Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ
বিবিসির বিশ্লেষণ

কমদামি ড্রোন দিয়ে কীভাবে মধ্যপ্রাচ্য কাঁপাচ্ছে ইরান?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৬, ১৩: ২৪
কমদামি ড্রোন দিয়ে কীভাবে মধ্যপ্রাচ্য কাঁপাচ্ছে ইরান?

গত শনিবার ইরানে হামলা শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র শিল্পকে ‘সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হবে’। তবে সে সময় তিনি ইরানের ড্রোন সক্ষমতার কথা উল্লেখ করেননি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

হামলা শুরুর সপ্তম দিনে দেখা যাচ্ছে, ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে দুই হাজারের বেশি স্বল্পমূল্যের ড্রোন হামলা চালিয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এর উদ্দেশ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে দেওয়া এবং পুরো অঞ্চলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা।

এই ‘কামিকাজে’ ধরনের শাহেদ ড্রোন বিস্ফোরক বহন করে এবং লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার সঙ্গে সঙ্গেই বিস্ফোরিত হয়, ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। এ পর্যন্ত মার্কিন বাহিনীর ওপর সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাটি হয়েছে কুয়েতে একটি সামরিক ঘাঁটিতে। সেখানে ইরানের ড্রোন হামলার ঘটনায় ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হন।

জনবহুল শহরেও কিছু হামলা হয়েছে। এসব হামলা উপসাগরীয় দেশগুলোর জনগণ ও সরকার উভয়ের মধ্যেই আতঙ্ক তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ মনে করছেন, দ্রুত সংঘাতের অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং ভীতি ছড়ানোই ইরানের কৌশলের অংশ হতে পারে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিবিসির যাচাই করা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি ইরানি ড্রোন দ্রুতগতিতে নিচে নেমে বাহরাইনের রাজধানী মানামায় অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরের একটি রাডার স্থাপনায় আঘাত হানে। এতে ধ্বংসাবশেষ চারদিকে ছিটকে পড়ে এবং স্থাপনাটি ধসে পড়ে।

আরেকটি ভিডিওতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের বিলাসবহুল কৃত্রিম দ্বীপ পাম জুমেইরাহের একটি হোটেলে ড্রোন আঘাত হানতে দেখা যায়। আঘাতের পর সেখানে বড় ধরনের আগুনের গোলা তৈরি হয় এবং বিস্ফোরণের শব্দ পুরো এলাকায় প্রতিধ্বনিত হয়।

Arab Emirates
কাতারে একটি স্থাপনায় হামলার পর ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। ছবি: রয়টার্স

এ অঞ্চলের জ্বালানি খাতেও ড্রোন হামলার প্রভাব পড়েছে। সৌদি আরবের উপসাগর উপকূলে অবস্থিত বৃহত্তম তেল শোধনাগার রাস তানুরায় একটি ড্রোন ভূপাতিত করার সময় ধ্বংসাবশেষ থেকে আগুন লাগলে উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়।

কাতারেও বিশ্বের বৃহত্তম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানি টার্মিনাল লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হলে সেটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সরল নকশা ও কম খরচের ড্রোন

সরল নকশা ও তুলনামূলক কম খরচে তৈরি হলেও ইরানের এসব ড্রোন মধ্যপ্রাচ্যে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি ঘটাচ্ছে। ইরানে তৈরি দীর্ঘপাল্লার শাহেদ ১৩৫ ড্রোনের প্রতিটির দাম আনুমানিক ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলারের মধ্যে বলে ধারণা করা হয়।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে ধারণ করা স্মার্টফোন ভিডিওতে এই ড্রোনের বিভিন্নরকম শব্দও শোনা গেছে। অনেক বাণিজ্যিক ড্রোনের মতো এগুলো আকাশে ওঠার পর দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। উৎক্ষেপণের আগে স্যাটেলাইট নেভিগেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু ও রুট প্রোগ্রাম করে দেওয়া হয়। সর্বোচ্চ প্রায় আড়াই হাজার কিলোমিটার পাল্লার এই ড্রোন তেহরান থেকে গ্রিসের এথেন্স পর্যন্ত উড়ে যেতে সক্ষম।

গতির দিক থেকে খুব বেশি দ্রুত না হলেও বিশেষ করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় এই ড্রোনগুলোর সরু গঠন এবং নিচু উচ্চতায় উড়তে পারার ক্ষমতার কারণে এগুলোকে রাডার ও ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তের আগাম সতর্কতা ব্যবস্থায় ধরা কঠিন হয়ে পড়ে।

শাহেদ ড্রোন ইতোমধ্যেই ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছে রাশিয়া। সেখানে ঘনবসতিপূর্ণ শহর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে এসব ড্রোন বড় ধরনের ক্ষতি করেছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরান তার মিত্র রাশিয়ার কাছে এই ড্রোন সরবরাহ করেছে এবং এখন রাশিয়াও ইরানি নকশার ভিত্তিতে নিজস্ব সংস্করণ তৈরি করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মেরিন কর্মকর্তা ও সিআইএর প্যারামিলিটারি অফিসার এবং মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সাবেক উপসহকারী প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিকমুলরয় বিবিসিকে বলেন, অতীতের বিভিন্ন সংঘাতে এই ড্রোনগুলো ‘খুবই কার্যকর’ প্রমাণিত হয়েছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রও এর অনুরূপ একটি ড্রোন তৈরি করেছে। লুকাস ড্রোন (লো-কস্ট আনক্রুড কমব্যাট অ্যাটাক সিস্টেম) নামে পরিচিত সেই মার্কিন ড্রোনটি গত কয়েক দিনে প্রথমবারের মতো যুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর প্রধান ব্র্যাড কুপার বলেন, ইরানের নকশা থেকে ধারণা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সেটিকে আরও উন্নত করেছে এবং সেগুলোই আবার ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে।

সংঘাত শুরুর পর থেকে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে এক হাজারের বেশি ড্রোন ছুড়েছে বলে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৭১টি ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে পেরেছে। তবে প্রতিটি ড্রোন ভূপাতিত করতে বড় অঙ্কের খরচ হচ্ছে।

এই ড্রোন ভূপাতিত করার জন্য জিপিএস জ্যামিং যন্ত্র বা লেজার অস্ত্র ব্যবহার করা সম্ভব হলেও বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র বা ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার সাহায্যে এগুলো ধ্বংস করা হচ্ছে।

২০২৪ সালে ইরান যখন শত শত ড্রোন দিয়ে ইসরায়েলে হামলা চালায়, তখন রয়্যাল এয়ার ফোর্সের যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে কিছু ড্রোন ভূপাতিত করেছিল যুক্তরাজ্য। সে সময় ব্যবহৃত প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্রের দাম প্রায় দুই লাখ পাউন্ড বলে ধারণা করা হয়।

আমেরিকান এন্টারপ্রাইস ইনস্টিটিউটের ইরানবিষয়ক বিশেষজ্ঞ নিকোলাস কার্ল বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে ফেলার লক্ষ্যও ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের কৌশলের অংশ হতে পারে। তবে তিনি বলেন, ইরান একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর ‘ভীতি ও মানসিক চাপ’ তৈরি করারও চেষ্টা করছে, যাতে ট্রাম্পকে যুদ্ধবিরতির আলোচনায় বাধ্য করা যায়।

iran-war
ছবি: রয়টার্স

ইরান কতদিন এ চাপ ধরে রাখতে পারবে তা স্পষ্ট নয়। যুদ্ধের আগে দেশটি হাজার হাজার শাহেদ ড্রোন উৎপাদন করেছিল বলে ধারণা করা হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের টানা হামলায় সেই মজুতের কতটা অবশিষ্ট আছে তা জানা যায়নি।

গত সোমবার ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত একটি ভিডিওতে ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারের মতো স্থানে সারিবদ্ধ ড্রোন দেখা গেছে। তবে ভিডিওটি কবে ধারণ করা হয়েছে তা নিশ্চিত নয়।

এরপর বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল ড্যান কেইন জানান, যুদ্ধের প্রথম দিনের তুলনায় ইরানের ড্রোন উৎক্ষেপণ ৭৩ শতাংশ কমে গেছে এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার কমেছে ৮৬ শতাংশ।

নিকোলাস কার্ল বলেন, “ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাওয়া এখন ইরানের জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক চাপ অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতে তা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।”

বিষয়: শনাক্তইরানইরান-ইসরায়েল সংঘাতড্রোনমধ্যপ্রাচ্যক্ষেপণাস্ত্রযুক্তরাষ্ট্রইসরায়েলরাডার
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড