Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> প্রবাস

অস্ট্রেলিয়ায় ১০ ডিসেম্বর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে ন্যূনতম বয়স ১৬ বছর কার্যকর হচ্ছে

নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৩: ২৭
অস্ট্রেলিয়ায় ১০ ডিসেম্বর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে ন্যূনতম বয়স ১৬ বছর কার্যকর হচ্ছে

অস্ট্রেলিয়া সরকার আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করতে যাচ্ছে নতুন একটি আইন। এর অধীনে ১৬ বছরের নিচের কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (সোশ্যাল মিডিয়া) ব্যবহার করতে পারবে না।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এই সিদ্ধান্ত হয়েছে অনলাইন সেফটি অ্যামেন্ডমেন্ট (সোশ্যাল মিডিয়া মিনিমাম এজ) অ্যাক্ট ২০২৪–এর আওতায়। এই আইন ২০২৪ সালের ২৯ নভেম্বর দেশটির পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে অনুমোদন পায়।

আইন অনুযায়ী, ১৬ বছরের নিচের ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে হবে এবং প্ল্যাটফর্মগুলো যদি নিয়ম মানতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৫০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (প্রায় ৩৩ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার) জরিমানা আরোপ করা হবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কোন প্ল্যাটফর্মগুলো প্রভাবিত — কী বলেছে কর্তৃপক্ষ

নতুন আইন কার্যকর হলে, নিচের জনপ্রিয় সামাজিক মিডিয়া ও স্ট্রিমিং/শেয়ারিং সাইটগুলোতে বয়সসীমা প্রযোজ্য হবে:

*ফেসবুক

*ইনস্টাগ্রাম

*টিকটক

*স্ন্যাপচ্যাট

*এক্স (সাবেক টুইটার)

*ইউটিউব

*রেড্ডিট

*এ ছাড়া, আরও কিছু অন্য প্ল্যাটফর্ম ও স্ট্রিমিং/শেয়ারিং সাইট।

সরকার বলেছে, শুধু বয়স যাচাই (age verification) পদ্ধতি নেওয়া — অর্থাৎ প্ল্যাটফর্মগুলোকে ‘যুক্তিসঙ্গত পদক্ষেপ‘ নিতে হবে যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় অ্যাকাউন্টধারী ১৬ বা তার বেশি বয়সের।

সরকারের যুক্তি ও সমালোচনা

আইন গঠনের পক্ষে যুক্তি রয়েছে যে, অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে শিশুরা প্রায়ই অবৈধ বা ক্ষতিকর কনটেন্টের শিকার হয় — যা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

অন্যদিকে সমালোচকেরা বলছেন, ১৬ বছর বয়সসীমা এক ধরনের ‘কঠিন শাস্তিমূলক বিধি‘ (blunt instrument) — এবং এটি বাস্তবায়ন, গোপনীয়তা ও ডিজিটাল অধিকার (digital rights)–এর ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি করতে পারে।

আবার অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এমন নিষেধাজ্ঞা যুব সমাজকে ডিজিটাল যোগাযোগ এবং সামাজিক সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারে। বিশেষ করে এমন পরিবেশে যেখানে বন্ধুবান্ধব বা সহপাঠীদের সঙ্গে যোগাযোগ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হয়।

শুরু হয়েছে প্রস্তুতি—কোম্পানিগুলোর প্রতিক্রিয়া

কয়েকটি বড় সামাজিক মিডিয়া কোম্পানি ইতিমধ্যেই আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। উদাহরণ হিসেবে মেটা প্লাটফর্মস (ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের প্যারেন্ট কোম্পানি) জানিয়েছে, তারা অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যবহারকারীদের শনাক্ত ও তাদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এ ছাড়া, ইউটিউব জানিয়েছে, তারা নতুন আইন মেনে চলবে এবং ১৬ বছরের নিচের ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাক্সেস সীমিত করবে।

সরকারি দায়িত্ব — অপ্রাপ্তবয়স্কদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা নিরীক্ষণের পাশাপাশি প্রতিটি প্ল্যাটফর্মকে প্রতি মাসে এমন রিপোর্ট করতে হবে, যাতে দেখানো যায় কেমনভাবে তারা আন্ডার ১৬ অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ বা সরিয়ে ফেলেছে।

প্রভাব ও ভবিষ্যৎ দৃষ্টিকোণ

এই নতুন আইন কার্যকর হলে, ১৬ বছরের নিচের লাখ লাখ ব্যবহারকারীর জন্য সোশ্যাল মিডিয়া প্রবেশ বন্ধ হবে — যা ডিজিটাল সামাজিক অভিজ্ঞতায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

এজ যাচাই (age verification) প্রযুক্তি ও গোপনীয়তা সালিশি (privacy safeguards) — কীভাবে পরিচালনা করা হবে, তা দেখার বিষয়। সফল হলে, অনেক দেশে (বিশেষ করে যেখানে অনলাইন শিশু সুরক্ষা নিয়ে শঙ্কা আছে) এই সিদ্ধান্তকে অনুসরণ করার উদ্যোগ দেখা যেতে পারে।

তবে অনেকে বলছেন, তরুণদের ডিজিটাল অধিকার, সামাজিক যোগাযোগ, এবং শিখনের সুযোগ যাতে সংরক্ষিত থাকে — সেই দিকটাও বিবেচনায় রাখা জরুরি।

বিষয়: সোশ্যাল মিডিয়াটিকটকসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসরকারইউটিউবঅস্ট্রেলিয়াফেসবুকইনস্টাগ্রাম
সর্বশেষ
  • ১

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ২

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৩

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৪

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

  • ৫

    ‘২৪ ঘণ্টা হল খোলা চাই, এইখানে একটা মিসলিডিং আছে’

সম্পর্কিত
  • সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

  • টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

  • অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

  • নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।