
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য চুক্তিটি উভয় পক্ষের স্বার্থের বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেই ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতিতে তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তাই এই চুক্তি নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলাসান্দ্রো বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, “ইতালি ও বাংলাদেশের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিদ্যমান। আমরা তৈরি পোশাক খাতের বাইরে অন্যান্য খাতেও বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহী।”

জ্বালানির দাম বৃদ্ধি প্রথম দৃষ্টিতে বড় মনে হলেও মূল্যস্ফীতির ওপর এর সরাসরি প্রভাব ততটা নয়, যতটা সাধারণভাবে ধারণা করা হয় বলে মন্তব্য করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

মন্ত্রী বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের মধ্যে সামঞ্জস্য রাখতে একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি কাজ শুরু করবে। ঈদের পর এই কমিটি তাদের কার্যক্রম শুরু করবে।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের করা বাণিজ্যচুক্তিতে ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুটি বিষয়ই আছে বলে জানিয়েছে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

প্রতিটি পরিবারকে একটি করে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে, যার মাধ্যমে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকার সহায়তা দেওয়া হবে। এতে নিম্নআয়ের মানুষের আর্থিক স্থিতিশীলতা কিছুটা হলেও নিশ্চিত হবে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির মধ্যে পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধ শুরু হওয়ায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে বড় ধরনের ধস নেমেছে। আরাকান আর্মি রাখাইন রাজ্যের নিকটবর্তী নাফ নদী দিয়ে সব ধরনের নৌযান চলাচলের ওপর অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এছাড়া তারা মিয়ানমারের মূল ভূখণ্ড থেকে আসা বাংলাদেশগামী পণ্যবাহী জাহাজগুলো

তিনি বলেন, এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় কিছু রিটেইলার সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে।

মন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরে প্রতিটি দিনকে কাজে লাগিয়ে দেশকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আরও শক্ত অবস্থানে নিতে সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে।

প্রতি বছর শ্রমবাজারে আনুমানিক ২০ থেকে ২২ লাখ নতুন মুখ যুক্ত হচ্ছে উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী সতর্ক করেন যে, গত কয়েক বছরের স্থবির বিনিয়োগ পরিস্থিতি কর্মসংস্থানের প্রবৃদ্ধিতে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।