
পুলিশ জানায়, মরদেহটি কয়েকদিন ধরে পানিতে থাকায় শরীরে পচন ধরেছে। এ কারণে সিআইডির মাধ্যমে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

এ ঘটনায় ৫ জানুয়ারি পাঁচলাইশ মডেল থানায় মামলা করা হয়। মামলার পর ডিবি (উত্তর) ও পাঁচলাইশ থানা পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান শুরু করে।

চাঁদপুরের হরিনা এলাকায় মেঘনা নদীতে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।