চরচা ডেস্ক

পেন্টাগনের নতুন ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স স্ট্র্যাটেজি’ অনুযায়ী, চীন এখন আর আমেরিকার প্রধান নিরাপত্তা অগ্রাধিকার নয়। মানে দেশটি চীনকে আর নিজেদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে না।
প্রতি চার বছরে একবার প্রকাশিত এই দলিলে বলা হয়েছে, আমেরিকার নিজ ভূখণ্ড এবং পশ্চিম গোলার্ধের নিরাপত্তাই এখন প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রধান বিবেচ্য বিষয়। এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ওয়াশিংটন দীর্ঘকাল ধরে আমেরিকানদের ‘প্রকৃত স্বার্থ’ উপেক্ষা করে এসেছে।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক এই দলিল স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী ও পূর্ববর্তী প্রশাসনগুলোর উচ্চাভিলাষী কৌশল থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
২০২২ সালের ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স স্ট্র্যাটেজি’-তে চীনের সৃষ্ট ‘মাল্টি-ডোমেইন থ্রেট’ বা বহুমুখী হুমকিকে শীর্ষ প্রতিরক্ষা অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তার আগে ২০১৮ সালের দলিলে চীন ও রাশিয়ার মতো ‘রিভিশনিস্ট পাওয়ার’ বা সংশোধনবাদী শক্তিগুলোকে মার্কিন নিরাপত্তার জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল।
আমেরিকার নতুন প্রতিরক্ষা কৌশলপত্রে চীনের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সংঘাত নয়, বরং শক্তির মাধ্যমে অগ্রসর হওয়ার কথা বলা হয়েছে। দলিলে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দেশটির লক্ষ্য চীনকে শাসন করা নয়; কিংবা তাদের শ্বাসরোধ করা বা অপমান করাও নয়।
প্রতিরক্ষা কৌশলের পূর্ববর্তী সংস্করণগুলোর মতো এবার তাইওয়ানের কোনো উল্লেখ নেই। তবে দলিলে লেখা হয়েছে যে, আমেরিকার লক্ষ্য হলো চীনসহ কাউকেই নিজেদের বা তাদের মিত্রদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে না দেওয়া।
তবে, নতুন কৌশলপত্রে ‘গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড’ হিসেবে পানামা খাল, গালফ অফ আমেরিকা এবং গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক ও বাণিজ্যিক প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার ব্যাপারে বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে।

পেন্টাগনের নতুন ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স স্ট্র্যাটেজি’ অনুযায়ী, চীন এখন আর আমেরিকার প্রধান নিরাপত্তা অগ্রাধিকার নয়। মানে দেশটি চীনকে আর নিজেদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে না।
প্রতি চার বছরে একবার প্রকাশিত এই দলিলে বলা হয়েছে, আমেরিকার নিজ ভূখণ্ড এবং পশ্চিম গোলার্ধের নিরাপত্তাই এখন প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রধান বিবেচ্য বিষয়। এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ওয়াশিংটন দীর্ঘকাল ধরে আমেরিকানদের ‘প্রকৃত স্বার্থ’ উপেক্ষা করে এসেছে।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক এই দলিল স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী ও পূর্ববর্তী প্রশাসনগুলোর উচ্চাভিলাষী কৌশল থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
২০২২ সালের ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স স্ট্র্যাটেজি’-তে চীনের সৃষ্ট ‘মাল্টি-ডোমেইন থ্রেট’ বা বহুমুখী হুমকিকে শীর্ষ প্রতিরক্ষা অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তার আগে ২০১৮ সালের দলিলে চীন ও রাশিয়ার মতো ‘রিভিশনিস্ট পাওয়ার’ বা সংশোধনবাদী শক্তিগুলোকে মার্কিন নিরাপত্তার জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল।
আমেরিকার নতুন প্রতিরক্ষা কৌশলপত্রে চীনের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সংঘাত নয়, বরং শক্তির মাধ্যমে অগ্রসর হওয়ার কথা বলা হয়েছে। দলিলে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দেশটির লক্ষ্য চীনকে শাসন করা নয়; কিংবা তাদের শ্বাসরোধ করা বা অপমান করাও নয়।
প্রতিরক্ষা কৌশলের পূর্ববর্তী সংস্করণগুলোর মতো এবার তাইওয়ানের কোনো উল্লেখ নেই। তবে দলিলে লেখা হয়েছে যে, আমেরিকার লক্ষ্য হলো চীনসহ কাউকেই নিজেদের বা তাদের মিত্রদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে না দেওয়া।
তবে, নতুন কৌশলপত্রে ‘গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড’ হিসেবে পানামা খাল, গালফ অফ আমেরিকা এবং গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক ও বাণিজ্যিক প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার ব্যাপারে বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে।