Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ শেষ, এখন কী হবে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১১: ৪৬
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ শেষ, এখন কী হবে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটির (এমওইউ) মেয়াদ গতকাল সোমবার শেষ হয়েছে। ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটির (এমওইউ) মেয়াদ গতকাল সোমবার শেষ হয়েছে। তবে বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে একে অন্যের বিরুদ্ধে সমঝোতা চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলার পর, দুই পক্ষের কেউই এখন এই চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

শনিবার টেলিগ্রামে এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় আলোচনা শুরু করার বিষয়ে আমরা এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি।”

এদিকে, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের সাথে বার্তা আদান-প্রদান চালিয়ে যাচ্ছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরাঘচি আরও জানান, হরমুজ প্রণালিতে নতুন নৌপথ নির্ধারণের লক্ষ্যে ওমানের সঙ্গে একটি আলাদা চুক্তি নিয়ে কাজ করছে ইরান। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, একটি রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হলেই কেবল চুক্তিটি করা সম্ভব।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার নিউইয়র্কে তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র শিগগিরই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেবে।

এই পরিস্থিতির মধ্যে এখন প্রশ্ন উঠছে, সমঝোতা স্মারক যেহেতু শেষ, এখন পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে? এ সম্পর্কে জানার আগে বর্তমান ভূরাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারকটির আদ্যোপান্ত জেনে নেওয়া যাক—

সমঝোতা স্মারকটি কী?

পাকিস্তান আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের আলোচনার পর গত ১৭ জুন ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটানো। ততদিনে যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং বৈশ্বিক নির্ভরতার অন্যতম কেন্দ্র উপসাগরীয় অঞ্চলের বাণিজ্যিক চলাচল—বিশেষ করে জ্বালানি তেল ও গ্যাস রপ্তানি গুরুতরভাবে ব্যাহত হয়।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো জটিল বিষয়গুলোকে পরবর্তীতে সমাধানের জন্য স্থগিত রেখে, চুক্তিটিতে কেবল তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধ থামানোর তাৎক্ষণিক কূটনৈতিক পথই খোঁজা হয়নি, বরং লেবাননে ইসরায়েলের হামলা বন্ধেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

চুক্তিতে বলা হয়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান অবিলম্বে ও স্থায়ীভাবে বন্ধের ঘোষণা দিচ্ছে এবং একটি চূড়ান্ত চুক্তির মাধ্যমে সব ফ্রন্টে যুদ্ধের স্থায়ী অবসান নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়া এই চূড়ান্ত চুক্তিটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত হবে এবং সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে, যা উভয় পক্ষের পারস্পরিক সম্মতিক্রমে বৃদ্ধি করা যেতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ‘খুব ভালো আলোচনা’ চলছে, বললেন ট্রাম্পDonald Trump– July 31, 2026-Reuters

সমঝোতা স্মারকের মূল শর্তাবলী

চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের পর ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়ার, ইরানের নিকটবর্তী এলাকা থেকে সৈন্য সরিয়ে নেওয়ার এবং ইরানের জন্য অন্তত ৩০ হাজার কোটি ডলারের পুনর্নির্মাণ ও উন্নয়ন সহায়তা প্যাকেজ বাস্তবায়নে কাজ শুরু করার কথা ছিল। এছাড়া, ইরানের ওপর থেকে ওয়াশিংটনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ইরানি তেল রপ্তানিতে ছাড় দেওয়া এবং তেহরানের জব্দকৃত অর্থ ফেরতের সুযোগ দিতে সম্মত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

অন্যদিকে, ইরান হরমুজ প্রণালিতে বসানো মাইন অপসারণ করতে এবং ৬০ দিনের জন্য হরমুজ প্রণালিতে কোনো প্রকার ‘ফি’ ছাড়াই জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল।

তেহরান আরও বলেছিল যে, তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং পারমাণবিক ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মতো বিষয়গুলোতে আলোচনায় বসবে; যার বিস্তারিত ধারা জাতিসংঘের অনুমোদিত একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করার কথা ছিল।

শুরু থেকে চুক্তিটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নিজস্ব বিবরণ ও ভাষ্যে কিছুটা পার্থক্য ছিল। তবে স্বাক্ষরের পর থেকে মূলত বেশ কিছু মৌলিক বিষয় নিয়েই বিরোধ তৈরি হয়। যেমন, এটি কেবল এক সাময়িক যুদ্ধবিরতি নাকি একটি স্থায়ী চুক্তি ছিল এবং প্রতিটি পক্ষের আসলে কী কী করার কথা ছিল।

স্মারক লঙ্ঘনের অভিযোগ ও বর্তমান পরিস্থিতি

পুরো চুক্তি তখনও কার্যকর ছিল কি না, তা নিয়ে দ্রুতই বিতর্ক দেখা দেয়। ২৭ জুনের মধ্যেই ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে ইরানি হামলাগুলোকে চুক্তির একটি ‘মূর্খতাপূর্ণ লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেন। অন্যদিকে ইরান দাবি করে যে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলাগুলো ‘সমঝোতা স্মারকের ১ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছে’।

৭ জুলাই ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে, চুক্তি ‘শেষ হয়ে গেছে’ এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালানো অব্যাহত রাখে—যার মধ্যে সাধারণ অবকাঠামোও ছিল বলে তেহরান দাবি করে এবং এতে অন্তত ৫০ জন নিহত হয়। ইরানি কর্মকর্তারা জানান, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সব প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন ও স্থগিত করেছে, যার জবাবে তেহরানও তাদের সব প্রতিশ্রুতি একইভাবে স্থগিত করেছে।

এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র আর ইরানের ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহার করেনি। তাছাড়া ট্রাম্প ইরানকে পুনর্নির্মাণের অর্থ দেওয়ার ধারণা হেসে উড়িয়ে দিয়েছেন। উল্টো তেহরানকে প্রস্তাব দিয়েছেন যেন তারা গত ৫০ বছরে নিহত বিক্ষোভকারীদের পরিবার, রোডসাইড বোমা ও তাদের বহু সংঘাতে নিহত এবং গুরুতর আহত সব মানুষকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করে।

হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার উদ্যোগও বাস্তবায়িত হয়নি। বরং মার্কিন ও ইরানি—উভয় পক্ষের কর্মকর্তারাই নৌপথটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে বলে দাবি করে যাচ্ছেন। এই সপ্তাহের শুরুর দিকে পেন্টাগন জানায়, তারা প্রণালিতে পানামার পতাকাবাহী একটি মালবাহী জাহাজে গুলিবর্ষণ করেছে, কারণ সেটি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ মানেনি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ‘ইতিবাচক আলোচনা’ চলছে: ট্রাম্পIran-US

তেহরানের ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেসের অধ্যাপক মোস্তফা খোশচেশম আল জাজিরাকে বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির শর্তাবলী না মানায় যুদ্ধবিরতি থেমে যায় এবং তা কার্যকারিতা হারায়।”

খোশচেশম আরও যোগ করেন, তেহরানের দৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রতিশ্রুতি বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করা এবং দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলকে সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে। তিনি বলেন, “এখন আনুষ্ঠানিকভাবে, কাগজে-কলমে বলা হচ্ছে যে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে।”

পরবর্তী পদক্ষেপ কী?

সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ শেষে এখন অনেক কিছুই ঘটতে পারে। তবে এই ‘অনেক কিছু ঘটতে পারার’ বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ওপর।

ইরানি স্টুডেন্টস নিউজ এজেন্সির (আইএসএনএ) তথ্য মতে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি গত শুক্রবার জানিয়েছেন যে, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকে যা ছিল তা ছিল যুদ্ধের সমাপ্তি, কোনো যুদ্ধবিরতি নয়। তিনি আরও বলেন, যেহেতু যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘন করে হামলা অব্যাহত রেখেছে, তাই ৬০ দিনের এমন কোনো যুদ্ধবিরতি ছিল না যা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।

ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোয় সাম্প্রতিক রদবদল ইঙ্গিত দেয় যে, ভবিষ্যতে যেকোনো আলোচনায় তারা আরও কঠোর অবস্থান নেবে এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে ছাড় দিতে তারা একেবারেই ইচ্ছুক নয়। উদাহরণস্বরূপ, এই মাসের শুরুর দিকে আইআরজিসি-র প্রাক্তন প্রধান মহসেন রেজাইকে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল-এর নতুন প্রধান হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। বিশ্লেষকরা আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, সামরিক ও বেসামরিক কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

খোশচেশমের মতে, রেজাইয়ের নিয়োগ এবং সাম্প্রতিক অন্যান্য নেতৃত্ব পরিবর্তন প্রমাণ করে যে, ইরান মনে করে তারা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, “পরবর্তীতে নতুন কোনো আলোচনা শুরু হলে ইরান সম্ভবত আরও বেশি দাবি নিয়ে আলোচনার টেবিলে আসবে—যার মধ্যে গাজা যুদ্ধের অবসান, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ইয়েমেনের ওপর অবরোধ প্রত্যাহার এবং এমনকি ইসরায়েলের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের দাবিও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।”

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা উচিত: পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীishakdar_pakistan

যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অপশন ক্রমেই সীমিত

যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে, ট্রাম্প এবং তার প্রশাসন হরমুজ প্রণালি ও অর্থনৈতিক সংঘাত প্রসঙ্গে কথা বলার ক্ষেত্রে তাদের আক্রমণাত্মক সুর আরও চড়া করেছে।

গত শুক্রবার ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে এই নৌপথটি যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হিসেবে দাবি করার পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, “আমরা ইরানকে পরাজিত করার পর—তারা এমনিতেই খুব বাজেভাবে পরাজিত হচ্ছে—খুব শিগগিরই আমি হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা দেব।”

একই দিনে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর এমন সব পদক্ষেপ প্রয়োগ করবে, যা আগে কখনো দেখা যায়নি।

তবে ওয়াশিংটনভিত্তিক স্টিমসন সেন্টারের বিশিষ্ট ফেলো বারবারা স্ল্যাভিন আল জাজিরাকে বলেন, “তেহরানের ওপর আর বেশি চাপ সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের হাতে প্রয়োগ করার মতো কৌশল খুব বেশি অবশিষ্ট নেই।”

Iran Drone

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে থাকা ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে আসছে, তাদের কৌশলগত খনিজ তেল সংরক্ষণাগার ফাঁকা হয়ে গেছে এবং বিমানবাহী রণতরীসহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জামগুলোকে নির্ধারিত সময়ের চেয়েও কয়েক মাস বেশি সময় সাগরে রাখা হয়েছে। এর অর্থ হলো—যুক্তরাষ্ট্রের হাতে এখন প্রয়োগ করার মতো সামরিক বিকল্প সীমিত। অন্যদিকে অর্থনৈতিক চাপের বিষয়ে স্ল্যাভিন জানান, হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল ব্যাহত করে তেহরানও যে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় অর্থনৈতিক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে, তা ইতিমধ্যেই তারা প্রমাণ করেছে।

স্ল্যাভিন বলেন, “ইরান এখানে বেশ কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। কারণ জুন মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক ট্রাম্প প্রশাসন ঠিকমতো পালন করেনি বলে তেহরান স্পষ্টতই ক্ষুব্ধ। তারা এখন আন্তর্জাতিক অর্থনীতিকে অচল করে দিচ্ছে এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বেশ চাপে ফেলেছে।”

ইরানকে ঠেকাতে ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে যারা Iran–Reuters

স্ল্যাভিনের মতে, কোনো না কোনোভাবে ইরান যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ পাবে এবং হরমুজ প্রণালির ওপর একটি বড় মাত্রার নিয়ন্ত্রণ অর্জন করবে। এই সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সম্ভবত আমাদের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর একটি চুক্তির মাধ্যমেই এই সংকটের সমাধান হবে, যাতে নির্বাচনে এর নেতিবাচক প্রভাব কম পড়ে।”

গত শনিবার তেহরানে সাংবাদিকদের কাছে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে ইরান যে সুবিধাগুলো আদায় করতে পেরেছে, তা গর্ব ও বিজয়ের প্রতীক।

গালিবাফ বলেন, “আমি সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সাথে বলতে পারি, সামরিক ও রাজনৈতিক—উভয় দিক থেকেই আমরা এই যুদ্ধে প্রকৃত বিজয় অর্জন করেছি।”

বিষয়: যুক্তরাষ্ট্রপাকিস্তানইরানইরান-ইসরায়েল সংঘাতহরমুজ প্রণালি
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড

  • বিশ্বজুড়ে ফিরেছে মূল্যস্ফীতি?

    বিশ্বজুড়ে ফিরেছে মূল্যস্ফীতি?

    ‘সফট ল্যান্ডিং’-এর কথা মনে আছে? আগে বলে নেওয়া দরকার সফট ল্যান্ডিং কী? ‘সফট ল্যান্ডিং’ বলতে বোঝায়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি নিয়ন্ত্রিত ও ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা, যাতে মূল্যস্ফীতি কমে আসে, কিন্তু অর্থনীতিতে মন্দা দেখা না দেয় বা বিপুলসংখ্যক মানুষ চাকরি না হারান।