Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

৬ মাসে কি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়েছে?

চৌধুরী মাছাবিহ্

চৌধুরী মাছাবিহ্

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ২০: ০৭
৬ মাসে কি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়েছে?
ফাইল ছবি

গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছিল। জনমনে আশা তৈরি হয়েছিল, নির্বাচিত সরকার এলে আইনশৃঙ্খলার অবস্থার উন্নতি ঘটবে। কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমান সরকারের ছয় মাস পার হলেও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের তুলনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে তেমন ইতিবাচক পরিবর্তন আসেনি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) ওয়েবসাইটে দেওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য বলছে, গত ছয় মাসে (ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই) মব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে ১৩৪টি– এর মধ্যে ৫০টি হয়েছে রাজধানীতে। ৪০০ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, এদের মধ্যে ৩৭ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। রাজনৈতিক সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা ৩৫ জন। ধর্মীয় ও সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ৩২টি ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১১ জন। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ১৩ জন। গুমের শিকার হয়েছেন একজন।

এ ছাড়াও ২১৩টি শিশু হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ক্রাইম ডাটার তথ্য বলছে, গত ছয় মাসে ঢাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে ১৫০টি। অপহরণের শিকার হয়েছেন ৯৪ জন।

সরকারের ৬ মাস: দেশটা ভালো চলছে কি?electric-and-gas-price-hike

তা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শেষ ছয় মাসের সঙ্গে যে তুলনা টানা হচ্ছে, সে সময়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তথ্য কি বলছে?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে আসকের অপরাধের পরিসংখ্যানবিষয়ক তথ্য বলছে, মব সহিংসতা হয়েছে ১০৯টি, এর মধ্য ঢাকাতে হয়েছে ৩৬টি। ২১০ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, এদের মধ্যে ১৪ জনেক ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। ৪৪০ শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটনায় ১৯০ শিশুকে হত্যা করা হয়।

তবে কোনো গুমের তথ্য পাওয়া যায়নি। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ১৮ জন। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর ৩৯টি হামলার ঘটনায় নিহত হয়েছেন একজন। রাজনৈতিক সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা ৩৫জন। ডিএমপির তথ্য মতে রাজধানীতে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে ২০৫টি। অপহরণের শিকার হয়েছেন ১৩৭ জন।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের লোগো।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের লোগো।

অর্থাৎ, আসকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখলে, অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ ছয় মাসের তুলনায় বর্তমান সরকারের প্রথম ছয় মাসে মব সহিংসতা, শিশু হত্যা, রাজনৈতিক সংঘর্ষে নিহত, ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতন বেড়ে গেছে।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এয়ার কমোডর (অব.) ইশফাক ইলাহী চৌধুরী বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় থেকে দেখতে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি যতটুকু আমরা আশা করেছিলাম, ততটুক হয় নাই। এখনো পুলিশের স্বাভাবিক যে কার্যক্রম, তা ফিরে আসেনি। অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ নিজেই মবের শিকার হচ্ছে। মানুষও তো পুলিশের প্রতি একটা সভ্য দেশে যে ধরনের আচরণ করা উচিত, তা করছে না। এর কারণ পুলিশের কিছু দুর্বলতা আছে। এমনও কথা উঠছে যে, এই সুযোগে দুর্নীতিবাজ পুলিশ কর্মকর্তারা মামলা বাণিজ্য করছেন। এগুলো থেকে বের হয়ে আসতে হবে। পুলিশ রিফর্মের কথাও বলতে চাই, সেটারও কোনো অগ্রগতি হয়নি।”

সরকারের ছয় মাস: রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরেছে বাংলাদেশে?Tarique Rahman oath

ইশফাক ইলাহী চৌধুরী মনে করেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার যে প্রবণতা দেখা গেছে, তা এখনো বিদ্যমান থাকা মব সহিংসতার পেছনে বড় কারণ। চরচাকে তিনি বলেন, “গত কয়েকদিনে তো দেখেছি, ঢাকা শহরসহ সারা দেশে মব ভায়োলেন্সের ভিকটিম অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ লোকজন হচ্ছে, যারা রাজনীতির সাথে কোনোভাবে জড়িত নয়। মবের যে ভিকটিম হচ্ছে, সন্ত্রাস দমন আইনে আবার তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সে যথাযথ জাস্টিস পাচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেই মব কঠোরভাবে দমন করতে হবে।”

চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই এসবের জন্য বেকারত্বকে দায়ী করে ইশফাক ইলাহী চৌধুরী বলেন, “অনেক সময় দারিদ্র্য এবং বেকারত্ব একজন মানুষকে অপরাধীতে পরিণত করতে পারে। বিভিন্ন স্থানে কিশোর গ্যাংগুলো তৈরি হচ্ছে, কারণ, তাদের সামনে জীবনে কোনো আশা নাই। বেকারত্ব দূর করার কথা সরকারকে ভাবতে হবে।”

র‍্যাবের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করতাম, দেয়ার ইজ আ স্ট্রং কাউন্টার-টেররিজম… এই ধরনের ফোর্স যা পৃথিবীর সব দেশে আছে। কিন্তু বাংলাদেশে র‍্যাবের নামে যা হয়েছে—সেনাবাহিনী, আর্মি, নৌবাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, আনসার, ভিডিপি সব নিয়ে যে একটা জগাখিচুড়ি বানানো হয়েছিল, আমি সব সময় এটার বিরুদ্ধে ছিলাম। র‍্যাবের নাম বদল হয়েছে, যেটার কোনো দরকার ছিল না। দরকার র‍্যাবের ওপর তদারকি সংস্থা, সেটাতেও অগ্রগতি হয়নি।”

মবের প্রতীকী ছবি। ছবি: চরচা
মবের প্রতীকী ছবি। ছবি: চরচা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ফাহিন রহমান অঙ্কিতা অবশ্য মনে করেন, আগের তুলনায় আইন প্রয়োগের বিষয়টা জোরদার হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে পার্থক্য না হওয়ার পেছনে জনগনের পুলিশের প্রতি আস্থা না থাকাকে কারণ বলে মনে করেন তিনি। “যার জন্য পুলিশ ফোর্স হোক বা অন্য সংস্থায় বড় গ্যাপ এখনো দেখতে পাচ্ছি। পুলিশের এখনো জব সিকিউরিটি থেকে শুরু করে পাবলিক ট্রাস্ট খুবই কম, তাদের হতাশা অনেক বেশি। যার জন্য অপরাধ যে দমন করবে, তার কোনো উন্নতি হয়নি। যার ফলে ধীরে ধীরে লং টার্ম আসলে অবনতির দিকেই আমরা এগোচ্ছি”– বলেন ফাহিন রহমান অঙ্কিতা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোতে সংস্কার ঠিকমতো হলে তাদের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরে আসবে বলে মনে করেন ফাহিন রহমা অঙ্কিতা। চরচাকে তিনি বলেন, “আমাদের রাজনৈতিক পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন হয়নি। সমস্যাগুলো সমাধানে শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। গভর্নমেন্ট চেঞ্জ করার সাথে আসলে এতগুলো যে রিফর্ম কমিশন হয়েছে, সেই রিফর্ম কমিশনগুলোর যে রিপোর্ট হয়েছে, সেগুলোর এক্সিকিউশন বা ইমপ্লিমেন্টেশন কিন্তু এখনো করা সম্ভব হয়নি। তাই পার্থক্যটা আসলে দেখা যাবে যখন আমরা সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারি।”

মবের কারণ হিসেবে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়াকেই কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, “মব ভায়োলেন্স আসলে তখনই হয়, যখন আমরা মব ভায়োলেন্সকে নির্ধারণ করতে পারি না। মব করলেও সবাই পার পেয়ে যাচ্ছে। তখন এটা কমিয়ে আনা কঠিন হয়ে যায়। এ ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর ভরসা করতে না পারাটাও মবের কারণ।”

সরকারের ১৮০ দিন ও আগামীর চ্যালেঞ্জcabinet-meeting_

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষকের বক্তব্য, “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, পুলিশ ফোর্সের উপর পাবলিকের ট্রাস্ট বাড়ানো। এবং আমাদের যেসব এক্সিস্টিং কেসগুলো আছে, সেই কেসগুলোকে প্রপারলি ইনভেস্টিগেট করা।”

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন না হলে দেশে বিনিয়োগের– বিশেষ করে বিদেশি বিনিয়োগের– সংকট হবে বলে মনে করেন ইশফাক ইলাহী চৌধুরী। তিনি বলেন, “বড় বড় ব্যাংকগুলোতে অলস টাকা পড়ে আছে, দেওয়ার মতো লোক নাই। কারণ লোক ইনভেস্ট যে করবে, সেই সাহস তো তাদের নাই। এই অলস টাকা যে ব্যাংকে পড়ে আছে, যারা টাকা জমা রেখেছে, তাদের লাভসহ একদিন তো সেটা ফেরত দিতে হবে। কিন্তু এখন যদি লোন না নেয়, সেটা ব্যাংক কীভাবে ফেরত দেবে? তাই এটা বহুমুখী সমস্যা। আর এই সমস্যা আসছে নিরাপত্তার অভাবের কারণে।”

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) জ্যেষ্ঠ সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবির চরচাকে বলেন, “দেশে হত্যা, ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন কমাতে হলে শুধু অপরাধের পর শাস্তি নিশ্চিত করলেই হবে না, অপরাধ প্রতিরোধে রাষ্ট্র ও সমাজ– দুই ক্ষেত্রেই কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।”

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কী কী করা উচিত, সে ব্যাপারে আবু আহমেদ ফয়জুল কবির বলেন, “একজন নাগরিকের দৃষ্টিতে, এ সকল অপরাধের ক্ষেত্রে প্রতিকারের প্রথম দায়িত্ব রাষ্ট্রের। অপরাধী যে পরিচয়েরই হোক, তার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ, দ্রুত ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত এবং বিচার নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাব, অর্থ কিংবা ক্ষমতার কারণে কেউ যেন আইনের ঊর্ধ্বে না থাকে, সেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তারও স্বাধীন ও কার্যকর তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। নারী ও শিশু নির্যাতনের ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা, আইনি সহায়তা এবং বিচারপ্রক্রিয়ায় সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।”

তবে কি ক্ষমতা যার, মব তার?mob

তবে শুধু সরকারের ওপরই সব দায়িত্ব ঠেলে দিলে সমাধান আসবে না। সে কারণে সামাজিক অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন আসকের জ্যেষ্ঠ সমন্বয়কারী, “…অন্যদিকে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানকে সহনশীলতা, সমতা ও মানবিক মর্যাদার মূল্যবোধ গড়ে তুলতে হবে। গণমাধ্যমকেও দায়িত্বশীলভাবে ঘটনা তুলে ধরে রাষ্ট্রীয় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখতে হবে। শেষ পর্যন্ত নিরাপদ সমাজ গড়তে অপরাধের শাস্তির পাশাপাশি প্রয়োজন আইনের শাসন, জবাবদিহি এবং সর্বোপরি প্রতিটি নাগরিকের সমান মর্যাদা ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা।”

বিষয়: বিএনপিআইন ও বিচারঅন্তর্বর্তী সরকারধর্ষণনারী নির্যাতনপুলিশহত্যাডিএমপির‍্যাবগুমশিশু হত্যাআইনশৃঙ্খলা বাহিনী শিশু নির্যাতনসংখ্যালঘুআইন–শৃঙ্খলাছিনতাইআইন ও সালিশ কেন্দ্রঅপহরণমব
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড

  • বিশ্বজুড়ে ফিরেছে মূল্যস্ফীতি?

    বিশ্বজুড়ে ফিরেছে মূল্যস্ফীতি?

    ‘সফট ল্যান্ডিং’-এর কথা মনে আছে? আগে বলে নেওয়া দরকার সফট ল্যান্ডিং কী? ‘সফট ল্যান্ডিং’ বলতে বোঝায়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি নিয়ন্ত্রিত ও ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা, যাতে মূল্যস্ফীতি কমে আসে, কিন্তু অর্থনীতিতে মন্দা দেখা না দেয় বা বিপুলসংখ্যক মানুষ চাকরি না হারান।