Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা
পর্ব–৪

পুতিনকে এড়াতে পারেন না মাখোঁ, স্ট্যারমাররা

অধ্যাপক জেফরি স্যাকস

অধ্যাপক জেফরি স্যাকস

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২: ১৭
পুতিনকে এড়াতে পারেন না মাখোঁ, স্ট্যারমাররা

ইউরোপে সবচেয়ে হতাশাজনক বিষয়টি হলো, ঈশ্বরের দোহাই, অন্য পক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন না। এটি হয়তো কিছুটা বিরক্তিকর হতে পারে। তাই আমরা এমন এক দৃশ্য দেখছি যেখানে স্টারমার, মেরৎজ, মাখোঁর মতো প্রাপ্তবয়স্ক মানুষেরাও প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে আলোচনা করতে রাজি নন। কোনো আলাপ, কোনো ধারণা, কোনো সৎ বিনিময় নয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এটি একটি ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু এটি এতটাই অজ্ঞতাপূর্ণ যে বিশ্বাস করা কঠিন। স্নায়ুযুদ্ধ এবং তার বাস্তবতা সম্পর্কে এটি সত্যিই অবিশ্বাস্য। ইতিহাসবিদ জেফ রবার্টস সম্প্রতি আমাকে অর্থনীতিবিদ জোয়ান রবিনসনের একটি নিবন্ধ দিয়েছেন। তিনি তখন বলেছিলেন, যদি রুশ আধিপত্য বিস্তারের পুরো ভিত্তিটাই ভুল হয়, তাহলে আমাদের পুরো নীতিই অর্থহীন। আমি সেই নিবন্ধটি পড়িনি, তবে পড়ার অপেক্ষায় আছি।

জেফ রবার্টস সম্প্রতি সোভিয়েত-ফিনিশ যুদ্ধ নিয়েও একটি চমৎকার নিবন্ধ লিখেছেন। তিনি আরেকটি মৌলিক বিষয় তুলে ধরেছেন, যা মানুষ সম্ভবত জানবে না, যদি না তারা গভীর মনোযোগ দেয়। ১৯৩৯ সালে একটি বিখ্যাত বা কুখ্যাত ‘মলোটোভ-রিবেনট্রপ’ চুক্তি হয়েছিল, যেখানে আপাতদৃষ্টিতে জার্মানি ও সোভিয়েত ইউনিয়ন পোল্যান্ডকে ভাগ করে নেয়। আমাদের ও আমাকে শেখানো হয়েছিল যে, এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের লোভ ও সম্প্রসারণবাদের প্রমাণ এবং স্নায়ুযুদ্ধের মূল কারণ এটাই। এটি আসলে হিটলার ও স্তালিনের পোল্যান্ডকে গ্রাস করার একটি যৌথ চুক্তি ছিল এবং ফিনল্যান্ডের সঙ্গে সোভিয়েতের যুদ্ধের ক্ষেত্রেও একই কথা বলা হয়েছিল।

কিন্তু আপনি যদি এই বিষয়ে আরও গভীরভাবে খোঁজ করেন, তাহলে দেখবেন যে, পুরো গল্পটি উল্টো। বাস্তবতা ছিল এমন কিছু, যা পশ্চিমা বিশ্ব এবং আমাদের মতো ছাত্ররা কখনো শিখতে পারতাম না। ১৯৩০-এর দশকের শেষের দিকে স্তালিন বরং মরিয়া হয়ে হিটলারের বিরুদ্ধে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের সঙ্গে একটি জোট গঠনের চেষ্টা করছিলেন। কারণ তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে হিটলার তার দেশ আক্রমণ করতে যাচ্ছে। হিটলারই শান্তির জন্য একটি সম্প্রসারণবাদী হুমকি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কিন্তু ১৯৩৯ সালে ব্রিটিশ ও ফরাসিরা স্তালিনকে প্রত্যাখ্যান করে। এর ফলে তিনি মরিয়া হয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নকে রক্ষা করার জন্য একটি সুরক্ষা বলয় তৈরির চেষ্টা করেন, যা ফিনল্যান্ড ও পোল্যান্ড উভয় দিকেই ছিল। কারণ তিনি জানতেন যে একটি জার্মান আক্রমণ আসছে। আমরা অর্থাৎ রুশরা এবং পশ্চিমা বিশ্ব, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে প্রতিরোধ করার সুযোগ হারিয়েছিলাম। কারণ রাশিয়ার প্রতি ঘৃণা এতটাই বেশি ছিল যে ব্রিটিশ অভিজাতদের অনেকেই মনে করতেন ‘বলশেভিজমের’ চেয়ে ‘হিটলারিজম’ ভালো।

আমরা সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিটি পদক্ষেপকে সবচেয়ে বেশি পশ্চিমা-বিরোধী হিসেবে ব্যাখ্যা করি, কারণ আমরা সত্যের দিকে তাকাতে ভয় পাই। সত্য হলো, আমরা (পশ্চিমারা) মূলত রাশিয়ার সঙ্গে জোট করার একটি সুযোগ প্রত্যাখ্যান করেছিলাম। আর ফিনল্যান্ডের ক্ষেত্রে, স্তালিন জানতেন যে জার্মানরা বাল্টিক রাষ্ট্র এবং ফিনল্যান্ডের মধ্য দিয়ে আসবে এবং পরে লেনিনগ্রাদ অবরোধে ঠিক সেটাই ঘটেছিল। এখানে লাখ লাখ মানুষ অনাহারে মারা যায়। স্তালিন এই বিষয়টি বুঝেছিলেন এবং লেনিনগ্রাদকে (বর্তমান সেন্ট পিটার্সবার্গ) রক্ষা করার জন্য সোভিয়েত সৈন্যদের সেখানে স্থানান্তরিত করা বা কিছু ভূমি পরিবর্তনের অনুমতি চেয়েছিলেন। কিন্তু ফিনল্যান্ড তাকে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছিল। আর এটাই ছিল পরবর্তীতে যা ঘটেছিল তার মূল কারণ।

সুতরাং, আমরা অন্য কোনো দৃষ্টিকোণ থেকে কোনো কিছু দেখতেও চাই না। এর একটি নাম আছে, যাকে বলা হয় ‘সিকিউরিটি ডিলেমা’ বা ‘নিরাপত্তা সংকট’, যা তাদের জন্য যারা এই বিষয়গুলো নিয়ে গবেষণা করতে চান। এর অর্থ হলো, আপনি অন্য পক্ষের সবচেয়ে খারাপ ব্যাখ্যাটি গ্রহণ করেন। আমার এক প্রয়াত সহকর্মী, কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রবার্ট জার্ভিস নামের একজন সত্যিই বুদ্ধিমান ও ভদ্র মানুষ এ বিষয়ে চমৎকার লিখেছিলেন। মূল ধারণাটি হলো, আপনি অন্য পক্ষের সবকিছুকে সবচেয়ে নেতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করেন, যা আংশিকভাবে আপনার নিজের প্রচারের জন্য এবং আংশিকভাবে আপনার অজ্ঞতা ও মনস্তাত্ত্বিক প্রতিক্রিয়ার কারণে ঘটে।

এই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার উপায় হলো আসলে অন্য পক্ষের সঙ্গে কথা বলা। তাদের উদ্দেশ্য বোঝার চেষ্টা করা এবং একটি আপস মীমাংসার পথ খোঁজা। আরেকটি বিষয় যোগ করতে চাই, এ জে পি টেলরও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগের সেই পুরো সোভিয়েত কূটনীতির সময়কাল নিয়ে খুব আকর্ষণীয় লেখা লিখেছেন। অবশ্য জেফ রবার্টসও তা করেছেন।

**চলবে...

বিষয়: রাশিয়াআন্তর্জাতিকফ্রান্সইমানুয়েল মাখোঁমতামতআলোচনাভ্লাদিমির পুতিন
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া