
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
দ্বীপে ঘুরার শখ হয়েছে এক নারীর। স্বামীকে বললেন সে কথা। তবে দ্বীপে তিনি ঘুরতে চান বিকিনি পরে। আর সেখানে থাকতে হবে নিরাপত্তাও। এসব শর্তের আবদার শুনে স্বামী আস্ত দ্বীপটাই কিনে ফেললেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্ট বলছে, অবশেষে সেই দ্বীপের ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন সৌদি আল নাদাক নামের ২৬ বছর বয়সী ওই নারী। তাতে লেখেন, ‘বিকিনি পরে দ্বীপে ঘুরতে চেয়েছিলাম। আমার মিলিয়নিয়ার স্বামী পুরো দ্বীপটাই কিনে দিল।’
ব্রিটেনে জন্ম নেওয়া সৌদি দুবাইয়ের ব্যবসায়ী জামাল আল নাদাককে বিয়ে করেন। পেশায় গৃহিনী এই নারী দুবাইয়েই জামালের সঙ্গে ২০২১ সালে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন।
সামাজিক যোগাযোগামাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ৩ লাখ ৩৬ হাজারের বেশি ফলোয়ার রয়েছে সৌদির। প্রতি সপ্তাহে তিনি ভিডিও শেয়ার করেন। আর সেসব ভিডিওতে তিনি জানান, তাঁর মিলিয়নিয়ার স্বামী এই সপ্তাহে কী উপহার দিলেন।
প্রতিবারই তাঁর পেছনে স্বামী প্রায় ৫০ হাজার ডলার থেকে ১ লাখ ডলার পর্যন্ত খরচ করেন। সম্প্রতি এই দ্বীপ কেনার ব্যাপারে তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, তাঁর স্বামী ৫ কোটি ডলার দিয়ে দ্বীপটি কিনে দিয়েছেন।
কারণ হিসেবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসকে সৌদি বলেন, ‘আমরা কোনো জায়গায় বিনিয়োগের চিন্তা করছিলাম। আমার স্বামী চেয়েছিল আমরা যেন নিরাপদ বোধ করি। এ কারণে সে আমাকে পুরো দ্বীপটিই কিনে দেয়।’
নিরাপত্তাজনিত কারণে দ্বীপের লোকেশন প্রকাশ করেনি এই দম্পতি। তবে এটি এশিয়ার কোথাও বলে জানায়।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।