
চীনের স্বার্থকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ না করেই অনেক বিনিয়োগ চীনা বিনিয়োগের পাশাপাশি চলমান রয়েছে। তবে আমেরিকা এক্ষেত্রে অনেক বেশি মারমুখী অবস্থান গ্রহণ করেছে।

প্রতিরক্ষা কৌশলের পূর্ববর্তী সংস্করণগুলোর মতো এবার তাইওয়ানের কোনো উল্লেখ নেই। তবে দলিলে লেখা হয়েছে যে, আমেরিকার লক্ষ্য হলো চীনসহ কাউকেই নিজেদের বা তাদের মিত্রদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে না দেওয়া।

আরিস্তিদ পরবর্তীকালে দাবি করেন যে, তাকে জোরপূর্বক ক্ষমতা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আমেরিকার কর্মকর্তারা তাকে পদত্যাগ করার জন্য তীব্র চাপ প্রয়োগ করেন এবং কার্যত অপহরণ করে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়।