Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা

শেখ হাসিনার আসল উদ্দেশ্য কী, তা এখনো একটি বড় রহস্য

মাইকেল কুগেলম্যান

মাইকেল কুগেলম্যান

প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২৬, ১৬: ৪৯
শেখ হাসিনার আসল উদ্দেশ্য কী, তা এখনো একটি বড় রহস্য

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত সপ্তাহে রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে, তিনি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতাকর্মীদের সাথে দেশে ফেরার এবং স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনা করছেন। ২০২৪ সালের আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানের মুখে তার সরকারের পতনের পর থেকে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গত বছরের নভেম্বরে, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়নের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনাকে অনুপস্থিতিতে (ইন অ্যাবসেন্সিয়া) মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে। তবে এই অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনার নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছিল, যার ফলে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়।

হাসিনা বলেছেন, “দেশে ফিরলে তারা আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি হত্যাও করতে পারে। তবুও আমাকে যেতে হবে। ... যদি মৃত্যু আসেই, আমি চাই তা যেন আমার নিজের মাটিতেই আসে।”

হাসিনা এর আগেও চলতি বছরের কোনো এক সময়ে বাংলাদেশে ফেরার কথা বলেছিলেন। তবে এই প্রথম তিনি একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করলেন। এর পেছনে কিছু সম্ভাব্য কারণ থাকতে পারে। যার একটি হলো—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গত ফেব্রুয়ারিতে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তার রাজনৈতিক ভাগ্য কিছুটা সুপ্রসন্ন হয়েছে বলে মনে করা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
শেখ হাসিনার ‘ফেরা’: জামায়াত বলছে বিএনপির ষড়যন্ত্র, বিএনপি বলছে ভারতেরgraffiti_art_painting_hasina (4)

আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি একে অপরের ঘোর প্রতিদ্বন্দ্বী। তা ছাড়া, বিএনপির দীর্ঘদিনের নেত্রী ও তারেক রহমানের মা—প্রয়াত খালেদা জিয়ার সঙ্গে হাসিনার দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক বৈরিতা দশকের পর দশক ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করে এসেছে।

তবে, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশ পরিচালনাকারী অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের প্রতি বিশেষভাবে বৈরী অবস্থান নিয়েছিল। (অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত মুহাম্মদ ইউনূসকে হাসিনা একেবারেই পছন্দ করতেন না এবং তাদের দুজনের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ চলত।) ওই সরকার দলটির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করেছিল এবং হাসিনা-পন্থী গণমাধ্যমগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছিল। হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ও এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেই দেওয়া হয়েছিল।

হাসিনার এই ঘোষণার পর স্বাভাবিকভাবেই বিএনপির কর্তাব্যক্তিরা বলেছেন যে, তারা তার প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানাবেন যেন তিনি ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হতে পারেন। (এর আগে অবশ্য সরকার তার বা আওয়ামী লীগের বিষয়ে খুব কমই কথা বলেছিল।) তবে গত মঙ্গলবার তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এক মন্তব্যে জানিয়েছেন যে, আদালত চাইলে এখনও এই রায় পুনর্বিবেচনা করতে পারেন।

হাসিনা নিজেকে একজন ‘শহীদ’ হিসেবে উপস্থাপন করে তার দলের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করার আশাও করতে পারেন। যেমন কারাবরণ করা, জনগণের সহানুভূতি অর্জন করা এবং তাঁর অবশিষ্ট রাজনৈতিক ভিত্তিকে আবার উজ্জীবিত করা। তিনি প্রতীকীভাবে তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ১৬ ডিসেম্বরের সাথে যুক্ত করতে পারেন—যে জাতীয় ছুটির দিনটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের বিজয়কে চিহ্নিত করে।

ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন: নাহিদnahid-sme

ভারতের পক্ষ থেকেও হাসিনার ওপর দেশে ফেরার ব্যাপারে একটা চাপ থাকতে পারে। কারণ নয়াদিল্লি বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক জোড়া লাগানোর ইঙ্গিত দিয়েছে। তা সত্ত্বেও, গত মঙ্গলবার ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, হাসিনার আত্মনির্বাসনের বিষয়ে নয়াদিল্লি তার অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আনেনি; যা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে উত্তেজনার একটি প্রধান উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হাসিনা যদি সত্যিই ফিরে আসেন, তবে সরকার রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা যতটা সম্ভব কমিয়ে আনতে চাইবে। বর্তমান সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন নীতিগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি এবং তারা নতুন কোনো রাজনৈতিক সংকটে জড়াতে একেবারেই আগ্রহী নয়। তবে সরকারকে হাসিনা-বিরোধী মনোভাবের বিষয়টিতেও সতর্ক থাকতে হবে। এটি তরুণ প্রজন্ম এবং প্রধান বিরোধী দলগুলো—যেমন ইসলামপন্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনের নেতাদের দ্বারা গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর মধ্যে এখনো প্রবল।

এর অর্থ হলো, হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতারা দেশে ফিরলে সম্ভবত তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হবেন। তবে এই পরিস্থিতি ঢাকার জন্য একটি বড় পরীক্ষা হবে। বিশেষ করে যদি এমন কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যেখানে তার সমর্থকেরা প্রত্যাবর্তনকে উদযাপনে রাস্তায় নেমে আসেন এবং হাসিনা-বিরোধীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

হাসিনার আসল উদ্দেশ্য কী, তা এখনো একটি বড় রহস্য। যদিও তিনি আশা করতে পারেন যে বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার তার সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের জন্য অপেক্ষাকৃত অনুকূল পরিবেশ তৈরি করবে। আবার এমনও হতে পারে যে তিনি কেবল অবসরে যাওয়ার জন্যই দেশে ফিরতে চান—যেমনটি এর আগে তার ছেলেও উল্লেখ করেছিলেন। ঢাকার দৃষ্টিকোণ থেকে, দ্বিতীয় সম্ভাবনাটিই হয়তো বেশি গ্রহণযোগ্য হবে।

লেখাটি ফরেন পলিসি থেকে অনূদিত

লেখক: দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষক

বিষয়: বিএনপিজাতীয় নাগরিক পার্টিবাংলাদেশমৃত্যুদণ্ডশেখ হাসিনাএনসিপিফাঁসিআওয়ামী লীগগ্রেপ্তারজামায়াতে ইসলামীভারত
সর্বশেষ
  • ১

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ২

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৩

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৪

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

  • ৫

    ‘২৪ ঘণ্টা হল খোলা চাই, এইখানে একটা মিসলিডিং আছে’

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া