Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> প্রবাস

ইলন মাস্কের কানাডিয়ান নাগরিকত্ব বাতিলের দাবিতে পিটিশনে ২ লাখের বেশি স্বাক্ষর

মোহাম্মদ সাকিবুর রহমান খান, কানাডা থেকে

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১১: ৫০
ইলন মাস্কের কানাডিয়ান নাগরিকত্ব বাতিলের দাবিতে পিটিশনে ২ লাখের বেশি স্বাক্ষর

বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্কের কানাডিয়ান নাগরিকত্ব বাতিলের দাবিতে দেশটির ২ লাখেরও বেশি নাগরিক একটি পার্লামেন্টারি পিটিশনে স্বাক্ষর করেছেন। তাদের অভিযোগ, ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে কানাডার সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কাজ করছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার লেখক কোয়ালিয়া রিড এই পিটিশনটি কানাডার হাউস অব কমন্সে উত্থাপন করেন, যা নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টির পার্লামেন্ট চার্লি অ্যাঙ্গাসের সমর্থনে পরিচালিত হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া মাস্ক তাঁর মায়ের সূত্রে কানাডার নাগরিক। মাস্কের মা সাসকাচুয়ান প্রদেশের রাজধানী রেজাইনার বাসিন্দা। পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে, মাস্ক ট্রাম্পের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে কানাডার জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত আছেন। ট্রাম্প তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদে কানাডার স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ফেলে দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্যে পরিণত করার হুমকি দিয়ে আসছেন। এ ছাড়া, ট্রাম্প কানাডার পণ্যে উচ্চ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে ‘গভর্নর’ বলে উপহাস করেছেন।

পিটিশনে আরও বলা হয়েছে, মাস্কের এ কর্মকাণ্ড তাঁকে এমন এক বিদেশি সরকারের সদস্যে পরিণত করেছে, যারা কানাডার সার্বভৌমত্ব মুছে ফেলতে চায়। এ কারণে, পিটিশনে মাস্কের কানাডিয়ান নাগরিকত্ব ও পাসপোর্ট অবিলম্বে বাতিল করার জন্য প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কানাডার হাউস অব কমন্সে এ ধরনের পিটিশন উপস্থাপনের জন্য কমপক্ষে ৫০০ স্বাক্ষর প্রয়োজন। রিডের পিটিশনটি সহজেই এই শর্ত পূরণ করেছে এবং এখন পর্যন্ত এতে প্রায় ২ লাখ কানাডিয়ানের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছে, যা ক্রমাগত বাড়ছে। এ পিটিশনের মেয়াদ আগামী ২০ জুন পর্যন্ত এবং এই সময়ের মধ্যে আরও স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হবে।

পিটিশনের ফলে কানাডা সরকার যদি তাঁর নাগরিকত্ব বাতিল করে, তবে ইলন মাস্ককে আবার কানাডিয়ান নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে ১০ বছর অপেক্ষা করতে হবে।

উল্লেখ্য, ইলন মাস্ক ১৯৭১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মগ্রহণ করেন, ১৯৮৯ সালে তিনি কানাডায় আসেন এবং মায়ের জন্মসূত্রে কানাডার নাগরিকত্ব পান। ১৭ বছর বয়সে তিনি কানাডার কুইন্স ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা শুরু করেন। কানাডায় আসার মাত্র ২ বছর পর ১৯৯১ সালে তিনি আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়ায় ভর্তি হন। ২০০২ সালে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ এই ধনকুবের দক্ষিণ আফ্রিকা ও কানাডার পর আমেরিকার নাগরিকত্ব পান।

বিষয়: যুক্তরাষ্ট্রকানাডাবাতিলনাগরিকত্ব
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

  • টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

  • অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

  • নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।