
২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পিবিআইয়ের তদন্ত শেষে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান। একই বছরের ১১ অক্টোবর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ৩২ সাক্ষীর মধ্যে ২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে।

তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ মেলায় গত ৮ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই'র ইন্সপেক্টর সৈয়দ সাজেদুর রহমান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।