Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা
পর্ব-৩

যুক্তরাষ্ট্র একটি পথভ্রষ্ট রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে

হ্যাল ব্র্যান্ডস

হ্যাল ব্র্যান্ডস

প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৬, ১০: ৫১
যুক্তরাষ্ট্র একটি পথভ্রষ্ট রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে

সাম্রাজ্যের এই নতুন যুগে লাতিন আমেরিকায় কোনো ইউরোপীয় বা এশীয় সামরিক ঘাঁটি থাকবে না; ওয়াশিংটনের সমুদ্রপারের সব মিত্রজোট তখন মৃত বা ছিন্নভিন্ন। এটিকে বিশ্বের বিভিন্ন অংশের জন্য একগুচ্ছ ‘মনরো ডকট্রিন’ হিসেবে ভাবা যেতে পারে। ঐতিহাসিকভাবে কিছু প্রভাব বলয় তৈরি হয়েছে অপরাধীদের গোপন চুক্তির মাধ্যমে, যার ক্লাসিক মারাত্মক শক্তি প্রয়োগ করছেন– আর একই সাথে ইউরেশিয়ার সম্মুখভাগের মিত্রদের নিজেদের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে চাপ দিচ্ছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি ট্রাম্পের এই বুড়ো আঙুল দেখানো আসলে ১৯ শতকের মার্কিন সেক্রেটারি অব স্টেট রিচার্ড ওলনির সেই ঘোষণার এক ২১ শতকীয় প্রতিধ্বনি, যেখানে তিনি বলেছিলেন যে ওয়াশিংটন ‘এই মহাদেশে কার্যত সার্বভৌম।’

আমরা এই সম্ভাবনার আভাস পাচ্ছি যে, গোলার্ধীয় আধিপত্য হয়তো একদিন বৈশ্বিক উপস্থিতির পরিপূরক না হয়ে বরং তার স্থান দখল করে নেবে। তবুও ট্রাম্প কোনো সংকীর্ণ গোলার্ধীয় চিন্তাবিদ নন– তিনি একদিকে ডনরো ডকট্রিনের কথা বলেন, আবার অন্যদিকে দূরবর্তী মহাদেশগুলোতে শান্তি চুক্তির জন্য চাপ দেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে চরম উচ্চাকাঙ্ক্ষী যুদ্ধ পরিচালনা করেন।

সম্ভবত এর কারণ তিনি জানেন যে, কঠোরভাবে বিভক্ত প্রভাব বলয়ের বিশ্ব একটি পরাশক্তির জন্য অত্যন্ত মর্যাদাহানিকর এবং পতনের শামিল হবে। এমন বিশ্বে ইউরেশীয় মিত্রদের সাথে কোনো একতরফা সুবিধাজনক বাণিজ্য চুক্তি থাকবে না যারা মার্কিন সুরক্ষার জন্য মরিয়া হয়ে থাকে; জাপান বা জার্মানির ডলারের আধিপত্য বজায় রাখার কোনো কারণ থাকবে না।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

যুক্তরাষ্ট্র যদি পূর্ব এশিয়ার গতিশীল অর্থনীতি, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথ এবং উচ্চ-মূল্যের সাপ্লাই চেইন থেকে ছিটকে পড়ে, তবে এটি নিশ্চিতভাবেই চীনের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সংঘর্ষে জড়াবে। কারণ হন্ডুরাসের বিনিময়ে তাইওয়ান মোটেও ভালো কোনো বাণিজ্য নয়। বৈশ্বিক লিভারেজ বা শক্তি আসে বৈশ্বিক সম্পৃক্ততা থেকেই। এবং একটি বলয়-ভিত্তিক ব্যবস্থা যদি মার্কিন ক্ষমতাকে দুর্বল করে, তবে এটি সেই স্থিতিশীলতাকেও দুর্বল করতে পারে যা এর সমর্থকরা মনেপ্রাণে চায়।

trump-xi-file photo
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং। ফাইল ছবি: রয়টার্স

তাত্ত্বিকভাবে, প্রভাব বলয়গুলো ছোট দেশগুলোর দাসত্বের বিনিময়ে বৃহৎ শক্তিগুলোর মধ্যে শান্তি কিনে নেয়– শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো পৃথিবী ভাগ করে নেয় এবং বিশৃঙ্খল উপাদানগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। এটা সত্যি যে ওয়াশিংটন যদি পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগর ছেড়ে চলে যায় তবে তাইওয়ান নিয়ে মার্কিন-চীন সংঘাত হবে না। কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী শান্তির আশা করা ভুল হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভালো বিকল্প কি চীন-রাশিয়া?US-china-Russia

জটিল পারস্পরিক নির্ভরশীলতার কারণে বলয়গুলোতে এই রূপান্তর হবে অত্যন্ত তিক্ত ও সহিংস। দক্ষিণ আমেরিকায় চীনের ডিজিটাল অনুপ্রবেশ এবং অবকাঠামোগত উপস্থিতি নস্যাৎ করতে আমেরিকার প্রচুর জোরজুলুমের প্রয়োজন হবে। বিপরীতভাবে, পূর্ব এশিয়ায় একটি বলয় তৈরি করা চীনের উচ্চাকাঙ্ক্ষার শেষ নয়, বরং শুরুও হতে পারে– আমেরিকার নিজের ক্ষেত্রেও কিন্তু গোলার্ধীয় আধিপত্য ছিল বৈশ্বিক হস্তক্ষেপের একটি প্রাথমিক ধাপ মাত্র।

সবচেয়ে বড় কথা, প্রভাব বলয়গুলো এমনি এমনি বা উপহার হিসেবে পাওয়া যায় না। এগুলোর উৎপত্তি প্রায়শই রক্তে ভেজা থাকে। উচ্চাকাঙ্ক্ষী স্বৈরাচারীদের তাদের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে চরম নিষ্ঠুরতা, এমনকি গণহত্যার ইতিহাস রয়েছে।

ছবি: এআই
ছবি: এআই

এবং ছোট ও মাঝারি রাষ্ট্রগুলো নিজেদের ভবিষ্যৎ কী হতে পারে তা জেনে, আধিপত্য নিষ্ক্রিয়ভাবে মেনে নেওয়া ছাড়াও অন্যান্য পথ বেছে নিতে পারে। ইউক্রেন রাশিয়ার সাম্রাজ্য থেকে দূরে থাকার জন্য কতটা নির্মমভাবে লড়াই করেছে তা আমরা দেখছি।

জাপানও বেইজিংয়ের কাছে আত্মসমর্পণ এড়াতে একইভাবে লড়াই করতে পারে– অথবা স্রেফ পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করে ফেলতে পারে। এই বিপদটি আমাদের তৃতীয় দৃশ্যপটের দিকে নির্দেশ করে যা আমাদের এই ক্ষয়িষ্ণু ব্যবস্থার পরে আসতে পারে– তা হলো এক কুৎসিত, সহিংস বিশৃঙ্খলা।

এ বছরের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ঘোষণা করেছিলেন যে, পুরোনো ব্যবস্থার ভেঙে পড়া মাঝারি শক্তির দেশগুলোর জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে, একসাথে কাজ করে এবং নিজেদের সক্ষমতা বাড়িয়ে এই দেশগুলো বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোর মাঝখানে একটি পথ তৈরি করতে পারে এবং নিজেদের জন্য একটি সহনশীল ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে পারে।

এটি আসলে একটি পুরোনো স্বপ্ন। ১৯৭০-এর দশক থেকে পণ্ডিত ও কৌশলবিদরা আশা করে আসছেন যে বিশ্ব ‘শাসক ছাড়াও নিয়ম’ মেনে চলতে পারে– অর্থাৎ মার্কিন নেতৃত্ব চলে যাওয়ার পরও ছোট রাষ্ট্রগুলো মার্কিন-নির্মিত ব্যবস্থার সেরা অংশগুলো কোনোভাবে রক্ষা করতে পারবে। কিন্তু এটি আসলে একটি অলীক কল্পনা বা মোহ। সবচেয়ে শক্তিশালী দেশগুলোর প্রতিশ্রুতি ছাড়া– এবং তাদের আপত্তির মুখে তো নয়ই– কোনো বৈশ্বিক শৃঙ্খলা টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।

তাই একটি নতুন স্নায়ুযুদ্ধ বা সাম্রাজ্যের নতুন যুগের সবচেয়ে সম্ভাব্য বিকল্প হলো একটি অরাজক ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। এই দৃশ্যপটে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই একটি ‘রাফ স্টেট’ বা পথভ্রষ্ট রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে। ট্রাম্পের ভেতরের অন্ধকার প্রবৃত্তিগুলো একটি নিষ্ঠুর, নিয়ম-ভাঙা পরাশক্তির উত্থানের পূর্বাভাস দেয়। ওয়াশিংটন তখন আক্রমণাত্মক আঞ্চলিক সম্প্রসারণে লিপ্ত হতে পারে।

এটি বলপ্রয়োগ বা জোরজুলুমের মাধ্যমে দুর্বল শক্তির কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ কেড়ে নিতে পারে। এটি তার নির্ভরশীল দেশগুলোর কাছ থেকে আরও বেশি কর বা উপঢৌকন দাবি করতে পারে; এটি ইউরোপ এবং অন্যান্য অঞ্চলের রাজনীতিতে অনুদার পপুলিস্টদের পক্ষে ক্রমাগত হস্তক্ষেপ করতে পারে।

১০ বছর পর কেমন হবে আমাদের পৃথিবী?paw

যুক্তরাষ্ট্র তখন তার বৈশ্বিক ভূমিকাকে পরিত্যাগ না করে বরং তাকে আরও বেশি ক্ষতিকর অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে। এই দৃশ্যপটটি এতটাই ভয়াবহ কারণ যুক্তরাষ্ট্রের এই আচরণ এমন এক বিশ্ব তৈরি করে যেখানে তিনটি বৃহৎ শক্তিই লোভী, রাক্ষুসে এবং সংশোধনবাদী হয়ে ওঠে। ছোট শক্তিগুলো, বিশেষ করে ইউরেশিয়ার সংঘাতের সীমানায় থাকা দেশগুলো, তখন চারদিক থেকে চেপে ধরার বিপদে পড়বে।

ছবি: এআই
ছবি: এআই

এমতাবস্থায় ‘স্বনির্ভরতা’– অর্থাৎ মূলত প্রতিটি জাতির নিজের সুরক্ষার ব্যবস্থা নিজেকেই করা ছাড়া আর কোনো বাস্তবসম্মত পথ থাকবে না। আঞ্চলিক আগ্রাসন, এমনকি রাষ্ট্রের বিলুপ্তি তখন অত্যন্ত সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়াবে কারণ স্ট্যাটাস কু বা স্থিতাবস্থা রক্ষা করার জন্য কিংবা দুর্বল দেশগুলোর সার্বভৌমত্বকে সমর্থন করার জন্য কোনো বৃহৎ শক্তি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে না।

একটি স্বনির্ভর বিশ্ব তাই দেখতে পাবে কীভাবে কিছু অরক্ষিত রাষ্ট্র ধ্বংস, পরাধীন বা খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যাচ্ছে। ইউক্রেনের যুদ্ধ হয়তো আমাদের ফেলে আসা অতীতের কোনো কুৎসিত অনুস্মারক নয়, বরং আমাদের ভবিষ্যতের একটি আগাম ঝলক মাত্র।

অন্যান্য রাষ্ট্রগুলো নিজেদের টিকিয়ে রাখার সেরা গ্যারান্টি হিসেবে চরমভা উদাহরণ হলো অ্যাডলফ হিটলার এবং জোসেফ স্টালিন কর্তৃক পূর্ব ইউরোপের বিভাজন। আজকের কিছু বিশ্লেষক কল্পনা করেন যে শি, ট্রাম্প এবং পুতিনও হয়তো নিজেদের মধ্যে এমন একটি বিশ্ব-বিভাজনকারী চুক্তি করে ফেলবেন। তবে প্রভাব বলয় অবচেতনে বা ধীরে ধীরেও গড়ে উঠতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র যদি তার সদস্যদের জমি কেড়ে নিয়ে ন্যাটোকে ভেঙে দেয়, তবে পশ্চিম গোলার্ধে একটি মার্কিন বলয়ের উত্থান পূর্ব ইউরোপে একটি রুশ বলয়ের উত্থানকে ত্বরান্বিত করতে পারে। যদি চীনের অবিরাম সামরিক প্রস্তুতি জাপান থেকে তাইওয়ান হয়ে ফিলিপাইন পর্যন্ত বিস্তৃত প্রথম দ্বীপ শৃঙ্খলকে অরক্ষণীয় করে তোলে, তবে পেন্টাগন আনুষ্ঠানিকভাবে তা স্বীকার না করলেও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগর বেইজিংয়ের ছায়াতলে চলে যাবে।

সুতরাং, ওয়াশিংটন যদি গোলার্ধীয় আধিপত্যের দিকে পুরোপুরি ঝুঁকে পড়ে এবং ট্রাম্পের মতো এই দৃষ্টিভঙ্গি নেয় যে–মহাসাগরের ওপারের ঘটনা অন্য কারও সমস্যা, তবে একটি বহু-বলয়ের বিশ্বই হবে এর অনিবার্য পরিণতি।

এখনকার অনেক ঘটনা দেখে মনে হয় পৃথিবীটা সেই পথেই চলছে। রাশিয়া এবং চীন বহু বছর ধরেই আঞ্চলিক আধিপত্যের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এখন ট্রাম্প আমেরিকায় ওয়াশিংটনের কর্তৃত্ব কঠোরভাবে প্রয়োগ করছেন–শত্রুভাবাপন্ন শাসকদের জোরপূর্বক অপসারণ করছেন, গুরুত্বপূর্ণ সম্পদের ওপর দাবি জানাচ্ছেন, উন্মুক্ত সমুদ্রে সামরিকীকরণ শুরু করবে, হয়তো অনেকেই পারমাণবিক অস্ত্রের সন্ধান করবে। এরই মধ্যে মার্কিন ক্ষমতার কারণে দীর্ঘকাল ধরে চাপা পড়ে থাকা পুরোনো বৈরিতিগুলো আবার জ্বলে উঠতে পারে।

ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলো যদি পুনরায় সশস্ত্র হতে শুরু করে এবং একই সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়ন– হয়তো মার্কিন ও রাশিয়ার সম্মিলিত চাপে– ভেঙে পড়ে, তবে সেই মহাদেশে অতীতে ঘটে যাওয়া চরম অস্ত্র প্রতিযোগিতা ও নিরাপত্তা প্রতিযোগিতার পুনরাবৃত্তি দেখতে প্রস্তুত হতে হবে। আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচলের স্বাধীনতাকে তখন বিদায় জানাতে হবে। (আগামীকাল সমাপ্য)

কাল পড়বেন: যুক্তরাষ্ট্র কী বিশ্বকে আরও অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাবে?

লেখক: জনস হপকিন্স স্কুল অব অ্যাডভান্সড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের অধ্যাপক এবং আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের একজন সিনিয়র ফেলো

(এই দীর্ঘ নিবন্ধ মূলত ফরেন পলিসি সাময়িকীর স্প্রিং ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। সেই সূত্রে অনুবাদ করে প্রকাশ করা হলো।)

বিষয়: রাশিয়াআমেরিকালাতিন আমেরিকামার্কিন প্রেসিডেন্টইউক্রেনডোনাল্ড ট্রাম্পবেইজিংন্যাটোওয়াশিংটন
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া