চরচা প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য চুক্তিটি উভয় পক্ষের স্বার্থের বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেই ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতিতে তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তাই এই চুক্তি নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
আজ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি দুই পক্ষের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে। এতে উভয় পক্ষের স্বার্থের বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেই ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। কাজেই এই চুক্তি নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই।”
বাণিজ্যমন্ত্রীর ভাষ্য, বর্তমান সরকার এই চুক্তির সূচনা করেনি, তবে রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে এটি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পাদিত কোনো চুক্তি ব্যক্তিগত চুক্তির মতো নয় যে ইচ্ছামতো বাতিল করা যাবে। এটি একটি বাস্তবতা এবং আমরা এটিকে দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগাতে চাই।”
মন্ত্রি জানান, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং প্রাপ্ত ব্যাখ্যার আলোকে নিজেদের অবস্থান ও পর্যবেক্ষণ জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছি, বিদ্যমান চুক্তির প্রেক্ষাপটে এ ধরনের তদন্ত শুরু না হলে তা আরও ইতিবাচক হতো।”
বাংলাদেশের উৎপাদন ও বাণিজ্য বাস্তবতা তুলে ধরে আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দেশে কোনো খাতে ‘ওভার ক্যাপাসিটি’ নেই। পাশাপাশি বাংলাদেশ ডাম্পিং করে, এ ধরনের অভিযোগও ভিত্তিহীন। তিনি জানান, বাংলাদেশ অধিকাংশ পণ্যই আমদানি করে। রপ্তানির মধ্যে প্রধান খাত হলো তৈরি পোশাক শিল্প, যা কঠোর আন্তর্জাতিক মান ও কমপ্লায়েন্স মেনে পরিচালিত হয়। সেখানে শ্রম আইন লঙ্ঘন বা শিশুশ্রমের কোনো সুযোগ নেই।
চুক্তি বাতিলের প্রশ্নে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। চুক্তির কোনো ধারা যদি বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী হয়, তা সংশোধনের সুযোগ সেই চুক্তিতেই রয়েছে। তিনি একে ‘সেলফ কারেক্টিং এলিমেন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, “চুক্তির মধ্যেই সংশোধন বা সমন্বয়ের প্রয়োজনীয় বিধান রয়েছে। তাই এ নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগ বা আতঙ্কের কোনো কারণ নেই।”
বৈঠকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য চুক্তিটি উভয় পক্ষের স্বার্থের বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেই ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতিতে তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তাই এই চুক্তি নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
আজ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি দুই পক্ষের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে। এতে উভয় পক্ষের স্বার্থের বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেই ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। কাজেই এই চুক্তি নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই।”
বাণিজ্যমন্ত্রীর ভাষ্য, বর্তমান সরকার এই চুক্তির সূচনা করেনি, তবে রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে এটি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পাদিত কোনো চুক্তি ব্যক্তিগত চুক্তির মতো নয় যে ইচ্ছামতো বাতিল করা যাবে। এটি একটি বাস্তবতা এবং আমরা এটিকে দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগাতে চাই।”
মন্ত্রি জানান, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং প্রাপ্ত ব্যাখ্যার আলোকে নিজেদের অবস্থান ও পর্যবেক্ষণ জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছি, বিদ্যমান চুক্তির প্রেক্ষাপটে এ ধরনের তদন্ত শুরু না হলে তা আরও ইতিবাচক হতো।”
বাংলাদেশের উৎপাদন ও বাণিজ্য বাস্তবতা তুলে ধরে আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দেশে কোনো খাতে ‘ওভার ক্যাপাসিটি’ নেই। পাশাপাশি বাংলাদেশ ডাম্পিং করে, এ ধরনের অভিযোগও ভিত্তিহীন। তিনি জানান, বাংলাদেশ অধিকাংশ পণ্যই আমদানি করে। রপ্তানির মধ্যে প্রধান খাত হলো তৈরি পোশাক শিল্প, যা কঠোর আন্তর্জাতিক মান ও কমপ্লায়েন্স মেনে পরিচালিত হয়। সেখানে শ্রম আইন লঙ্ঘন বা শিশুশ্রমের কোনো সুযোগ নেই।
চুক্তি বাতিলের প্রশ্নে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। চুক্তির কোনো ধারা যদি বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী হয়, তা সংশোধনের সুযোগ সেই চুক্তিতেই রয়েছে। তিনি একে ‘সেলফ কারেক্টিং এলিমেন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, “চুক্তির মধ্যেই সংশোধন বা সমন্বয়ের প্রয়োজনীয় বিধান রয়েছে। তাই এ নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগ বা আতঙ্কের কোনো কারণ নেই।”
বৈঠকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য চুক্তিটি উভয় পক্ষের স্বার্থের বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেই ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতিতে তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তাই এই চুক্তি নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।