চরচা প্রতিবেদক

উইকেটে যে বিশেষ কিছু ছিল না, সেটা রান তাড়ায় ভালোভাবেই দেখিয়ে দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। আর সেখানেই প্রকট হয়ে ওঠে বাংলাদেশের হতাশাজনক পারফরম্যান্স। সিরিজ জয় নিশ্চিত করার ম্যাচে মামুলি টার্গেট দেওয়ার পর দরকার ছিল উজ্জীবিত বোলিং, যা শরীফুল ইসলাম ছাড়া আর কেউই করতে পারেননি। ফলাফল, তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে বড় পরাজয়।
লক্ষ্যটা ছোট হওয়ায় নিউজিল্যান্ডকে চাপে ফেলতে শুরুতেই দরকার ছিল ব্রেকথ্রু। আর ঠিক সেটাই করে দেখান শরীফুল। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে কিটান ক্লার্ক (১ রান) ডাউন দ্য উইকেটে এসে মারতে চেয়েছিলেন উড়িয়ে, তবে পারেননি। উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয় তাকে। কয়েক বল পর একই পরিণতি হয় ডিন ক্লিভারের (১ রান)।
তবে অন্যপ্রান্তে বোলাররা পারছিলেন না তাল মেলাতে। নিজের প্রথম ওভারে চার ও ছক্কা হজম করে ১৩ রান দেন রিপন মণ্ডল। বিপজ্জনক টিম রবিনসনকে ফিরিয়ে অবশ্য ফের নিউজিল্যান্ডকে চাপে ফেলে দেন শরীফুল। প্রথম দুই ওভারে মাত্র ৪ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন বাঁহাতি এই পেসার।
আক্রমণে এসেই উইকেটের দেখা পান শেখ মাহেদি হাসানও। ব্যাকফুটে গিয়ে খেলতে গিয়ে বোল্ড হন ফর্মে থাকা নিক কেলি।
বাংলাদেশের প্রতিরোধ শেষ সেখানেই। ডিন ফক্সক্রফট কিছুটা রয়েসয়ে খেললেও বেভন জ্যাকবস রীতিমতো তাণ্ডব চালান বোলারদের ওপর। ২০ বল বাকি থাকতেই দলের জয় নিশ্চিত করার পথে তুলে নেন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম ফিফটি।
শেষটা করেন রিশাদ হোসেনকে টানা তিন বলে দুই ছক্কা ও এক চার মেরে। অপরাজিত থাকেন মাত্র ৩১ বলে ৬২ রানে, যেখানে ছিল ৫ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কা। তাতে ১০৩ রানের টার্গেটে মেলে ৬ উইকেটের জয়।
এর আগে অবশ্য বৃষ্টির কারণে ১৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে বাংলাদেশ নিজেদের সর্বনাশ করে ব্যাটিংয়েই। দুই ওপেনারের ব্যর্থতার পর হাল ধরেন লিটন দাস (২৬ রান)। এরপর উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন কেবল তাওহীদ হৃদয় (৩৩ রান)। মাত্র ১৬ রানে হারাতে হয় শেষ ৬ উইকেট, যা ইনিংসের ইতি টানে ১০২ রানে।

উইকেটে যে বিশেষ কিছু ছিল না, সেটা রান তাড়ায় ভালোভাবেই দেখিয়ে দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। আর সেখানেই প্রকট হয়ে ওঠে বাংলাদেশের হতাশাজনক পারফরম্যান্স। সিরিজ জয় নিশ্চিত করার ম্যাচে মামুলি টার্গেট দেওয়ার পর দরকার ছিল উজ্জীবিত বোলিং, যা শরীফুল ইসলাম ছাড়া আর কেউই করতে পারেননি। ফলাফল, তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে বড় পরাজয়।
লক্ষ্যটা ছোট হওয়ায় নিউজিল্যান্ডকে চাপে ফেলতে শুরুতেই দরকার ছিল ব্রেকথ্রু। আর ঠিক সেটাই করে দেখান শরীফুল। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে কিটান ক্লার্ক (১ রান) ডাউন দ্য উইকেটে এসে মারতে চেয়েছিলেন উড়িয়ে, তবে পারেননি। উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয় তাকে। কয়েক বল পর একই পরিণতি হয় ডিন ক্লিভারের (১ রান)।
তবে অন্যপ্রান্তে বোলাররা পারছিলেন না তাল মেলাতে। নিজের প্রথম ওভারে চার ও ছক্কা হজম করে ১৩ রান দেন রিপন মণ্ডল। বিপজ্জনক টিম রবিনসনকে ফিরিয়ে অবশ্য ফের নিউজিল্যান্ডকে চাপে ফেলে দেন শরীফুল। প্রথম দুই ওভারে মাত্র ৪ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন বাঁহাতি এই পেসার।
আক্রমণে এসেই উইকেটের দেখা পান শেখ মাহেদি হাসানও। ব্যাকফুটে গিয়ে খেলতে গিয়ে বোল্ড হন ফর্মে থাকা নিক কেলি।
বাংলাদেশের প্রতিরোধ শেষ সেখানেই। ডিন ফক্সক্রফট কিছুটা রয়েসয়ে খেললেও বেভন জ্যাকবস রীতিমতো তাণ্ডব চালান বোলারদের ওপর। ২০ বল বাকি থাকতেই দলের জয় নিশ্চিত করার পথে তুলে নেন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম ফিফটি।
শেষটা করেন রিশাদ হোসেনকে টানা তিন বলে দুই ছক্কা ও এক চার মেরে। অপরাজিত থাকেন মাত্র ৩১ বলে ৬২ রানে, যেখানে ছিল ৫ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কা। তাতে ১০৩ রানের টার্গেটে মেলে ৬ উইকেটের জয়।
এর আগে অবশ্য বৃষ্টির কারণে ১৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে বাংলাদেশ নিজেদের সর্বনাশ করে ব্যাটিংয়েই। দুই ওপেনারের ব্যর্থতার পর হাল ধরেন লিটন দাস (২৬ রান)। এরপর উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন কেবল তাওহীদ হৃদয় (৩৩ রান)। মাত্র ১৬ রানে হারাতে হয় শেষ ৬ উইকেট, যা ইনিংসের ইতি টানে ১০২ রানে।