
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
মো. শফিকুল আলম, এনএসডব্লিউ, অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলের ডেপুটি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী।
গতকাল মঙ্গলবার ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলের কাউন্সিল চেম্বারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি নিজ দায়িত্বে শপথ গ্রহণ করেন। একই সময় মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন কাউন্সিলর ডার্সি লাউন্ড। তিনি মেয়র হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন।
এদিকে মাসুদ চৌধুরীর ডেপুটি মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণের খবরে স্থানীয় বাংলাদেশি ও বাঙালি কমিউনিটিতে আনন্দ ও উৎসাহ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতি ও কমিউনিটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত মাসুদ চৌধুরী বর্তমানে ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলের নির্বাচিত কাউন্সিলর এবং অস্ট্রেলিয়ান লেবার পার্টির প্রতিনিধি।
২০২৪ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তিনি ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলের কাউন্সিলর হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হন। এবার ডেপুটি মেয়রের দায়িত্ব পাওয়ার মধ্য দিয়ে কাউন্সিলে তার দায়িত্বের পরিধি আরও বিস্তৃত হলো।
নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর মাসুদ চৌধুরী ক্যাম্বেলটাউনের সকল জনগোষ্ঠীর জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। স্থানীয় উন্নয়ন, জনকল্যাণ এবং বহুসাংস্কৃতিক কমিউনিগুলোর সঙ্গে কাউন্সিলের সম্পর্ক আরও কার্যকর করতে তিনি সহকর্মী কাউন্সিলর, কমিউনিটি নেতা, বিভিন্ন সংগঠন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা কামনা করেন।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।