
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে একের পর এক ইস্যুতে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কে নজিরবিহীন টানাপোড়েন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, সীমান্ত পরিস্থিতি, কূটনৈতিক ভাষ্য—এমনকি ক্রিকেট মাঠ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে এই অবনতি।

বাংলাদেশের ইতিহাসে নির্বাচনের সময়গুলোতে দেশজুড়ে সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক সহিংসতা বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। তীব্র রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং সামাজিক উত্তেজনার মধ্যে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাই ক্ষতিগ্রস্ত হয় সবচেয়ে বেশি।

বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসানের মুখোমুখি হয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ

ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতার পুত্র হিসেবেই ক্রিকেট প্রশাসনে এসেছেন জয় শাহ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব হিসেবে কাজ করে তিনি আইসিসির চেয়ারম্যান হয়েছেন। মোস্তাফিজ-ইস্যুতে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যেতে অনড় বাংলাদেশ। এটি এখন বাংলাদেশের জাতীয় মর্যাদার বিষয়। জয় শাহ এখন কী সিদ্ধান্ত নেবেন?

হিন্দুত্ববাদীদের কাছে হিন্দু-প্রধান ভারতের যে কল্পনা এক সময় দিবাস্বপ্নের মতো ছিল; তা এখন অনেকটাই মূলধারায় চলে এসেছে। কীভাবে এই স্বপ্ন সফল হতে চলেছে তা নিয়ে দুটো প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে নিউইয়র্ক টাইমস।

লন্ডনে বাংলাদেশের হাইকমিশনের সামনে হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি প্রতিবাদ সমাবেশে বাধা দিয়েছে খালিস্তানপন্থিরা। বাংলাদেশে হিন্দু ও অন্যান্য অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতার প্রতিবাদে ওই সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল।

ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র দাসকে পি*টিয়ে হ*ত্যা এবং তার ম*রদেহ পো*ড়ানোর প্রতিবাদে ২৬ ডিসেম্বর (২০২৫) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট। ভিডিও: হাসান জোবায়েদ সজিব

ময়মনসিংহে পোশাকশ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসের হ*ত্যার বিচার এবং তার পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিতে ২৪ ডিসেম্বর (২০২৪) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ করেছে গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলন।

বিষয়টি নিয়ে নিন্দা এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সভাপতি অচিন্ত কুমার বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক অশোক শাহা।

চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসানের সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাৎকারে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী।

নির্বাচনের পরিবেশ, অন্তর্বর্তী সরকার, বিচার বিভাগ ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা, সংখ্যালঘু পরিস্থিতি নিয়ে চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসানের সঙ্গে কথা বলেছেন আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

ডিসমিসল্যাব বলছে, গত ২২ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর প্রতি সহিংসতা ও হত্যার উসকানি ও সরাসরি বিদ্বেষ ছড়ানো অন্তত ৩৯টি পোস্ট পেয়েছে তারা।

এক সময়ের মজলুম জনগোষ্ঠীর জালিম হয়ে যাওয়ার বহু উদাহরণ আছে। সাতচল্লিশের আগে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমানেরা ছিল সংখ্যালঘু মজলুম। দেশ বিভাগের পর পাকিস্তানে সেই মুসলমানেরাই জুলুমবাজ হয়ে ওঠে।

“ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পর এসে দেখলাম বাসাবাড়ি, মঠ, মন্দির, ভাঙচুর হয়েছে-এ ধরনের পরিবেশে পরিস্থিতি যেন না হয় সে বিষয়ে সিইসির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। সিইসি নিশ্চয়তা দিয়েছেন এবার কেউ আপনাদের অত্যাচার করতে পারবে না। আমরা শক্তভাবে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

“ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পর এসে দেখলাম বাসাবাড়ি, মঠ, মন্দির, ভাঙচুর হয়েছে-এ ধরনের পরিবেশে পরিস্থিতি যেন না হয় সে বিষয়ে সিইসির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। সিইসি নিশ্চয়তা দিয়েছেন এবার কেউ আপনাদের অত্যাচার করতে পারবে না। আমরা শক্তভাবে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”