
অর্থনীতিবিদরা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, বাজারে ডলারের তাৎক্ষণিক অস্থিরতা কমে আসা এবং নিয়মিত ডলার কেনা ইঙ্গিত দেয় যে মুদ্রাবাজার এখন অনেকটা ভারসাম্যপূর্ণ।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫,১২৫.৯০ মিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর হিসাব পদ্ধতি ‘বিপিএম-৬’ অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমান রিজার্ভের পরিমাণ ৩০.৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ইরান যুদ্ধ তাই শুধু একটি সামরিক সংঘাত নয়–এটি বৈশ্বিক আর্থিক শৃঙ্খলার একটি পরীক্ষা। হরমুজে ইউয়ান, আমিরাতের হুমকি, ইরানের ক্রিপ্টোকারেন্সিতে টোল আদায়–এই সবকিছু মিলিয়ে একটি বার্তা স্পষ্ট হচ্ছে: মার্কিন ডলারের বৈশ্বিক আধিপত্য যে ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে ছিল, সেই ভিত্তিটাই এই যুদ্ধে কাঁপছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও ডলারের বিনিময় হারের অস্থিরতার অজুহাতে দেশে ফার্নেস তেলের দাম এক লাফে লিটারপ্রতি ৫১ টাকারও বেশি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি চলতি এপ্রিল মাসের জন্য এই জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটার ১

দূতাবাস জানায়, এই অনুদানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের ২৫ বছরের সাংস্কৃতিক অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হলো। এর আগে একই তহবিল থেকে দেশে ১৩টি প্রকল্পে ১০ লাখ ডলারেরও বেশি অর্থায়ন করা হয়েছে।

ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার চলমান সামরিক অভিযানে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় খরচ হচ্ছে প্রায় ৭৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যা অনেক দেশের বার্ষিক প্রতিরক্ষা বাজেটের চেয়েও বেশি। কিন্তু ট্রিলিয়ন ডলারের মার্কিন বাজেটের সামনে আসল চ্যালেঞ্জ টাকা নয়, বরং ফুরিয়ে আসা অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত।

আমেরিকার নতুন ভিসা বন্ড তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের নাম। এর ফলে আমেরিকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড বা জামানত জমা দিতে হতে পারে। ৬ জানুয়ারি আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়।

ব্রিটেনের ডাক বিভাগ—রয়াল মেইল নেটফ্লিক্সের তুমুল জনপ্রিয় সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ নিয়ে ১৪টি ডাকটিকিট প্রকাশ করেছে। ডাকটিকিটগুলোতে সিরিজের চরিত্রগুলোর ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। সবগুলোর দাম পড়বে প্রায় ৩৩ মার্কিন ডলার।

ব্রিটেনের পতনও ছিল ধীরে। আমেরিকা অর্থনৈতিকভাবে ব্রিটেনকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল অনেক আগেই। কিন্তু ডলার পাউন্ডের জায়গা নিতে সময় নেয় আরও কয়েক দশক। এখনও ধীরে পরিবর্তন হচ্ছে।