
বর্তমান বিশ্বরাজনীতিতে পরাশক্তিগুলোর কূটনৈতিক তৎপরতা একটি পরিচিত আলোচনার জন্ম দিয়েছে। চলতি মে মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফরের মাত্র কয়েক দিন পরেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চীনে পৌঁছান।

ডলার বর্জন, জ্বালানির নতুন বাজার তৈরি এবং যৌথ প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও বিনিয়োগের মাধ্যমে মস্কো ও বেইজিং কেবল নিজেদের অর্থনৈতিক সুরক্ষাই নিশ্চিত করছে না, বরং বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে আমেরিকার একক আধিপত্যের বিপরীতে এক শক্তিশালী বিকল্প মেরু গড়ে তুলছে।

রাশিয়া চীনের মধ্যকার সম্পর্ক এক অভূতপূর্ব উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আজ বুধবার বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সাথে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করতে যাচ্ছেন।

ট্রাম্পের সঙ্গে যারা সেই সফরে গিয়েছিলেন, তাদের মোবাইল–ল্যাপটপ সঙ্গে নিতে নিষেধ করা হয়েছিল।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক চীন সফরের একটি বিশেষ মুহূর্ত এখন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সফরের আনুষ্ঠানিক বৈঠকের বাইরে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং নিজেই ট্রাম্পকে নিয়ে যান ব্যক্তিগত বাগান ঝংনানহাইয়ে, যা সাধারণত বিদেশি নেতাদের জন্য খুব কমই উন্মুক্ত করা হয়।

চীন সফরের দুটি দিক লক্ষণীয়। ট্রাম্পের সফরসঙ্গী হয়ে বাণিজ্য প্রতিনিধির একটি বড় দল চীনে যায়। আশা করা হয়েছিল, বানিজ্য এবং আইটি নিয়ে বড় ধরনের চুক্তি হবে।

ইরানের এই যুদ্ধের ফলে হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে, যেখান দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়।

রাশিয়ার বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে, এই সফরটি ২০০১ সালে স্বাক্ষরিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মস্কো-বেইজিং চুক্তি ‘ট্রিটি অব গুড নেইবারলাইন্স এন্ড ফ্রেন্ডলি কো-অপারেশন’-এর ২৫তম বার্ষিকী উদযাপনের সাথে মিলিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে।

দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সফরের তৃতীয় দিনে একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ সেরেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ও আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বর্তমানে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের মধ্যকার শীর্ষ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বিশ্ব রাজনীতির এক নতুন ও নাটকীয় মোড় নিয়েছে। বর্তমানে বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে চীনের ওপর ওয়াশিংটনের নির্ভরতা অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না’— এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একমত হয়েছে।

তাইওয়ান ইস্যুতে বিদ্যমান বিরোধ ঠিকঠাকমতো সামলানো না গেলে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং। খবর রয়টার্সের।

স্থানীয় সময় আজ বৃহস্পতিবার রাজধানী বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আলোচনা চমৎকার হয়েছে। তবে তাইওয়ান প্রশ্নে প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে বলেন, ‘চীন খুবই সুন্দর’।

স্থানীয় সময় আজ বৃহস্পতিবার রাজধানী বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আলোচনা চমৎকার হয়েছে। তবে তাইওয়ান প্রশ্নে প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে বলেন, ‘চীন খুবই সুন্দর’।