Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপদেশগুলোতে বিভাজন কেন আরও গভীর হচ্ছে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১৫: ২৭
প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপদেশগুলোতে বিভাজন কেন আরও গভীর হচ্ছে?
ফিজির সুভায় প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ ফোরামের সদর দপ্তর। ছবি: রয়টার্স

গত মাসে চীনের পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম একটি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা প্রশান্ত মহাসাগরীয় নেতাদের ‘শান্তির মহাসাগর’ হিসেবে অঞ্চলটিকে গড়ে তোলার আকাঙ্ক্ষার সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট করে দিয়েছে। বড় শক্তিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাল্টাপাল্টি সংঘাত থেকে মুক্ত রাখার লক্ষ্য থাকলেও বাস্তবে তা কঠিন হয়ে উঠছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, ফিজি ও অস্ট্রেলিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করার কয়েক ঘণ্টা পরই প্রশান্ত মহাসাগরে ক্ষেপণাস্ত্রটি পরীক্ষা করা হয়। ওই চুক্তির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কোনো দেশের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক জোটে যুক্ত হয় ফিজি।

পরীক্ষার এক মাসেরও বেশি সময় পর প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপদেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বেইজিংয়ের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার নিন্দা করে কোনো যৌথ বিবৃতিতে একমত হতে পারেননি। যদিও অঞ্চলটির সামরিকায়ন নিয়ে বিভিন্ন দেশের নেতারা প্রকাশ্যে ও ব্যক্তিগতভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গত সপ্তাহে সুভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে রয়টার্সকে পাপুয়া নিউগিনির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাস্টিন টকাচেঙ্কো বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা সম্পূর্ণ বেমানান ছিল। তিনি বলেন, “চীন পাপুয়া নিউগিনির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও মিত্র। কিন্তু আমরা মনে করি, এটি কোনোভাবেই সহায়ক নয়।” তিনি আরও জানান, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয়ে বেইজিং পাপুয়া নিউগিনিকে আগাম জানিয়েছিল, তবে ক্ষেপণাস্ত্রটি কোথায় গিয়ে পড়বে সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি।

উৎক্ষেপণের সময় চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেছিলেন, পরীক্ষাটি নিরাপদভাবে পরিচালিত হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট দেশগুলো বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত করে দেখবে না।”প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এক বছর ধরে আরও দৃশ্যমান সামরিক তৎপরতার পর এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা হলো। প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে অঞ্চলটি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

প্রশান্ত মহাসাগরে ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল চীন, উদ্বেগ জাপান-অস্ট্রেলিয়ারChina’s national flag–REUTERS

এর মধ্যে রয়েছে চীনা নৌবাহিনীর মোতায়েন ও তাসমান সাগরে গোলাবর্ষণ মহড়া, গুয়াম ও হাওয়াইয়ের আশপাশে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের সামরিক মহড়া এবং সম্প্রসারিত নিরাপত্তা অংশীদারত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যুদ্ধজাহাজের নিয়মিত সফর।

এদিকে হাওয়াই, গুয়াম ও মার্শাল দ্বীপপুঞ্জসহ পুরো অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের এখনো উল্লেখযোগ্য সামরিক উপস্থিতি রয়েছে।

তুভালুর স্থায়ী পররাষ্ট্রসচিব পাসুনা তুয়াগা ব্যক্তিগত সক্ষমতায় কথা বলতে গিয়ে ক্রমবর্ধমান সামরিকায়ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার উদ্বেগের কারণ শুধু ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নয়, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নিরাপত্তা অংশীদারত্ব ‘অকাস’-এর মতো ব্যবস্থাও।

ঐক্যবদ্ধ, কিন্তু বিভক্ত

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে প্রশান্ত মহাসাগরীয় নেতারা ‘ওশান অব পিস ডিক্লারেশন’ বা ‘শান্তির মহাসাগর ঘোষণা’ অনুমোদন করেন। এতে অঞ্চলটির সুরক্ষা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার, শান্তিতে জনগণের অধিকার স্বীকার এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তায় অবদান রাখা ও তা শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্যাসিফিক সিকিউরিটি কলেজের ডেভিড পিবলস বলেন, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে বাইরের শক্তিগুলো এবং তাদের পরস্পরবিরোধী ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের মাধ্যমে শান্তি ও নিরাপত্তার সংজ্ঞা নির্ধারণের বিরোধিতা করে আসছে। তার মতে, ‘শান্তির মহাসাগর’ উদ্যোগটি ছিল সেই এজেন্ডার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে ফিরিয়ে নেওয়ার একটি প্রচেষ্টা।

এই আঞ্চলিক ঘোষণার অনুপ্রেরণায় গত মাসে অস্ট্রেলিয়া ও ফিজির মধ্যে ‘ওশান অব পিস অ্যালায়েন্স’ নামে প্রতিরক্ষা চুক্তি সই হয়।

আঞ্চলিক নিরাপত্তা চুক্তির সংখ্যা বাড়তে থাকায় প্রশান্ত মহাসাগরে সামরিকায়ন আরও বাড়তে পারে—এমন উদ্বেগ নিয়ে মন্তব্যের অনুরোধে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিভাগ তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।

অনেক সরকারের কাছে নিরাপত্তা অংশীদারত্বের সুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে অবৈধ মাছ ধরা শনাক্তকরণে নজরদারি, দুর্যোগ মোকাবিলা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা এবং সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে সমালোচকদের আশঙ্কা, দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তির বিস্তার ঘটলে নিজেদের ভূখণ্ড, জলসীমা ও অবকাঠামো কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর মতামত দেওয়ার সুযোগ কমে যেতে পারে।

প্রশান্ত মহাসাগরে ‘মাদকবাহী’ নৌযানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, নিহত ৮US

সুভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করা সলোমন দ্বীপপুঞ্জের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিক হোয়েনিপুয়েলা বলেন, “এই অঞ্চলের এজেন্ডা অবশ্যই প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলো কর্তৃক নির্ধারিত, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলো কর্তৃক পরিচালিত এবং শুধু প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর মাধ্যমেই পরিচালিত হতে হবে।”

তবে এক দিনের বৈঠক শেষে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার বিষয়ে কোনো অভিন্ন বিবৃতি দেওয়া সম্ভব হয়নি।

২০১৯ ও ২০২৪ সালে যথাক্রমে তাইওয়ানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা কিরিবাতি ও নাউরু বিবৃতির ভাষায় সম্মতি দেয়নি বলে আলোচনার সঙ্গে পরিচিত এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করে ঐকমত্যে পৌঁছাতে ব্যর্থতার জন্য বিদেশি প্রভাবকে দায়ী করেছেন।

এই অচলাবস্থা ছোট দ্বীপদেশগুলোর সামনে থাকা মূল চ্যালেঞ্জটি তুলে ধরেছে—অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও নিরাপত্তার স্বার্থে এসব দেশের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে।

উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে, যেখানে কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি রয়েছে, কিছু সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরও গভীর নিরাপত্তা সহযোগিতা চায়। অন্যরা আবার এ বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

ফিজির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাকিয়াসি দিতোকা বলেন, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলো একটি অনিবার্য টানাপোড়েনের মুখে রয়েছে। তিনি বলেন, “দেশগুলো এসব যুদ্ধের সরঞ্জাম থেকে মুক্ত থাকতে চায়। তবে একই সঙ্গে তারা স্বীকার করে, কিছু নিরাপত্তা সক্ষমতা তাদের নিরাপদ রাখতে সহায়তা করে।”

গত মাসে প্রথমবারের মতো প্রশান্ত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ‘রিমপ্যাক’ নামে পরিচিত সামরিক মহড়ায় অংশ নেয় ফিজি।

তিন সপ্তাহ পর পালাউতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ ফোরামের নেতাদের বৈঠক হবে। সেখানে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা এবং আঞ্চলিক ঐক্যের বিষয়টি আবারও আলোচনার এজেন্ডায় আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়: যুক্তরাষ্ট্রচীনপরীক্ষাঅস্ট্রেলিয়ানিউজিল্যান্ডক্ষেপণাস্ত্রপাপুয়া নিউগিনিপ্রশান্ত মহাসাগরব্রিটেন
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড

  • বিশ্বজুড়ে ফিরেছে মূল্যস্ফীতি?

    বিশ্বজুড়ে ফিরেছে মূল্যস্ফীতি?

    ‘সফট ল্যান্ডিং’-এর কথা মনে আছে? আগে বলে নেওয়া দরকার সফট ল্যান্ডিং কী? ‘সফট ল্যান্ডিং’ বলতে বোঝায়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি নিয়ন্ত্রিত ও ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা, যাতে মূল্যস্ফীতি কমে আসে, কিন্তু অর্থনীতিতে মন্দা দেখা না দেয় বা বিপুলসংখ্যক মানুষ চাকরি না হারান।