
বাইবেল অনুযায়ী, ক্রুশবিদ্ধ যিশুর মরদেহ একটি চাদরে মুড়ে গুহার মতো কবরে রাখা হয়, খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, সেই চাদরটি এখনো টিকে আছে। আর তা আছে ইতালির উত্তরাঞ্চলের শহর তুরিনের সেন্ট জন ব্যাপটিস্ট ক্যাথেড্রালে। সারা বিশ্বে সেই লিনেনের চাদরটি ‘শ্রাউড অব তুরিন’ বা তুরিনের কাফন হিসেবে পরিচিত।

আরএসএসের উত্থান এবং ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তারা বলছে, আরএসএস-এর রাজনৈতিক আধিপত্য ১৪০ কোটি মানুষের দেশ ভারতকে ধর্মীয়ভাবে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি বিভক্ত করেছে।

ইতালীয় আলোকচিত্রী সেকুন্দো পিয়ার জন্ম ১৮৫৫ সনে। তিনি আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও আলোকচিত্রী। তবে আলোকচিত্রী হিসেবেই সবাই তাকে চেনে। অসংখ্য ছবি তুলে নয়, একটি মাত্র ছবির জন্য তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। যিশু খ্রিস্টের মরদেহ যে কথিত কাফন দিয়ে মোড়ানো হয়েছিল তার প্রথম ছবি তুলেছিলেন তিনি। ধর্ম নয়, তিনি বিজ্ঞান ও

ভারতে সাংবিধানিক সুরক্ষা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটির খ্রিস্টানদের জীবনে এক ধরনের অস্থিরতা ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ধর্মীয় উৎসবগুলোর সময়, যখন আনন্দ ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে পড়ার কথা, ঠিক তখনই একদল উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর কারণে সংখ্যালঘু এই সম্প্রদায়ের ওপ

বিশ্বজুড়ে এই যে বড়দিন পালনের এই যে ধুম, তা সেই যিশুর আসলে কতটুকু প্রতিনিধিত্ব করে, যে যিশু জন্মেছিলেন বেথলেহেমে, যা আজকের ফিলিস্তিন? বেথলেহেমের ধর্মীয় কাহিনির সঙ্গে আজকের দখলদারত্ব, সহিংসতা ও বাস্তুচ্যুত মানুষের জীবনের গভীর সাযুজ্য তুলে ধরা হয়েছে।

টানা দুই বছরের বিধ্বংসী যুদ্ধ শেষে এ বছর গাজায় একটু ভিন্নভাবে পালিত হচ্ছে খ্রিস্টানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। সেখানে উৎসবের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। তবুও ধ্বংসস্তূপের মাঝে দাঁড়িয়ে শান্তিময় পরিবেশের প্রার্থনা করলো গাজাবাসী।

বড়দিন উপলক্ষে রাজধানীর দুই পাঁচ তারকা হোটেল—প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ও ইন্টারকন্টিনেন্টালে নানা আয়োজন।

প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে খ্রিষ্টান অধ্যুষিত বিশ্বের এক বিশাল অংশ একটি পরিচিত উৎসবের আবহে প্রবেশ করে। এর অবিচ্ছেদ্য অংশ বড়দিনের গান, আলোকসজ্জা, সাজানো গাছ, কেনাকাটার তোড়জোড় ও স্নিগ্ধ তুষারভেজা রাত। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের ডিসকোর্সে প্রায়ই ‘পাশ্চাত্য খ্রিষ্টীয় মূল্যবোধ’এমনকি ‘ইহুদি–খ্রিষ্টান সভ্যতা’র ম

সমাজে মানুষের একে অপরের ওপর এই ভরসা রাখার বিষয়টি অত্যন্ত গভীর প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে আমেরিকাতে দেখা গেছে, যারা অন্যদের বিশ্বাস করেন, বিপদের সময় প্রতিবেশী বা বন্ধুদের সাহায্য করার ক্ষেত্রে তাদের এগিয়ে আসার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

দরজায় কড়া নাড়ছে বড়দিন। এর আগে উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে ‘বাতাসের শহর’ হিসেবে খ্যাত শিকাগো। বড়দিনের আলোকসজ্জা আর ক্রিসমাস ট্রিতে সেজে উঠেছে পুরো শহর। দেখলে মনে হয় কোনো স্নো গ্লোব থেকে বেরিয়ে আসা এক বাস্তব দৃশ্য।