‘এপস্টেইন সিন্ডিকেট’ কি ইরান যুদ্ধের জন্য দায়ী

‘এপস্টেইন সিন্ডিকেট’ কি ইরান যুদ্ধের জন্য দায়ী
জেফ্রি এপস্টেইন। ছবি: রয়টার্স

আজ ১৫ দিন হলো ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও আমেরিকার যুদ্ধ চলছে। যুদ্ধ শেষ হওয়ার কোনো ইঙ্গিত নেই। এর তীব্রতা বরং বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইরানের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, সে এখন আক্রমণ–পাল্টা আক্রমণের চক্রে বন্দী থাকবে না। ইরান হামলা চালাবে বিরতিহীনভাবে। হরমুজ প্রণালি এখন বন্ধ। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো ভাষণ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের সামনে একটি মাত্র প্রশ্ন– হয় স্বাধীনতা, না হয় মৃত্যু। যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত যেকোনো প্রস্তাব তিনি নাকচ করে দিয়েছেন এবং আমেরিকাকে তিনটি চূড়ান্ত শর্তের কথা জানিয়েছেন।

শর্ত এক: ইরাক, সিরিয়া, জর্ডান, কাতার, সৌদি আরব, বাহরাইন, কুয়েত থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার। শর্ত দুই: ৪৭ বছর ধরে ইরানের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক এবং অন্যান্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া। শর্ত তিন: যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার কারণে ক্ষতিপূরণ হিসাবে আমেরিকা ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পরিশোধ করবে। শর্তগুলো মেনে না নেওয়া হলে হরমুজ প্রণালি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হবে। ইরান তার প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে। পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের সম্ভবনাকেও তিনি নাকচ করে দেননি। এর অর্থ দাঁড়ায় এই যে, ইরান হয়তো-বা ইতিমধ্যে পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হয়েছে। চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে ইরানের প্রতিরক্ষা চুক্তি আছে। সেটি সচল করা হবে। প্রয়োজনে ইরানের মাটিতে সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হবে। ইরানকে সমর্থন করে রাশিয়া ও চীন ইতিমধ্যে বিবৃতি দিয়েছে।

এদিকে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি চলছে। অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের মূল্য তেলের মূল্যবৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে বেড়ে চলেছে। খবরে প্রকাশ, ইউরোপে তেল সংকট প্রকট। জার্মান নাগরিকেরা পোল্যান্ডে তুলনামুলক সস্তা তেল কেনার জন্য ছুটছে। পোল্যান্ড বাধ্য হয়ে সীমান্তে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের কথা ভাবছে। একই সাথে চলছে নানা বিপরীতমুখী প্রচারণা। মার্কিন সিনেটরদের মধ্যে লিন্ডসে গ্রাহাম ও রিচার্ড ব্লুমেন্থাল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পক্ষে প্রবল প্রচার চালিয়েছিলেন। এখন তারা পিছু হটছেন। অনেক রাজনীতিবিদেরা ইরানে স্থল সেনা পাঠানোর দাবি জানাচ্ছেন।

খবরে প্রকাশ, আমেরিকা ইতিমধ্যে হরমুজ প্রণালির অনতিদূরে খারগ দ্বীপে বোমা বর্ষণ করেছে। এই দ্বীপ থেকে ইরানের ৯০% তেল বাইরে রপ্তানি হয়। ব্রিটেন ইরানকে হুমকি দেওয়া বন্ধ করেনি। বলছে, যেভাবেই হোক হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে। পশ্চিমা মিডিয়ার নিরন্তর মিথ্যা প্রচার থেমে নেই। এখন তারা ইরানি হামলায় আক্রান্ত ইসরায়েলের বেসামরিক নাগরিকদের জন্য অশ্রু বিসর্জন করছে। আরও উদ্বেগজনক খবর, ইসরায়েল ক্যালিফোর্নিয়া বা লস এঞ্জেলসে ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ আক্রমন চালাতে পারে । উদ্দেশ্য, ইরানকে দোষী করা এবং ইউরোপের অন্যান্য দেশকে যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলা। এই উদ্বেগের পেছনে যুক্তি আছে। জানা গেছে, মার্কিন ধনকুবের ল্যারি সিলভারস্তেইন অতি সম্প্রতি লস অ্যাঞ্জলসে ৭২ তলা উঁচু একটি ভবন কিনেছে। এই ব্যাক্তি নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার আক্রমণের কয়েক দিন আগে ওই দুটি ভবন কেনেন। সন্ত্রাসী আক্রমনের পর তিনি বিমা কোম্পানি থেকে সাত বিলিয়ন ডলার পান। ফলে তার ওই ৭২ তোলা বিল্ডিং-এ ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ আক্রমন হলেও হতে পারে।

যেকোনো যুদ্ধে লাভবান হয় তিনটি গোষ্ঠী– বহুজাতিক পুঁজি, মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স এবং বহুজাতিক ব্যাংক। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পেছনে এদের ষড়যন্ত্র আছে। সেটি মূলত পরোক্ষ। কিন্তু প্রত্যক্ষভাবে চারটি মূল কারণ এখানে উল্লেখ করা সম্ভব। প্রথমত ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন । ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ বলতে কি বোঝায়, ইসরায়েল একটি মানচিত্রে এরইমধ্যে তার একটি ধারণা দিয়েছে । ইসরায়েলের ইচ্ছা, মিসর, জর্ডান, সৌদি আরবসহ বেশ কিছু গালফ দেশের কিছু অংশ ইসরায়েলের অধীনে আনা।

পরিকল্পনাটি ধর্মীয় গ্রন্থের ওপর ভিত্তি করে গড়ে তোলা এবং সেটি বাস্তবায়ন হবে কয়েকটি ধাপে। প্রথম ধাপ ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ড’। এর উদ্দেশ্য: ইসরায়েলের সাথে গালফ দেশগুলোর সম্পর্ক উন্নত করা এবং একটি বিশেষ অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কাঠামো গড়ে তোলা। এতে করে ফিলিস্তিন ইস্যু নিয়ে ভাবার সুযোগ থাকবে না। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পথে একমাত্র বাধা ইরান। ফলে ইরানে শাসক পরিবর্তন আবশ্যক । আর এটা করতে হলে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই ।

দ্বিতীয় কারণ, ইরানের তেল সম্পদ ও হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০২৬ সালের ১৬ জানুয়ারি আমেরিকান পেট্রোলিয়াম অ্যাসোসিয়েশনের সাথে এক বৈঠক করেন। সেখানে তিনি ভেনেজুয়েলায় তেল উত্তোলনে মার্কিন কোম্পানির বিনিয়োগের সম্ভবনা নিয়ে আলাপ করেন। লাভের পরিমাণ ব্যয়ের চেয়ে কম হওয়ার সম্ভবনা থাকায় মার্কিন তেল কোম্পানিগুলো খুব বেশি উৎসাহ দেখায়নি। তারা ট্রাম্পকে বরং ইরান আক্রমনের বিকল্প উপদেশ দেয়। সেখানে মুনাফা অনেক বেশি। তাছাড়া হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সহজ হবে । এতে করে চীন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ফলে কৌশলগত দিক থেকে আমেরিকা অনেক সুবিধাজনক অবস্থায় থাকবে।

তৃতীয় কারণ ধর্মীয়। ইসরায়েলের জাতীয় আদর্শ জায়নবাদ। ওই আদর্শ বলে, ইহুদি জাতি শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাস করে । এই আদর্শের সাথে আমেরিকার ইভাঞ্জেলিকাল খ্রিস্টানদের ধর্মীয় ও উদ্দেশ্যগত মিল আছে। আমেরিকায় ইভাঞ্জেলিকাল বিশ্বাসীদের সংখ্যা ৪০ মিলিয়ন বা চার কোটির ওপরে। তাদের অধিকাংশই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভক্ত। তারা মনে করে ধর্মীয় গ্রন্থে বর্ণিত একটি এলাকার বাস্তব রূপ হচ্ছে ইসরায়েল। সে কারণে ইসরায়েলকে সমর্থন করা ধর্মীয় দায়িত্ব । তারা আরও দাবি করে যে, পবিত্র ফিলিস্তিনে ইহুদিদের প্রত্যাবর্তনের সাথে যিশু খ্রিস্টের প্রত্যাবর্তনের সম্পর্ক আছে । যিশু খ্রিস্ট দ্বিতীয়বার প্রত্যাবর্তন করবেন এক ধ্বংসলীলার পর (Armageddon)। সেই ধ্বংস হবে খারাপের বিরুদ্ধে ভালোর চূড়ান্ত যুদ্ধ । সে কারণে ইসরায়েলের রাজনীতিবিদদের দায়িত্ব ওই ধ্বংস সম্ভবনাকে যত দ্রুত এগিয়ে আনা । ওই দিকটির প্রতি লক্ষ্য রেখে তারা গাজা আক্রমণ করে। ফিলিস্তিনি জাতির ওপর অমানবিক নির্যাতন ও অত্যাচার চাপিয়ে দেয়। তাদের যুক্তি– আক্রমণ যতই তীব্র হবে, আকাঙ্ক্ষিত সেই ধ্বংসলীলা ঘটার সম্ভাবনা ততই এগিয়ে আসবে। এই ধ্বংসলীলা যিশুর পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তনের মুহূর্তকে এগিয়ে নেবে। ইরান যদি ইসরায়েলকে ধ্বংস করে দেয়, তাহলে যিশু খ্রিস্ট পবিত্র শহর জেরুজালেমে ফিরে আসবেন। তারপর শুরু হবে ইহুদি জাতির হাজার বছর ধরে শান্তিতে কাটানোর সময়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: রয়টার্স
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: রয়টার্স

চতুর্থ কারণ: ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতিনিয়াহু ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সমস্যা। নেতানিয়াহু বেশ কয়েকটি দুর্নীতি মামলায় লড়ছেন। তাছাড়া কাতারগেট কেলেঙ্কারির কোনো মীমাংসা এখনো হয়নি। তার মন্ত্রিসভার তিনজন সদস্য কাতার সরকার থেকে বড় অঙ্কের অনুদান গ্রহণ করেন। কি কারণে কাতার সরকার এই অর্থ দিয়েছিল, তা নিয়ে ইসরাইলে প্রবল বিক্ষোভ হয়। দুর্নীতি মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য নেতানিয়াহু ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা ভিক্ষা চেয়ে আবেদন করেন। কিন্তু আবেদন নাকচ হয়ে যায়। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এপস্টেইন সংকটে ভুগছেন। এপস্টেইন ফাইলে তার নাম ৩৮ হাজার বার উল্লেখ আছে। ট্রাম্পের যৌন নিপীড়নের শিকার একজন নারী ১৯৮০ সালের একটি ঘটনা উল্লেখ করেছেন। সে সময় ওই নারীর বয়স ছিল মাত্র ১৫ বছর।

ট্রাম্প এমন এক সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত, যেটি ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত। এই সিন্ডিকেটটি ত্রিভুজ আকারের। সেখানে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ আছে। আরও আছে আমেরিকা ও পশ্চিমা বিশ্বের রাজনৈতিক এলিট শ্রেণি, ব্যবসায়িক শ্রেণি, বড় টেক কোম্পানির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, সেলেব্রিটিদের অনেকে এবং গালফ দেশগুলোর ব্যবসায়ী ও সরকারি কর্মকর্তারা। অনেকে মনে করেন জেফরি এপস্টেইন মোসাদের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। মোসাদের উদ্দেশ্য ছিল অপ্রাপ্ত বয়স্কা নারীদের ব্যবহার করে রাজনীতিবিদের ব্ল্যাকমেইলিং করা এবং ইসরায়েলের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করা। ইসরায়েলের অন্যতম রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ইরানে শাসক পরিবর্তন। তার পাশাপাশি রয়েছে কয়েকটি স্বাধীন রাষ্ট্রে ইরানকে বিভক্ত করে তার বর্তমান শক্তিকে নিঃশেষ করে দেওয়া। ইরান আক্রমণের আগে গালফ দেশগুলো, বিশেষ করে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত, আমেরিকাকে ইরান আক্রমণে উদ্বুদ্ধ করে। এদের হাতে প্রচুর সম্পদ। সেই সম্পদের জোর দেখিয়ে তারা ক্ষমতার দম্ভ দেখায়। কিন্তু তারা কি পরিমাণে অসহায়, ইরানের আক্রমণে সেটি উন্মোচিত হয়ে গেছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা। ছবি: রয়টার্স
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা। ছবি: রয়টার্স

এই বিশাল চক্রকে অনৈতিক কাজে প্রলুব্ধ করা কঠিন হয়নি। আজ মার্কিন সমাজ এবং গালফ দেশগুলোর শাসকগোষ্ঠী নৈতিক স্খলনে আক্রান্ত। এপস্টেইন ফাইল থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন ছবির দৃশ্য ওই স্খলনের জ্বলন্ত উদাহরণ। অপ্রাপ্ত বয়স্কা মেয়েদের ওপর শারীরিক নির্যাতন এবং যৌন নিপীড়ন চালানো আর গাজায় নারী শিশুদের বিরুদ্ধে অমানবিক আচরণের মধ্যে কোনো পার্থক্য দেখি না। সম্ভবত সে কারণে মার্কিন বৈমানিক নির্দ্বিধায়, আবেগহীনভাবে ইরানের একটি স্কুলে হামলা চালান। ১৬৮ জন শিশুকে হত্যা করতে তাদের নৈতিকতায় বাধেনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নির্লজ্জভাবে ওই হত্যার দায়ভার ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন। এই এপস্টেইন ক্লাবের সদস্যদের ব্যবহার দেখে একজন দার্শনিকের কথা মনে পড়ে। তার নাম সিগমন্ড ফ্রয়েড। তার দার্শনিক শিক্ষা হচ্ছে মানুষের অবচেতন মনে বহু মৌলিক প্রবৃত্তি ধামা চাপা পড়ে থাকে। সেটি মূলত সভ্যতার কারণে। সভ্যতার প্রতিবন্ধকতা থেকে মানুষকে মুক্ত করা প্রধান কাজ হওয়া উচিত। ভোগবাদী সমাজ ফ্রয়েডের শিক্ষাকে ভোলেনি। তারই একাংশ হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে পর্নোগ্রাফি ইন্ডাস্ট্রি। এপস্টেইন সিন্ডিকেট পৃথিবীব্যাপী যৌন উপভোগ শিল্প গড়ে তুলে এমন এক শ্রেণির জন্ম দিয়েছে, যারা বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির নিয়ন্ত্রক। তারা অন্ধকার জগতের। তাদের নির্লজ্জ তৎপরতা আজ বিশ্বকে ধ্বংসের মুখে ফেলেছে। এরচেয়ে নির্মম পরিহাস আর কি হতে পারে।

লেখক: অধ্যাপক, ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটি

সম্পর্কিত