
মহাকাশ অভিযানে বিপ্লব আনতে এসেছে এমন রকেট যা উড়তে উড়তে নিজের কাঠামো ব্যবহার করে। ওজন কমিয়ে এটি কম খরচে আরও দূর ও জটিল কক্ষপথে পৌঁছাতে সক্ষম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নির্মাতাদের মতে, এই প্রযুক্তি ভবিষ্যৎ মহাকাশ মিশনের ধারণাই বদলে দিতে পারে।

শেষবার যখন চাঁদে মানুষের পদচিহ্ন পড়েছিল, তারপর কেটে গেছে দীর্ঘ ৫৪ বছর। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নাসা এবার পাড়ি দিচ্ছে তার ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট ‘স্পেস লঞ্চ সিস্টেম’ নিয়ে। আর্টেমিস-২ মিশনের মাধ্যমে চারজন দুঃসাহসী নভোচারী যাচ্ছেন এমন এক অজানার উদ্দেশ্যে, যা আগে কখনো সম্ভব হয়নি।

বছরের শুরুতেই বড়সড় ধাক্কা খেল ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। ১২ জানুয়ারি বহু প্রতীক্ষিত PSLV-62 রকেটের উৎক্ষেপণ মিশনটি মাঝপথেই থেমে যায়। একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে রকেটটি তার নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে।

শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে সফলভাবে উৎক্ষেপণ হলেও কক্ষপথে পৌঁছানোর আগেই নিয়ন্ত্রণ হারায় রকেট। এর ফলে এই উপগ্রহবাহী রকেটে থাকা ১৬টি উপগ্রহই মহাকাশে হারিয়ে গিয়েছে।

সোমবার চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মির রকেট ফোর্স নতুন ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, অত্যাধুনিক সব মিসাইল এবং যুদ্ধপ্রস্তুতি। ইউনিটের একজন অফিসার সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তারা ‘কম্ব্যাট রেডি’ বা যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত এবং যেকোনো মুহূর্তে আঘাত হানতে সক্ষম।

যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের কাছে প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির ঘোষণা দেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই চীন শুরু করেছে ‘জাস্টিস মিশন ২০২৫’ নামের সামরিক মহড়া। এই মহড়ায় চীনের স্থল-নৌ-বিমানবাহিনী ও রকেট ফোর্স অংশ নিচ্ছে। তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে চীন আমেরিকা কি যুদ্ধে জড়িয়ে পরবে?

ল্যান্ডস্পেসের মতো বেসরকারি উদ্যোগ চীনের রকেট শিল্পে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। ব্যর্থতাকে শেখার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট উন্নয়নে এগোচ্ছে চীন। স্পেস-এক্সের মডেল অনুসরণে রাষ্ট্রীয় একচেটিয়াত্ব ভেঙে খুলছে নতুন দিগন্ত।