Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> প্রবাস

যুক্তরাষ্ট্রের সব অঙ্গরাজ্যেই ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ

বিডিজেন ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ এপ্রিল ২০২৫, ১১: ৫৭
যুক্তরাষ্ট্রের সব অঙ্গরাজ্যেই ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ

‘ট্রাম্পের পদত্যাগ চাই’, ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’, ‘আমাদের কোনো রাজা নেই’—শনিবার এমন স্লোগানে দিনভর উত্তাল ছিল যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর উপদেষ্টা ধনকুবের ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে দেশটির ৫০ অঙ্গরাজ্যের সব কটিতে বিক্ষোভ করেছে লাখ লাখ মানুষ। ইউরোপের কয়েকটি দেশেও রাজপথে নেমেছে বিক্ষোভকারীরা। ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভকারীরা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতা হরণ করছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

দেশব্যাপী এ বিক্ষোভের নাম দেওয়া হয়েছে ‘হ্যান্ডস অফ’। অধিকারকর্মীদের প্রায় দেড় শ গোষ্ঠী এ বিক্ষোভে অংশ নেয়। ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক, টেক্সাস, ফ্লোরিডা, কলোরাডো, মিনেসোটা, ক্যারোলাইনা, ডেলাওয়ারসহ সব অঙ্গরাজ্যের প্রধান শহরগুলোয় ১ হাজার ৪০০টির বেশি বিক্ষোভ-সমাবেশের আয়োজন করা হয়। বিক্ষোভে যোগ দেওয়া ‘ইনডিভিজিবল’ নামের একটি সংগঠনের তথ্যমতে, শনিবারের বিক্ষোভে যোগ দিতে প্রায় ৬ লাখ মানুষ সই করে।

বিক্ষোভের আয়োজকদের মধ্যে ছিল নাগরিক অধিকার সংস্থা, নারী অধিকার গোষ্ঠী, শ্রমিক সংগঠন, অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের সংগঠন ও এলজিবিটিকিউ-প্লাস অধিকারকর্মীরা। তাদের দাবি ৩টি। সেগুলো হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনে শতকোটিপতিদের (বিলিয়নিয়ার) দখলদারি ও দুর্নীতি বন্ধ করা; ‘মেডিকেইড’ নামে কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্যবিমাসহ সামাজিক নিরাপত্তাবিষয়ক কর্মসূচিগুলোয় অর্থায়ন বন্ধ না করা এবং অভিবাসী, ট্রান্সজেন্ডার ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের ওপর হামলা বন্ধ করা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

শনিবার সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ হয় রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে। সেখান থেকে বিক্ষোভের আয়োজক সংস্থা ইনডিভিজিবলের সহপ্রতিষ্ঠাতা এজরা লেভিন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, বিশাল এ বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে তাঁরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ইলন মাস্ক, রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য ও তাঁদের মিত্রদের পরিষ্কার বার্তা পাঠাতে চান যে যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের ওপর কোনো হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না।

কলোরাডোর ডেনভার শহরে প্রতিবাদী স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভকারীরা। ছবি–সংগৃহীত
কলোরাডোর ডেনভার শহরে প্রতিবাদী স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভকারীরা। ছবি–সংগৃহীত

‘পুরো দেশের ওপর হামলা হয়েছে’

বিক্ষোভে অংশ নিতে শনিবার নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্য থেকে ওয়াশিংটন ডিসিতে আসেন অবসরপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী টেরি ক্লেইন। ওয়াশিংটন মনুমেন্টের নিচে দাঁড়িয়ে তিনি রয়টার্সকে বলেন, ‘অভিবাসন, সরকারি দক্ষতা বিভাগ (ডিওজিই), পাল্টা শুল্ক, শিক্ষা-ট্রাম্পের নেওয়া সব নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এখানে এসেছি। আমি বলতে চাচ্ছি, আমাদের পুরো দেশটার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। সব প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা হয়েছে, যেগুলো নিয়ে আমেরিকা গঠিত।’

শনিবার ওয়াশিংটনের আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন, হালকা বৃষ্টিও হচ্ছিল। দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মনুমেন্টের আশপাশে মানুষের জমায়েত বড় হতে থাকে। অনেকের হাতে ছিল ট্রাম্প ও মাস্কবিরোধী স্লোগান লেখা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড। কয়েকজন নিয়ে এসেছিলেন ইউক্রেনের পতাকা। কেউ কেউ আবার ‘ফিলিস্তিনের মুক্তি চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড ধরে ছিলেন। বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ গাজায় ইসরায়েলের নতুন করে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন দেওয়ার প্রতিবাদ জানান।

গত ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর বেশ কিছু নির্বাহী আদেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। এর মধ্যে রয়েছে অবৈধ অভিবাসন, বিদেশি সহায়তা, ট্রান্সজেন্ডার অধিকারসংক্রান্ত আদেশগুলো। ট্রাম্পের বিভিন্ন আদেশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে মামলা হয়েছে। কোনো কোনো আদেশ স্থগিত করেছে আদালত। এ ছাড়া, ট্রাম্পের গঠন করা ডিওজিইর দায়িত্ব দিয়েছেন ধনকুবের ব্যবসায়ী ইলন মাস্ককে। এই সংস্থার অধীন যুক্তরাষ্ট্রে কেন্দ্রীয় সরকারের ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬১ কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়েছে।

শনিবার বিক্ষোভকারীদের বড় ক্ষোভ ছিল ডিওজিইর ওপর। এদিন মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের বাল্টিমোর শহরে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা প্রশাসনের প্রধান কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয় শত শত মানুষ। সংস্থাটি থেকে বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের যে ভাতা দেওয়া হয়, সেই তহবিলে কাটছাঁট করা হয়েছে। এর প্রতিবাদ জানিয়ে ৬৪ বছর বয়সী লিন্ডা ফ্যালকাও বলেন, ‘আমি আতঙ্কিত, আমি ক্ষুব্ধ।’

শনিবার ব্যস্ত শহর নিউইয়র্কের ম্যানহাটান এলাকায় মিছিল করে বিক্ষোভকারীরা। সেই বিক্ষোভে অংশ নিয়ে শাইনা কেসনার (৪৩) বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ।...বিশেষ সুবিধা পাওয়া একদল শ্বেতাঙ্গ, যাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে, তারা আমাদের দেশ নিয়ন্ত্রণ করছে।’

ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে বিচিত্র সাজে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভকারীরা। ছবি–সংগৃহীত
ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে বিচিত্র সাজে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভকারীরা। ছবি–সংগৃহীত

বিক্ষোভে কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাট সদস্যরা

শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন সদস্য বিক্ষোভে অংশ নেন। ওয়াশিংটনে বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে প্রতিনিধি পরিষদে মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট সদস্য জেমি রাসকিন বলেন, যিনি মুসোলিনির মতো রাজনীতি করেন এবং হারবার্ট হোভারের মতো করে অর্থনীতি সামাল দেন, তাঁর অধীন দেশের কোনো ভবিষ্যৎ নেই।

বিক্ষোভে ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মল এলাকায় বড় জমায়েত হয়। সেখানে বিক্ষোভকারীরা ‘সংবিধান রক্ষা করুন’, ‘আমাদের অধিকার রক্ষা করুন’ স্লোগান দিচ্ছিলেন। তাদের উদ্দেশে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্য থেকে প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট সদস্য ইলহান ওমর বলেন, ‘আপনি যদি এমন একটি দেশে বিশ্বাস করেন, যেখানে আমরা আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি খেয়াল রাখব, দরিদ্রদের দেখভাল করব, শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ে দেব, তাহলে আমাদের সেই দেশের জন্য লড়াই করতে হবে।’

ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যেও বিক্ষোভকারীরা বড় জমায়েত করেছে। প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য ম্যাক্সওয়েল ফ্রস্ট বলেন, মানব ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যাবে কর্তৃত্ববাদীদের যা আছে, তা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। তাই তারা সীমার বাইরে গিয়ে কাজ করেন। আইন লঙ্ঘন করেন। তারপর তারা জনগণের মনোভাব বোঝার চেষ্টা করেন।

এর আগে ট্রাম্পের নেওয়া নানা নীতির বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। গত বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে হ্যামিলটন কলেজে দেওয়া এক ভাষণে ট্রাম্পের রাজনৈতিক এজেন্ডার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এ ছাড়া, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ‘সম্ভাব্য আত্মোৎসর্গের’ জন্য প্রস্তুত হতে বলেন।

লন্ডনে টেসলার শোরুমের সামনে বিক্ষোভ। ছবি–সংগৃহীত
লন্ডনে টেসলার শোরুমের সামনে বিক্ষোভ। ছবি–সংগৃহীত

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইউরোপ

শনিবার ইউরোপের বিভিন্ন শহরেও ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইলন মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে। এদিন জার্মানির রাজধানী বার্লিন ও ফ্রাঙ্কফুর্ট, ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস, যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডন ও পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে একত্র হয় বিক্ষোভকারীরা।

ফ্রাঙ্কফুর্টে বিক্ষোভের আয়োজন করে ‘ডেমোক্র্যাটস অব্রোড’ নামের একটি সংগঠন। বিদেশে বসবাসকারী যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের নিয়ে সংগঠনটি গঠন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেটিক পার্টি। অন্যদিকে বার্লিনে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান টেসলার একটি শোরুমের সামনে অবস্থান নেয় বিক্ষোভকারীরা। তারা স্লোগান দেয়, ‘ইলন, তোমাকে কেউ ভোট দেয়নি।’

প্যারিসের প্যালেস দে লা রিপাবলিকে দুই শতাধিক বিক্ষোভকারী জমায়েত হয়। তাদের বেশির ভাগই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। অনেকের হাতে ‘অত্যাচারীকে প্রতিহত করুন’, ‘আইনের শাসন’ ও ‘গণতন্ত্র রক্ষা করুন’ লেখা ব্যানার দেখা যায়। আর লন্ডনের ট্রাফালগার স্কয়ারে কয়েক শ বিক্ষোভকারীর জমায়েত থেকে ট্রাম্পের উদ্দেশে স্লোগান দেওয়া হয়, ‘কানাডা থেকে দূরে থাকুন, গ্রিনল্যান্ড থেকে দূরে থাকুন, ইউক্রেন থেকে দূরে থাকুন।’

বিষয়: বাণিজ্যযুক্তরাষ্ট্রইউরোপযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টশুল্কবিক্ষোভডোনাল্ড ট্রাম্পওয়াশিংটন ডিসি
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

  • টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

  • অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

  • নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।