কপ ২৭ সম্মেলনে, বিশ্ব নেতৃবৃন্দ প্রথমবারের মতো একটি ক্ষতি ও ক্ষয়ক্ষতি তহবিল প্রতিষ্ঠা করতে সম্মত হন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এই অর্থ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য যে ক্ষতি উন্নয়নশীল দেশগুলোর হয়েছে, তা থেকে পুনরুদ্ধার পেতে সাহায্য করবে। কিন্তু উন্নত দেশগুলো ক্ষতিপূরণের দায়ভার এড়ানোর চেষ্টা করেছে শুরু থেকেই। এ কারণে এই তহবিল প্রতিষ্ঠা করতে কয়েক দশক সময় লেগেছে।

২. প্রশমন

উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারসহ অন্যান্য দূষণকারী কার্যক্রম থেকে সরে আসতে সাহায্য করার লক্ষ্যে এ খাত রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত বেশির ভাগ অর্থ এই খাতেই দেওয়া হয়েছে। অনেক দেশেই কয়লা-চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে, যেগুলোর মেয়াদ এখনো শেষ হয়নি। সৌরবিদ্যুৎ বা এ ধরনের পরিবেশবান্ধব বা টেকসই শক্তির উৎসে রূপান্তরের জন্য এ দেশগুলোর অর্থায়ন প্রয়োজন।

পরিবেশবান্ধব বা টেকসই শক্তির উৎসে রূপান্তরের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থায়ন প্রয়োজন। ছবি: রয়টার্স
পরিবেশবান্ধব বা টেকসই শক্তির উৎসে রূপান্তরের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থায়ন প্রয়োজন। ছবি: রয়টার্স

৩. অভিযোজন

এই অর্থায়ন উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে খারাপ প্রভাবগুলোর জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করে। এর মধ্যে রয়েছে–

● শক্তিশালী বন্যা প্রতিরোধ ব্যবস্থা নির্মাণ

● ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন

● ঝড় প্রতিরোধী ঘর তৈরি

● খরা সহনশীল শস্যবীজ বিতরণ

জলবায়ু তহবিলের আকার কত

২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত কপ ১৫ জলাবায়ু সম্মেলনে বিশ্বের ধনী রাষ্ট্রগুলো একটি চুক্তিতে সম্মত হয়েছিল। সমঝোতা অনুযায়ী, ২০২০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিতে থাকা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদান করবে ধনী দেশগুলো। তবে ২০২০ সালের শেষে মোট সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ ছিল ৮৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার।

অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, নির্ধঅরিত এই লক্ষ্য ২০২২ সালে অর্জন হয়। এই তহবিলের ৮২ শতাংশ আসে সরকারি তহবিল থেকে, বাকিটা বেসরকারি খাত থেকে। এরপর কপ ২৯ সম্মলনে ২০৩৫ সালের মধ্যে তহবিলের আকার ৩০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ হয়।

এই তহবিল কি যথেষ্ট

ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় আসলে কত অর্থের প্রয়োজন, তা নিয়ে ২০১৮ সালে কিছু গবেষণা হয়েছিল। সেই গবেষণায় অনুমান করা হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২৯০ বিলিয়ন থেকে ৫৮০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। যদিও অন্য একটি হিসাবে এই ক্ষতির পরিমাণ ৪০০ বিলিয়ন ডলার ধারণা করা হয়। অর্থাৎ, ক্ষতির পরিমাণ এ দুই অঙ্কের যা–ই হোক না কেন, গঠিত তহবিল তা মোকাবিলায় যথেষ্ট নয়।

বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টানলে বিষয়টি আরেকটু স্পষ্ট হতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা অন্যতম দেশ হওয়ায় জলবায়ু অর্থায়নের ন্যায্য দাবিদার বাংলাদেশ। কিন্তু ডেটা বলছে ভিন্ন কথা।

গোটা বিশ্বে বাংলাদেশের মতো আরও অনেক দেশ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতির সম্মুখীন। ছবি: রয়টার্স
গোটা বিশ্বে বাংলাদেশের মতো আরও অনেক দেশ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতির সম্মুখীন। ছবি: রয়টার্স

বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট পলিসি সেন্টারের গবেষণা প্রতিবেদনে বাংলাদেশের শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে হওয়া ক্ষতির যে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তা বিবেচনায় নিলেই এই অর্থায়নকে অপ্রতুল মনে হতে বাধ্য। তারা বলছে, শুধু ঝড় ও বন্যার পুনঃপুনঃ আঘাতের কারণেই দেশে যে পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়, তা এমনকি ৩২০ কোটি ডলারের সমান। অথচ গোটা বিশ্বে বাংলাদেশের মতো আরও অনেক দেশ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতির সম্মুখীন। ফলে বিদ্যমান তহবিল দিয়ে এসব দেশের সম্মিলিত ক্ষতির কতটা পূরণ সম্ভব, সে প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই আসে।

এদিকে এই ক্ষতি ক্রমশ বাড়ছে। ঢাকাভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাংক চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ প্রকাশিত প্রথম জলবায়ু ঋণ ঝুঁকি সূচক (ক্লাইমেট ডেট রিস্ক ইনডেক্স ২০২৫) অনুযায়ী, ঋণঝুঁকি বিবেচনায় বাংলাদেশ ১০০ পয়েন্টের মধ্যে পেয়েছে ৬৫ দশমিক ৩৭, যা তাকে “উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ” বিভাগে ফেলেছে। সংস্থাটি বলছে, চলতি ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩১ সালের মধ্যে এই স্কোর আরও বেড়ে ৬৫ দশমিক ৬৩-এ পৌঁছাতে পারে।

এই প্রেক্ষাপটে আগেই বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশ জলবায়ু তহবিল থেকে যে অর্থায়ন পাচ্ছে, তা অনুদানের বদলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ঋণ হিসেবে আসছে। সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাংলাদেশ ও অ্যাঙ্গোলায় হওয়া জলবায়ু অর্থায়নের ৯৫ শতাংশই হয় ঋণ হিসেবে।

একদিকে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতি, অন্যদিকে অপ্রতুল অর্থায়ন এবং তার সঙ্গে অর্থায়নের নামে ঋণের বোঝা চাপানো হচ্ছে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর কাঁধে। এতে বাংলাদেশের নাগরিকদের ওপর আর্থিক চাপ স্পষ্টতই বৈষম্যমূলক হয়ে উঠছে। গবেষণা অনুযায়ী, ২০০২ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত জলবায়ু সম্পর্কিত ঋণ গ্রহণের ফলে দেশে মাথাপিছু ঋণের বোঝা দাঁড়িয়েছে ৭৯.৬১ ডলার। আর এটা স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) গড় মাথাপিছু ঋণের (২৩.১২ ডলার) তুলনায় প্রায় ৩.৫ গুণ বেশি।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে বাড়ছে নদী ভাঙন। ছবি: রয়টার্স
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে বাড়ছে নদী ভাঙন। ছবি: রয়টার্স

এই অত্যধিক ঋণের বোঝা নিয়েই বাংলাদেশের ৯ কোটি মানুষ উচ্চমাত্রার ঝুঁকিপ্রবণ এলাকায় বাস করছে। উচ্চঝুঁকির এলাকায় বসবাসের এ তথ্য জানাচ্ছে, আমেরিকাভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা দ্য ক্লাইমেট রিয়েলিটি প্রোজেক্ট। তার মানে দাঁড়ায়, বাংলাদেশ কপ ৩০ জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নিয়েছে মাথায় এ জলবায়ু ঋণের বোঝা নিয়ে। কিন্তু অর্থায়নের নামে এ ঋণ কেন?

এ বিষয়ে অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশনের ব্যবস্থাপক আবুল কালাম আজাদ চরচাকে বলেন, “এটা খুবই জটিল প্রক্রিয়া। তাছাড়া এই তহবিলের পুরোটাই যে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়া হবে, এটাও নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। এই তহবিল আসলে নানাভাবেই মোবিলাইজ করা হয়-ঋণ হিসেবে বা গ্রাণ্ট হিসেবে।”

তবে এবারের সম্মেলনে এ ঋণের বিরোধিতা করেছে বাংলাদেশসহ এলডিসিভুক্ত দেশগুলো। আবুল কালাম আজাদ বলেন, “এবারের কপ ৩০ সম্মেলনে সবাই এই ঋণের বিরোধিতাই করেছে এবং এই অর্থ গ্রাণ্ট হিসেবে পাওয়ার কথাই বলেছে। উপনিবেশিক কায়দায় তাদের থেকে আমাদের ঋণ নেওয়ার কিছু নেই। কারণ, এর মাধ্যমে উন্নত বিশ্ব আমাদের ওপর কোনো দয়া করছে না, বরং এই ক্ষতিপূরণ আমাদের প্র্যাপ্য।”

বিষয়: বাংলাদেশজলবায়ু পরিবর্তনজলবায়ুকপ ৩০প্রাকৃতিক দুর্যোগ
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড