Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা

ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের ৫ চ্যালেঞ্জ

ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার

ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার

প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৪: ৫১
ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের ৫ চ্যালেঞ্জ
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, জ্বালানি নিরাপত্তা, বৈদেশিক অর্থায়ন, ভারত-চীন-যুক্তরাষ্ট্রের ভারসাম্য এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বৈধতা—এই পাঁচটি বিষয়কে একই সঙ্গে কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, সেটিই আগামী দিনের বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কৌশলগত চ্যালেঞ্জ। ছবি: এআই দিয়ে নির্মিত

মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ও অর্থসংকটে বাংলাদেশের কৌশলগত বিকল্প সংকুচিত–এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর প্রায় অনিবার্য। তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট থেকে উত্তরণ করতে হলে বাংলাদেশের বিপুল অর্থের প্রয়োজন। অথচ আইএমএফ এখনও ঋণ ছাড়েনি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তি এবং কঠোর কূটনৈতিক নজরদারির কারণে বাংলাদেশের পক্ষে চীনের দিকে কৌশলগতভাবে ঝুঁকে যাওয়া আগের তুলনায় কঠিন হয়ে পড়েছে। একই সময়ে ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলো নিয়ে নতুন বাস্তবতা তৈরি হওয়ায় মার্কিন দৃষ্টিকোণ থেকে এই মুহূর্তে বঙ্গোপসাগরে নতুন মার্কিন ঘাঁটি স্থাপনও বাস্তবসম্মত বা সহজ কোনো বিকল্প নয়।

ফলে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোরের ভারতের দিকে ঝোঁকার প্রবণতা বিশেষভাবে লক্ষণীয়।

অন্যদিকে, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ স্থিতিশীল করা ছাড়া দেশের অর্থনীতি ও নাগরিক জীবন সচল রাখা কঠিন। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর প্রায় অনিবার্য। ভারত আপাতত বাংলাদেশের ডিজেলের চাহিদা পূরণে সহায়তা করতে পারে এবং অপরিশোধিত অর্থ পরিশোধের চাপ ছাড়াই আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখতে পারে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান জোটে যোগ দিতে পারে মিশরওSoudi-pakistan-turkiye

অধিকন্তু, অর্থ থাকলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও সচল রাখা সহজ। দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের আন্তর্জাতিক প্রভাবের মাধ্যমে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের অবস্থান পুনর্মূল্যায়ন করে বাংলাদেশকে দীর্ঘমেয়াদি ও তুলনামূলকভাবে নমনীয় ঋণসহায়তা দেওয়ার পথও উন্মুক্ত হতে পারে। একই সঙ্গে গঙ্গা চুক্তির নবায়ন ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান এবং তিস্তার পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি কার্যকর রূপরেখা তৈরির উদ্যোগ দেখা যেতে পারে। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রমও এগিয়ে নেওয়া হতে পারে।

তবে চীনা অর্থায়ন ও অবকাঠামোগত সহায়তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলে উন্নয়ন ব্যয় অনেক বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে। সে কারণে সরকার শেষ পর্যন্ত একটি বাস্তববাদী সমঝোতার পথ বেছে নিতে পারে।

এই সমঝোতার রাজনৈতিক অর্থও গুরুত্বপূর্ণ। এর অর্থ হতে পারে, তথাকথিত ‘জাকার্তা মডেল’ কার্যকর না হয়ে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে ‘নেপাল মডেল’-এর একটি শান্তিপূর্ণ ও আলোচনাভিত্তিক সংস্করণের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

ফলে রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের প্রভাবকে নিয়ন্ত্রিত রাখতে কয়েক বছরের জন্য একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চয়তা চাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে—এবং এটিই হবে সরকারের জন্য রাজনৈতিক BATNA (Best Alternative to a Negotiated Agreement)। এতে সাম্প্রতিক গণআন্দোলন থেকে উঠে আসা তরুণ নেতারাও কয়েক বছর একটি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশে পেতে পারে।

‘পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অংশীদারত্বে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ক্রমেই সমৃদ্ধ হচ্ছে’dinesh tribedi

এই মডেলে স্থানীয় সরকার নির্বাচন তুলনামূলকভাবে সবাইকে নিয়ে এবং সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি করার ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে জাতীয় নির্বাচনের প্রায় এক বছর আগে থেকেই রাজনৈতিক মাঠ উত্তপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। সেই পরিস্থিতিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দ্রুত রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। একটি গ্রহণযোগ্য ও সমতাভিত্তিক নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার সর্বদলীয় সংলাপের উদ্যোগ নিতে পারে এবং আদালতের রায় অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক ধরনের নির্বাচনকালীন ব্যবস্থা কার্যকর করা নিয়ে রাজনৈতিক সমঝোতার চেষ্টা করতে পারে।

অতএব, বাংলাদেশের সামনে মূল প্রশ্নটি শুধু কোন দেশের দিকে কৌশলগতভাবে ঝুঁকবে—তা নয়। বরং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, জ্বালানি নিরাপত্তা, বৈদেশিক অর্থায়ন, ভারত-চীন-যুক্তরাষ্ট্রের ভারসাম্য এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বৈধতা—এই পাঁচটি বিষয়কে একই সঙ্গে কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, সেটিই আগামী দিনের বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কৌশলগত চ্যালেঞ্জ।

লেখক: অধ্যাপক, এআইইউবি এবং প্রাবন্ধিক ও গবেষক

বিষয়: যুক্তরাষ্ট্রবঙ্গোপসাগরভারতইরান-ইসরায়েল সংঘাতবাংলাদেশ
সর্বশেষ
  • ১

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ২

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৩

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৪

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

  • ৫

    ‘২৪ ঘণ্টা হল খোলা চাই, এইখানে একটা মিসলিডিং আছে’

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া