Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা

তামাক নিয়ন্ত্রণে কঠোর সরকার, ই-সিগারেটে ‘নীরব’ কেন?

কেরি কালিনান

কেরি কালিনান

প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১৫: ৪২
তামাক নিয়ন্ত্রণে কঠোর সরকার, ই-সিগারেটে ‘নীরব’ কেন?

বাংলাদেশের নতুন সরকার সংসদে এমন এক তামাকবিরোধী আইন পাস করেছে। এই আইনে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, বিনোদন প্লাটফর্ম ও বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন, প্রচার ও প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এছাড়াও এই ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশে ২০২৫ তামাকজাত পণ্যের ব্র্যান্ড নাম, লোগো বা ট্রেডমার্ক ব্যবহার করে করপোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি ইনিশিয়েটিভ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

নতুন এই আইন অনুযায়ী, এখন থেকে সিগারেটের প্যাকেটের উপরিভাগের অন্তত ৭৫ শতাংশ জুড়ে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী থাকতে হবে। পাশাপাশি প্যাকেটে তামাক ছাড়ার জন্য জাতীয় সহায়তা কেন্দ্রের (কুইট লাইন) নম্বর অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

আইনটিতে পাবলিক প্লেসে ধূমপানমুক্ত এলাকার পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া স্কুল, হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং খেলার মাঠের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত পণ্য বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার যে আইনগুলো পাস করা শুরু করে সেগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার দল আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের কাছ থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করে।

আইনটিতে পাবলিক প্লেসে ধূমপানমুক্ত এলাকার পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে। ছবি: রয়টার্স
আইনটিতে পাবলিক প্লেসে ধূমপানমুক্ত এলাকার পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে। ছবি: রয়টার্স

বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের হার বেশ উদ্বেগজনক। পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশের প্রায় ২৫ শতাংশ পুরুষ ধূমপান করেন, যা সংখ্যায় ২ কোটির বেশি।

টোব্যাকো অ্যাটলাসের তথ্যমতে, ২০২৩ সালে বাংলাদেশে পুরুষদের মোট মৃত্যুর প্রায় এক-চতুর্থাংশ এবং নারীদের মৃত্যুর ১০ শতাংশের জন্য দায়ী ছিল তামাক। সব মিলিয়ে বছরে প্রায় ২ লাখ মানুষ তামাকজনিত কারণে প্রাণ হারান।

স্বাস্থ্যখাতের ওপর এই বিশাল বোঝার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণও নেহাত কম নয়। বাংলাদেশে ধূমপানজনিত অসুস্থতার কারণে বার্ষিক ব্যয়ের পরিমাণ আনুমানিক ৭৩০.৬৩ বিলিয়ন টাকা।

ভেপ বা ই-সিগারেট থাকবে আওতামুক্ত

নতুন এই আইনের আওতায় ভেপ (ই-সিগারেট), হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্ট, ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম এবং নিকোটিন পাউচের মতো আধুনিক তামাক ও নিকোটিন পণ্যগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। টোব্যাকো অ্যাটলাসের তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ২৫ শতাংশ মানুষ ধোঁয়াবিহীন তামাকজাত পণ্য ব্যবহার করা সত্ত্বেও এই পণ্যগুলো আইনের বাইরে রয়ে গেছে।

ভেপ বা ই-সিগারেট থাকছে আওতামুক্ত। ছবি: রয়টার্স
ভেপ বা ই-সিগারেট থাকছে আওতামুক্ত। ছবি: রয়টার্স

এই আইনকে স্বাগত জানিয়ে ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিসের তামাক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট গান কুয়ান এর দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ, যা লাখো মানুষের জীবন বাঁচাতে এবং অর্থনৈতিক সুফল বয়ে আনতে সহায়ক হবে। সরকারি সংস্থা, সুশীল সমাজ এবং জনস্বাস্থ্য অংশীদারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমাদের এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। পাশাপাশি তামাকের ক্ষতিকর দিকগুলো নিয়ে জনসচেতনতা চালিয়ে যেতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “তামাক কোম্পানিগুলো যাতে এই আইনকে বাধাগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে না পারে, সে বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে তরুণদের লক্ষ্য করে বাজারজাত করা নতুন ধরনের তামাক ও নিকোটিন পণ্যের নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা আরও শক্তিশালী করা জরুরি।”

ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো-ফ্রি কিডস-এর নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট স্মিতা বড়ুয়া বলেন, এই নতুন পদক্ষেপগুলো তামাক ব্যবহারের হার কমিয়ে আনবে, জীবন বাঁচাবে এবং শিশুদের তামাকের নেশা থেকে রক্ষা করবে। তিনি আরও বলেন, “তামাক কোম্পানিগুলো জানে যে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আইন ধূমপান বন্ধে এবং তরুণদের ধূমপানে নিরুৎসাহিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তাই তারা এ ধরনের জীবন রক্ষাকারী আইনকে বাধাগ্রস্ত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালায়। বিশ্বের বড় তামাক কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়িক স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়েই এই পদক্ষেপগুলোকে রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।”

লেখক: কেরি কালিনান জেনেভা-ভিত্তিক স্বতন্ত্র সংবাদ সংস্থা ‘হেলথ পলিসি ওয়াচ’-এর ডেপুটি এডিটর।

(লেখাটি হেলথ পলিসি ওয়াচ থেকে নেওয়া)

বিষয়: ধূমপানসরকারসিগারেটআইনসংসদতামাক
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া