Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা

ক্ষমা চাওয়া না চাওয়া বিতর্ক এবং অন্তর্বর্তী সরকারের জামায়াতপ্রীতি

সোহরাব হাসান

সোহরাব হাসান

প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৯: ৫২
ক্ষমা চাওয়া না চাওয়া বিতর্ক এবং অন্তর্বর্তী সরকারের জামায়াতপ্রীতি

জাতীয় সংসদের বাজেট বক্তৃতায় বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ভূমিকার জন্য জামায়াতে ইসলামীর জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেন। তার এই বক্তব্যকে মোটেই ভালোভাবে নেননি জামায়াতের নেতারা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মির্জা ফখরুল বাজেট বক্তৃতা দিলেন ২৮ জুন। ৩০ জুন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, “যে ভাষায় বাইরে ও পার্লামেন্টে আপনারা কথা বলেন, প্রশ্ন করেন, তাহলে আমাদেরও তো প্রশ্ন আছে। সেই জবাবটা তো বিএনপিকে দিতে হবে।” এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে আবদুর রহমান বিশ্বাসকে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শাহ আজিজুর রহমানকে, একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া আরও ১৪-১৫ জনকে মন্ত্রী করার জন্য আগে বিএনপির ক্ষমা চাওয়া উচিত।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আরও যোগ করেন, “তারা (বিএনপি) বলে জামায়াতের ওপরে ভূত চেপেছে। এখন দেখা যাচ্ছে, সরকার আর সরকারি দলের ওপর ভূত চেপেছে। বিএনপি মহাসচিবের মাথায়ও ভূত চাপে। মুক্তিযুদ্ধের মীমাংসিত বিষয়কে সামনে এনে জাতির মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করেন। বিভ্রান্তির মাধ্যমে দেশকে আবার ফ্যাসিবাদের হাতে তুলে দিতে চাইছেন। সঙ্গে থাকলে সঙ্গী, না থাকলে জঙ্গি–এটাই বিএনপির অবস্থান।”

Mirza Fakhrul Islam Alamgir-unb_newswire_11zon
জাতীয় সংসদে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

জামায়াত নেতা গোলাম পরওয়ার বিএনপিকে ক্ষমা চাইতে বলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দাবির যৌক্তিকতা প্রমাণ করলেন। অর্থাৎ জামায়াত ক্ষমা চাইবে একাত্তরে পাকিস্তানি জান্তার অপকর্মে সহায়তার জন্য। আর বিএনপি ক্ষমা চাইবে স্বাধীনতাবিরোধীদের রাষ্ট্রীয় পদে বসানোর জন্য।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মির্জা ফখরুল জামায়াতকে ক্ষমা চাইতে বলেছেন, একাত্তরে তাদের মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ভূমিকার জন্য। আর গোলাম পরওয়ার বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধীদের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী করার জন্য বিএনপিকে ক্ষমা চাইতে হবে। এ প্রসঙ্গে একাত্তরের জামায়াতে ইসলামী কী ভূমিকা নিয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তারা কেবল ভারতীয় আগ্রাসন রুখতে অখণ্ড পাকিস্তানকে সমর্থন করেননি। তারা পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যাসহ সব ধরনের অপরাধমূলক কাজে সক্রিয় সহায়তা করেছেন।

ঢাকার পছন্দ হয়ে গেছে, দিল্লি এখন শুধু আয়নার সামনে দাঁড়াকdiplomacy 2

পাকিস্তানি সামরিক জান্তা গঠিত প্রাদেশিক সরকারের মন্ত্রিত্ব নিয়েছে। জামায়াত ও ইসলামী ছাত্র সংঘের কর্মীদের দ্বারা গঠিত আলবদর ও আলশামস বাহিনীর সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বুদ্ধিজীবীদের ধরে এনে হত্যা করেছে।

বিএনপি গঠিত হয় স্বাধীনতার আট বছর পর, ১৯৭৮ সালে। অতএব তাদের বিরুদ্ধে এ রকম অভিযোগ আনার সুযোগ নেই। তবে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছেন, এ রকম কেউ কেউ পরবর্তীকালে বিএনপিতে যোগ দিয়ে থাকেন, তাদের সম্পর্কে জামায়াত প্রশ্ন তুলতেই পারে।

দুই পক্ষের অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্য দিয়ে এই সত্যটি বেরিয়ে এল যে বিএনপি স্বাধীনতাবিরোধীদের রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়েছে। অন্যদিকে জামায়ত সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে। দুই অন্যায়ের মাত্রা এক নয়। অতীতে জামায়াত যেমন এসব নিয়ে বিএনপিকে চ্যালেঞ্জ করেনি, তেমনি বিএনপিও একাত্তরে জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে এতটা সোচ্চার হয়নি।

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ভূমিকার জন্য স্বাধীনতা পরবর্তী সরকার মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম ও জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিল। সংবিধানে ধর্মভিত্তিক দল গঠনের ওপরও নিষেধাজ্ঞা ছিল। পঁচাত্তরের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জিয়াউর রহমান ধর্মীয় দলগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে জামায়াতের রাজনীতি উন্মুক্ত হয়। প্রথমে তারা আইডিএল নামে এবং পরে স্বনামে মাঠে নামে।

shafiqur rahman
সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। ছবি: ইউএনবি

এ কথা সত্য যে, ১৯৮০ সাল থেকে বিএনপি জামায়াতের সম্পর্কটি একই ধারায় চলেনি। কখনো জামায়াত বিএনপির মিত্র হিসেবে রাজনীতি করেছে, সরকারের অংশীদার হয়েছে। আবার কখনো বিএনপির বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে।

নানা চড়াই-উৎরাইয়ের পর সংসদে প্রধান বিরোধীদলের আসন পেয়ে এবারই জামায়াত বিএনপিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করল। মির্জা ফখরুলের ক্ষমা চাওয়ার দাবির জবাবে তারাও একই দাবি জানাল বিএনপির প্রতি।

ক্ষমতার কাছাকাছি এলেই কেন বাড়ে দলীয় রক্তপাত?political-clash

কিন্তু জামায়াতের দ্বিতীয় প্রধান নেতা বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উদ্দেশে করে যে মন্তব্য করেছেন, সেটা ‘বিলো দ্য বেল্টের’ পর্যায়ে পড়ে। তিনি ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বলেছেন, “আয়নায় নিজের চেহারা দেখুন। ক্ষমা আপনার বাবাকে কবর থেকে চাইতে বলেন। কারণ, আমরা অপরাধ করি নাই, ক্ষমা চাইব কেন? আপনার বাবা অপরাধী, এই অভিযোগ আছে। সুতরাং কথা সতর্কভাবে বলা উচিত।”

এতদিন আওয়ামী লীগ নেতারা বিএনপিকে যেই ভাষায় ঘায়েল করার চেষ্টা করতেন, এখন জামায়াতের নেতারাও সেটা শুরু করেছেন। মির্জা ফখরুল কিন্তু জামায়াতের কোনো নেতাকে নিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেননি। কিন্তু জামায়াত করল।

নির্বাচনের আগে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর কোয়ালিশন অব বাংলাদেশি আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশনের অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ১৯৪৭ সাল থেকে শুরু করে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত, এমনকি বর্তমান সময় পর্যন্ত দলটির কারণে যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, কারও কোনো ক্ষতি হয়ে থাকে, তার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে আমির বলেন, “এই অ্যাপোলজি আমরা মিনিমাম তিনবার দিয়েছি। প্রফেসর গোলাম আযম সাহেব দিয়েছেন, মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী সাহেব দিয়েছেন এবং আমি নিজে দিয়েছি।”

এই উপসম্পাদকীয়টি যখন লিখছি, তখনই আগামীর সময়ে একটি কৌতূহলোদ্দীপক খবর পড়লাম। এতে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী হিসেবে চিহ্নিত জামায়াত, নেজামে ইসলাম ও মুসলিম লীগের নাম বাদ দিতে চেয়েছিল। কিন্তু জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) সদস্যদের বিরোধিতার কারণে সেটা তারা করতে পারেনি।

বাজেটে সরকার ও বিরোধীদের অঘোষিত ঐক্য?parliament house (3)

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলই মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা ও সংজ্ঞা চূড়ান্ত করে। এই সংজ্ঞায় বলা ছিল, মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামী, মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা পদাধিকার বলে জামুকার চেয়ারম্যান।

গত বছর ১০ মে অনুষ্ঠিত সভায় উপদেষ্টা মহোদয় জানান, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাঠ্যবই থেকে উল্লিখিত দলগুলোর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এখন জামুকার সংজ্ঞা থেকেও সেটা বাদ দেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু সদস্যরা তীব্র আপত্তি জানান।

উপদেষ্টা যখন দেখলেন জামুকার সদস্যরা কোনোভাবে দলগুলোর নাম বাদ দেবেন না, তখন তিনি এসব দলের আগে ‘তৎকালীন’ শব্দটি বসানোর প্রস্তাব দেন এবং সেটা সবাই মেনে নেন। ১০ এপ্রিল জাতীয় সংসদে ওই সংজ্ঞাটিই আইনে পরিণত হয়। এই সংজ্ঞার বিষয়ে জামায়াত আপত্তি করলেও তাদের জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যরা সমর্থন করেছেন।

এই ঘটনা প্রমাণ করে অন্তর্বর্তী সরকার তলে তলে জামায়াতের পক্ষেই কাজ করেছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জামায়াতকে ক্ষমা চাইতে বলে কোনো অন্যায় করেননি। বরং দলটিকে নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে যে বিতর্ক চলছিল, তারই অবসান ঘটাতে চেয়েছিলেন। জামায়াত নেতারা অন্তত দায়টি তৎকালীন নেতাদের ওপর চাপাতে পারতেন। সেটাই হয়তো ন্যায্য হতো। কিন্তু তা না করে ইটের বদলে পাটকেল মারার যে নীতি তারা নিলেন, তা রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দেবে।

লেখক: সম্পাদক, চরচা।

বিষয়: বিএনপিমুক্তিযুদ্ধজাতীয় সংসদজামায়াতে ইসলামীমির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরঅন্তর্বর্তী সরকার
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া