
রুমিন ফারহানা বলেছেন, “এবার দেশের ৩০ শতাংশ মানুষের রিপ্রেজেন্টেশন (প্রতিনিধিত্ব) থাকবে না, এটা মাথায় রেখেই আমাদের সংসদে বসতে হবে।”

বিএনপির মনোনয়নে ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হয়েছিলেন দলটির সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। সংসদে দাঁড়িয়ে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে তার প্রতিবাদী বক্তব্যগুলো মনোযোগ কেড়েছিল সবারই।

এবার ২৯৯টি সংসদীয় আসনে নির্বাচন হয়েছে। এরমধ্যে বিএনপি থেকে ছয়জন নারী প্রার্থী নির্বাচিত হয়ে সংসদে যাচ্ছেন। এ ছাড়া একটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি থেকে বহিষ্কার হওয়া রুমিন ফারহানা।

এবারে এই আসনে বিএনপির দুজন বিদ্রোহী প্রার্থী রুমিন ফারহানা ও তরুণ দে। দলীয় নেতৃত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে দুজনকে বহিষ্কার করলেও দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা। তরুণ দে-কে দলেরই একাংশ প্রার্থী করেছে এই বিবেচনায় যে সংখ্যালঘুরা জোট প্রার্থীকে ভোট দেবেন না।

বিএনপি থেকে লাগতার ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটি থেকে বহিষ্কৃত এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানার নেতাকর্মীদের। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়েও। শেষ পর্যন্ত তিনি বিজয়ী হলে এবং বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তাদের মধ্যে সম্পর্ক কী হবে?