
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জারি করা আদেশের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের এই আদেশ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য একটি বড় পরাজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দেশটির সর্বোচ্চ আদালত এই রায় দিয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের বিষয়ে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশটি ৬-৩ ভোটে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। নিম্ন আদালতের ওই সিদ্ধান্তে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশটি স্থগিত করা হয়েছিল।
ট্রাম্পের ওই আদেশে আমেরিকান সংস্থাগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া কোনো শিশুর মা–বাবার কেউ যদি আমেরিকান নাগরিক বা স্থায়ী বৈধ বাসিন্দা না হন, তবে সেই শিশুর নাগরিকত্বের স্বীকৃতি যেন না দেওয়া হয়, সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
একই দিনে আদালত অন্য দুটি রায়ে নারীদের ক্রীড়া দল থেকে ট্রান্সজেন্ডার ছাত্র-ক্রীড়াবিদদের নিষিদ্ধ করার অনুমতি দিয়েছে এবং নির্বাচনী তহবিলের ওপর থাকা আরও কিছু বিধিনিষেধ বাতিল করেছে।
অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতিতে বারবার প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সীমা পরীক্ষা করে আসছেন ট্রাম্প। বৈধ ও অবৈধ অভিবাসনের ওপর কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অংশ হিসেবে গত বছর দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই এই নির্বাহী আদেশ জারি করেছিলেন তিনি।
এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে চলতি বছর দ্বিতীয়বারের মতো আদালত ট্রাম্পের কোনো বড় পদক্ষেপ বাতিল করলেন। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে ব্যাপক পরিসরে তার জারি করা বৈশ্বিক শুল্ক বাতিল করেছিলেন আদালত।
মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের এই সংখ্যাগরিষ্ঠতার রায়টি লিখেছেন বিচারপতি জন রবার্টস। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে বেআইনিভাবে বা সাময়িকভাবে বসবাসরত মা-বাবার ঘরে জন্ম নেওয়া সন্তানরাও আমেরিকান সংবিধান অনুযায়ী ‘জন্মসূত্রে নাগরিক’।
রায়ে এই বিচারক উল্লেখ করেন, ট্রাম্পের এই নির্দেশ আমেরিকান সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
যুক্তরাষ্ট্রের দাসপ্রথার অবসান ঘটানো গৃহযুদ্ধের পর ১৮৬৮ সালে অনুমোদিত এই সংশোধনী অনুযায়ী, কিছু অতি সীমিত ব্যতিক্রম যেমন: বিদেশি কূটনীতিকদের সন্তান বা কোনো শত্রু বাহিনীর সদস্য ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সীমানার মধ্যে জন্ম নেওয়া প্রত্যেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেশটির নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।