মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ভয়াবহ যুদ্ধে ইরানে শিশুদের প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। তেহরানের মোফিদ শিশু হাসপাতালে আইসিইউ সংকটের পাশাপাশি জরুরি বিভাগেই বহু শিশু মৃত্যু হচ্ছে। রেড ক্রসের তথ্যমতে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ১৯০০ জন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় পরিচালিত সাম্প্রতিক এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই বিভাগে সন্দেহভাজন রোগীদের নমুনার প্রায় ২৯ শতাংশই হাম পজিটিভ।

ডা. শাওন জানান, গত শুক্রবার উত্তরা থেকে নারী ও শিশুসহ মোট ১০ জন দগ্ধ অবস্থায় বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে আনা হয়।

আইন-শৃঙ্খলা, বিচার বিভাগে স্বাধীনতা এবং দ্রুত বিচার ব্যবস্থার সংস্কারের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। গণভোটে “হ্যাঁ” ভোট দিয়ে এসব সংস্কারকে স্থায়ী করার আহ্বানও জানান এই উপদেষ্টা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধ যুবকের শরীরের প্রায় ৩৫ শতাংশ অংশ পুড়ে গেছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে।