সোহরাব হাসান

মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ায় বিএনপির সামনে যে দুটি প্রশ্ন এসেছে, তা হলো পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনটি কবে হবে এবং কেমন করে হবে? জাতীয় সংসদ সংবিধান সংশোধনে ১৭ সদস্যের যে কমিটি গঠন করেছে, বিরোধী দল তার বিরোধিতা করেছে। তারা মনে করেন, সংবিধান সশোধন নয়, সংস্কার করতে হবে। সরকারি দল আহ্বান জানানো সত্ত্বেও তারা কোনো নাম দেয়নি।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সোৎসাহে ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ ২০২৫ সই হয়, যেখানে সব রাজনৈতিক দল রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করে। আবার কিছু বিষয়ে তাদের ভিন্নমতের কথাও জানায়। সহমত ও ভিন্নমত নিয়ে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিয়ে এখন ক্ষমতাসীন বিএনপি ও বিরোধী দল জামায়াত-এনসিপি মুখোমুখি।
আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। এর আগে স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সে ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে আশা করা যায়।
কিন্তু সংবিধান সংশোধন বা সংস্কার নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে যে বিরোধ চলছে, তার সমাধান কী করে হবে। জুলাই সনদে কিছু বিষয়ে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানো হলে সবাই একমত হয়নি। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন বিএনটির যুক্তি হলো যে বিষয়ে আমরা জুলাই সনদে একমত হয়েছি, সেটা আমরা বাস্তবায়নে দঢ়প্রতিজ্ঞ। কিন্তু যে বিষয়ে একমত হইনি, সেটা বাস্তবায়নে আমরা সায় দিতে পারি না।
জুলাই সনদে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন বিষয়ে বলা হয়: এই নির্বাচন হবে আইনসভার উভয় কক্ষের (নিম্ন ও উচ্চকক্ষ) সদস্যদের গোপন ভোটে। এ বিষয়ে ২৮টি দল ও জোট একমত হলেও ইসলামী আন্দোলন আপত্তি জানিয়েছে। রাষ্ট্রপাতির ক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব ছিল: সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮(৩) সংশোধনীর প্রস্তাব করে কারও পরামর্শ ও সুপারিশ ছাড়াই নিজ এখতিয়ারবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নলিখিত পদে নিয়োগ করতে পারবেন: ১. জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ, ২. বাংলাদেশ তথ্য কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ, ৩.বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ ৪. আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ ৫. বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ৬. এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ (এর মধ্যে উল্লিখিত ৫ ও ৬ ক্রমিকে বিএনপি আপত্তি জানিয়েছে)। অর্থাৎ তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন গঠনের একক কর্তৃত্ব রাষ্ট্রপতির হাতে দিতে চান না। সংসদীয় গণতন্ত্রে রাষ্ট্রপতির এ রকম নির্বাহী ক্ষমতা থাকা সমীচীন নয় বলেও কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করেন। প্রধানমন্ত্রী এসব দায়িত্ব পেলে যদি স্বৈরাচারী হয়ে যান, রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রেও তা হতে পারে।
বিএনপির বলেছে, জনগণ তাদের নির্বাচনী ইশততেহার বা কর্মসূচির ভিত্তিতেই জনগণ তাদের নির্বাচিত করেছে। জনগণের রায়ের বাইরে তারা যেতে পারেন না। বিরোধী দলের বক্তব্য হলো, বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন দল আপত্তি জানিয়েছে। সবার আপত্তি আমলে নিলে তো রাষ্ট্রের কোনো সংস্কার হবে না। বিএনপি যে অবস্থান নিয়েছে, তা গণভোটের রায়ের সঙ্গে প্রতারণা।
এই যুযুধান পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার পথ কি? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উভয় পক্ষকে আলোচনা করে একটি বোঝাপড়ায় আসতে হবে। কোনো পক্ষ অনড় অবস্থান নিয়ে থাকলে সংবিধান সংস্কার বা সংশোধন কোনোটাই হবে না। এই আলোচনা সংসদের ভেতরে ও বাইরে হতে পারে।
বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা অবশ্য বলেছেন, তারা বিষয়টি নিয়ে সংসদের বাইরে আইনজীবী, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও কথা বলতে চান। কিন্তু সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখলে জনমনে হতাশা তৈরি হবে। রাজনীতি উত্তপ্ত হতে পারে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন তথা রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিতে বিরোধী দলে রাজপথের আন্দোলনও অব্যাহত রেখেছে।
সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের অবস্থান দেখে মনে হচ্ছে, তারা কেউ কারও অবস্থান থেকে সরে আসতে রাজি নয়। সংসদে সরকারি দলের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বিরোধী দলের সমর্থন ছাড়াই যে কোনো আইন পাস করতে পারবে।

বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কিছুটা সময় নিয়ে করার পেছনে সংবিধান সংশোধনের বিষয়টিও রয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে সংবিধানের অষ্টাদশ সংশোধনী বিল আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। সেখানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্যসহ জুলাই জাতীয় সনদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব যুক্ত হতে পারে। কিন্তু সেসব প্রস্তাবে বিরোধী দল সায় না দিলে সমস্যা থেকেই যাবে।
দ্বিতীয় প্রশ্ন হলো, কে হবেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হবেন? বিষয়টি পুরোপুরি বিএনপি নেতৃত্বের এখতিয়ার। ওই দলের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা বলেছেন, স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা করে নাম ঠিক হবে। ইতিমধ্যে যাদের নাম আসছে, তারা সবই স্থায়ী কমিটির সদস্য। দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের মন্ত্রিসভায় নেওয়ায় সাংগঠনিকভাবে দল কিছুটা ঝুঁকিতে পড়েছে। সংবাদমাধ্যমে বিএনপি জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, নজরুল ইসলাম খান, খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও মইন খানের নাম এসেছে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে। এর বাইরে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজউদ্দিন আহমদের কথাও বলছেন কেউ কেউ। বিএনপির একজন কেন্দ্রীয় নেতা এ প্রসঙ্গে বললেন, ‘যে নামগুলো সংবাদমাধ্যমে বেশি বেশি আসছে তার বাইরে থেকেও কাউকে রাষ্ট্রপতি করা হতে পারে।’
সোহরাব হাসান: সম্পাদক, চরচা।

মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ায় বিএনপির সামনে যে দুটি প্রশ্ন এসেছে, তা হলো পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনটি কবে হবে এবং কেমন করে হবে? জাতীয় সংসদ সংবিধান সংশোধনে ১৭ সদস্যের যে কমিটি গঠন করেছে, বিরোধী দল তার বিরোধিতা করেছে। তারা মনে করেন, সংবিধান সশোধন নয়, সংস্কার করতে হবে। সরকারি দল আহ্বান জানানো সত্ত্বেও তারা কোনো নাম দেয়নি।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সোৎসাহে ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ ২০২৫ সই হয়, যেখানে সব রাজনৈতিক দল রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করে। আবার কিছু বিষয়ে তাদের ভিন্নমতের কথাও জানায়। সহমত ও ভিন্নমত নিয়ে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিয়ে এখন ক্ষমতাসীন বিএনপি ও বিরোধী দল জামায়াত-এনসিপি মুখোমুখি।
আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। এর আগে স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সে ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে আশা করা যায়।
কিন্তু সংবিধান সংশোধন বা সংস্কার নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে যে বিরোধ চলছে, তার সমাধান কী করে হবে। জুলাই সনদে কিছু বিষয়ে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানো হলে সবাই একমত হয়নি। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন বিএনটির যুক্তি হলো যে বিষয়ে আমরা জুলাই সনদে একমত হয়েছি, সেটা আমরা বাস্তবায়নে দঢ়প্রতিজ্ঞ। কিন্তু যে বিষয়ে একমত হইনি, সেটা বাস্তবায়নে আমরা সায় দিতে পারি না।
জুলাই সনদে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন বিষয়ে বলা হয়: এই নির্বাচন হবে আইনসভার উভয় কক্ষের (নিম্ন ও উচ্চকক্ষ) সদস্যদের গোপন ভোটে। এ বিষয়ে ২৮টি দল ও জোট একমত হলেও ইসলামী আন্দোলন আপত্তি জানিয়েছে। রাষ্ট্রপাতির ক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব ছিল: সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮(৩) সংশোধনীর প্রস্তাব করে কারও পরামর্শ ও সুপারিশ ছাড়াই নিজ এখতিয়ারবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নলিখিত পদে নিয়োগ করতে পারবেন: ১. জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ, ২. বাংলাদেশ তথ্য কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ, ৩.বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ ৪. আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ ৫. বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ৬. এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ (এর মধ্যে উল্লিখিত ৫ ও ৬ ক্রমিকে বিএনপি আপত্তি জানিয়েছে)। অর্থাৎ তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন গঠনের একক কর্তৃত্ব রাষ্ট্রপতির হাতে দিতে চান না। সংসদীয় গণতন্ত্রে রাষ্ট্রপতির এ রকম নির্বাহী ক্ষমতা থাকা সমীচীন নয় বলেও কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করেন। প্রধানমন্ত্রী এসব দায়িত্ব পেলে যদি স্বৈরাচারী হয়ে যান, রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রেও তা হতে পারে।
বিএনপির বলেছে, জনগণ তাদের নির্বাচনী ইশততেহার বা কর্মসূচির ভিত্তিতেই জনগণ তাদের নির্বাচিত করেছে। জনগণের রায়ের বাইরে তারা যেতে পারেন না। বিরোধী দলের বক্তব্য হলো, বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন দল আপত্তি জানিয়েছে। সবার আপত্তি আমলে নিলে তো রাষ্ট্রের কোনো সংস্কার হবে না। বিএনপি যে অবস্থান নিয়েছে, তা গণভোটের রায়ের সঙ্গে প্রতারণা।
এই যুযুধান পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার পথ কি? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উভয় পক্ষকে আলোচনা করে একটি বোঝাপড়ায় আসতে হবে। কোনো পক্ষ অনড় অবস্থান নিয়ে থাকলে সংবিধান সংস্কার বা সংশোধন কোনোটাই হবে না। এই আলোচনা সংসদের ভেতরে ও বাইরে হতে পারে।
বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা অবশ্য বলেছেন, তারা বিষয়টি নিয়ে সংসদের বাইরে আইনজীবী, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও কথা বলতে চান। কিন্তু সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখলে জনমনে হতাশা তৈরি হবে। রাজনীতি উত্তপ্ত হতে পারে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন তথা রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিতে বিরোধী দলে রাজপথের আন্দোলনও অব্যাহত রেখেছে।
সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের অবস্থান দেখে মনে হচ্ছে, তারা কেউ কারও অবস্থান থেকে সরে আসতে রাজি নয়। সংসদে সরকারি দলের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বিরোধী দলের সমর্থন ছাড়াই যে কোনো আইন পাস করতে পারবে।

বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কিছুটা সময় নিয়ে করার পেছনে সংবিধান সংশোধনের বিষয়টিও রয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে সংবিধানের অষ্টাদশ সংশোধনী বিল আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। সেখানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্যসহ জুলাই জাতীয় সনদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব যুক্ত হতে পারে। কিন্তু সেসব প্রস্তাবে বিরোধী দল সায় না দিলে সমস্যা থেকেই যাবে।
দ্বিতীয় প্রশ্ন হলো, কে হবেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হবেন? বিষয়টি পুরোপুরি বিএনপি নেতৃত্বের এখতিয়ার। ওই দলের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা বলেছেন, স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা করে নাম ঠিক হবে। ইতিমধ্যে যাদের নাম আসছে, তারা সবই স্থায়ী কমিটির সদস্য। দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের মন্ত্রিসভায় নেওয়ায় সাংগঠনিকভাবে দল কিছুটা ঝুঁকিতে পড়েছে। সংবাদমাধ্যমে বিএনপি জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, নজরুল ইসলাম খান, খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও মইন খানের নাম এসেছে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে। এর বাইরে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজউদ্দিন আহমদের কথাও বলছেন কেউ কেউ। বিএনপির একজন কেন্দ্রীয় নেতা এ প্রসঙ্গে বললেন, ‘যে নামগুলো সংবাদমাধ্যমে বেশি বেশি আসছে তার বাইরে থেকেও কাউকে রাষ্ট্রপতি করা হতে পারে।’
সোহরাব হাসান: সম্পাদক, চরচা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) ক্যাফেটেরিয়ায় নারী শিক্ষার্থীদের জন্য পর্দাঘেরা স্থান চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন মেনুও উদ্বোধন করা হয়েছে। কিন্তু নতুন মেনুকার্ড পড়ে গেছে পর্দার আড়ালে। সেই কার্ডে কী আছে–তাও এমনকি অজানা। শুধু ডাকসু কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ বলে

ধর্মেন্দ্র প্রধানের মূল অপরাধ বা ব্যর্থতা এটি ছিল না যে, তিনি সরকারের নির্দেশমতো কাজ করতে পারেননি। বরং বাস্তবতা হলো তিনি প্রধানমন্ত্রীর চাওয়া অনুযায়ী সবকিছুই নিখুঁতভাবে ডেলিভারি করেছিলেন। আর তা হলো ভারতের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার ওপর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সম্পূর্ণ ও একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান আমাদের জীবনস্মৃতিতে একটা বড় স্থান নিয়ে থাকবে আজীবন। গণঅভ্যুত্থান দেখতে ও তাতে অংশগ্রহণ করতে সকলে পারে না। আমাদের সে সুযোগ হয়েছিল। এই আন্দোলনের প্রধান কারিগর ছিল জনগণ। এত ব্যাপক ও বিচিত্র ধরণের জনসম্পৃক্ততা আর এত বড় সংখ্যায় প্রাণহানি স্বাধীনতা পরবর্তীকালের বাংলাদেশে কখনো দেখা যা